Sayak-Bigg Boss Bangla: ‘সম্পর্ক ভাঙার চেয়ে গড়া দামি’: বিগ বস থেকে বিদায় সায়কের, কেঁদে ভাসালেন সোনামণি-সৃজলা
বিগ বসের ঘর থেকে বেরিয়ে গেলেও নেটপাড়ায় সায়ককে ঘিরে প্রশংসার বন্যা। ‘ওকে নিয়ে ভুল ধারণা ভেঙে গেল, ছেলেটা সত্যি খুব ভালো’, মত অধিকাংশ নেটিজেনদের।
'বিগ বস'-এর ঘর থেকে বিতাড়িত হয়ে বিদায় নিলেন অন্যতম চর্চিত প্রতিযোগী সায়ক। বেরোনোর মুখে সায়কের আবেগঘন বার্তা এবং বাড়ির বাকি সদস্যদের কান্নাকাটি নিয়ে এখন উত্তাল সোশাল মিডিয়া।

কোনও ধরনের আগ্রাসী গেম না খেলে বিগ বসের ঘরে দর্শকদের ভালোবাসা কুড়িয়েছে সায়ক। নেটপাড়ার দাবি, নিজের প্রতি তৈরি হওয়া যাবতীয় নেতিবাচক ধারণা মুছে দিয়ে সসম্মানে বেরিয়ে গেলেন সায়ক। বিদায়বেলায় সহ-প্রতিযোগীদের উদ্দেশ্যে আবেগপ্লুত গলায় সায়ক বলেন, ‘রেষারেষির এই খেলায় আমি শুরু থেকেই পিছিয়ে। আমার কাছে সম্পর্ক ভাঙার থেকে বেশি দামি সম্পর্ক গড়া। আর এই বাড়ি থেকে অনেক ভালো সম্পর্ক নিয়ে যাচ্ছি মায়ের কাছে। সবাই ভালো থেকো, ভালো করে খেলো। আমার হাতের রুটি মিস করো…’।
সায়কের এই বিদায়বার্তা শুনে বিগ বসের ঘরে কান্নার রোল ওঠে। বিশেষ করে সোনামণি এবং সৃজলা সায়কের চলে যাওয়ায় কেঁদে ভাসান। মন খারাপ ভরত কলেরও। ছেলের মতো সারাক্ষণ সায়ককে আগলে রাখতেন তিনি।
সায়কের আত্মত্যাগ ও নন্দিনীর বিতর্কিত প্রতিক্রিয়া:
সায়কের এই বিদায় নেটিজেনদের একটা বড় অংশের চোখে 'আত্মত্যাগ' হিসেবেই ধরা দিচ্ছে। কারণ, সহ-প্রতিযোগী নন্দিনীকে বাঁচাতেই সায়ক নিজে সদিচ্ছায় নমিনেশনে এসেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত তাঁকে বাদ পড়তে হলো। তবে সায়কের এমন ত্যাগের মূল্য নন্দিনী বুঝবে না, দাবি নেটিজেনদের।
নেটিজেনদের তীব্র তোপ:
সোশ্যাল মিডিয়ায় সায়কের প্রশংসার বন্যা বইলেও নেটিজেনদের তীব্র কটাক্ষের মুখে পড়েছেন নিরঞ্জন ও ঝিলাম। তাঁদের মতে, ঘরের কোনও কাজ না করে সারাক্ষণ পিএনপিসিতে মেতে থাকে দুজনে। নিরঞ্জনের বাদ পড়া উচিত ছিল সায়কের বদলে। একজন প্রশ্ন তুলছে— 'সায়কের মতো ভালো মানুষ বাদ পড়ে গেল, আর নিরঞ্জন-ঝিলাম ওখানে বসে বসে কী করছে?'
খেলার ট্রফি হাতছাড়া হলেও সায়ক যে মানুষের মন জয় করে বিজয়ী হিসেবেই বেরোলেন, কমেন্ট সেকশনে চোখ রাখলেই তা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


