Shaheb-Susmita: সমুদ্রের মাঝে হাঁটু মুড়ে মনের কথা জানালেন সাহেব, হাতে গোলাপ; লাজে রাঙা সুস্মিতা! বিয়েটা কবে?
Shaheb-Susmita: কথার সেটে শুরু তাঁদের প্রেমের গল্প। পরিবারের আর্শীবাদ সঙ্গে রয়েছে। এবার সুস্মিতাকে প্রোপোজ করলেন সাহেব। বিয়েটা কবে?
সমুদ্রের বিশালতা, ঢেউয়ের গর্জন আর তার মাঝে এক টুকরো রোম্যান্স—এ যেন এক স্বর্গীয় মুহূর্ত! বাংলা টেলিভিশনের জনপ্রিয় জুটি সাহেব মুখোপাধ্যায় ও সুস্মিতা বোস সম্প্রতি সমুদ্রের পাড়ে এমনই কিছু সুন্দর মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দী করেছেন, যা দেখে অনুরাগীরা আপ্লুত। তাঁদের নতুন ধারাবাহিকের শুটিংয়ের মাঝেই সমুদ্রের বুকে এই রোম্যান্টিক মুহূর্তগুলোর ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন ভীষণভাবে ভাইরাল।

সমুদ্রের নোনা জল ও ভালোবাসার গভীরতা
শুটিংয়ের ফাঁকে সুস্মিতা ইনস্টাগ্রামে কিছু ছবি ও একটি মিষ্টি রিল শেয়ার করেছেন, যেখানে দেখা যাচ্ছে নীল রঙের ব্যাকলেস প্রিন্টেড শাড়িতে তিনি এবং কালো স্লিভলেস ও টিল রঙের ট্রাউজারে সাহেব অত্যন্ত ক্যাজুয়াল কিন্তু আকর্ষণীয় লুকে আছেন। সমুদ্রের পাড়ে দাঁড়িয়ে দু’জন একে অপরের দিকে তাকিয়ে থাকার ছবিটি তাঁদের গভীর কেমিস্ট্রির প্রমাণ দেয়।
ছবির ক্যাপশনে সুস্মিতা লেখেন-'কখনও কখনও সমুদ্রও শহরকে চায়, যদিও তাকে সারাটা জীবন বলা হয়েছে, তার সীমানা কেবল তীর পর্যন্তই…'। এই লাইনগুলোর মাধ্যমেই তিনি তাঁদের সম্পর্কের গভীরতা ও রোম্যান্স প্রকাশ করেছেন।
হাঁটু মুড়ে প্রপোজ ও লাজে রাঙা সুস্মিতা
তবে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ কেড়েছে অন্য একটি ছবি, যেখানে সাহেব হাঁটু মুড়ে জলের উপর বসে সুস্মিতার দিকে একটি লাল গোলাপ বাড়িয়ে দিয়েছেন। সমুদ্রের ঢেউয়ের মাঝে হাঁটু মুড়ে এই চিরন্তন 'প্রপোজ' স্টাইল সুস্মিতাকে রীতিমতো অবাক ও খুশি করেছে। তাঁর মুখের হাসি ও লাজুক চাহনি বলে দিচ্ছে সাহেব কীভাবে তাঁর মন জয় করেছেন। এই ছবিটি অনুরাগীদের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।
সাহেব ও সুস্মিতার এই রোম্যান্টিক মুহূর্তগুলো যেন সমুদ্রের গভীরতার মতো তাঁদের সম্পর্কের গভীরতাই প্রকাশ করছে। ভক্তরা এই জুটিকে একসাথে দেখতে পেয়ে উচ্ছ্বসিত। সবার মনেই একটাই প্রশ্ন, বিয়েটা কবে? আপতত এই উত্তরের অপেক্ষায় ভক্তকূল।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


