‘প্লে-বয় টাইপ, প্রতারক…’, ৫ মাসেই ডিভোর্স বাদশার সঙ্গে, স্বামীর একাধিক নারী সঙ্গ নিয়ে বিস্ফোরক ইশা রিখি
গোপনে বিয়ে, বাধ্য হয়েই সম্পর্কে দেন স্বীকৃতি। বিয়ের পাঁচ মাসেই ২য় স্ত্রী ইশা রিখিকে ডিভোর্স দেন ব়্যাপার বাদশা। এবার গায়ককে ‘রেড ফ্ল্যাগ’ বলে তোপ প্রাক্তন স্ত্রীর।
পঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখি এবং জনপ্রিয় র্যাপার বাদশার দাম্পত্য ভাঙার খবর চর্চায় এসেছে খুব বেশি দিন হয়নি। ২০২৬-এর মার্চে বিয়ের ছবি সামনে আসার পর থেকেই এই জুটিকে ঘিরে কৌতূহল ছিল তুঙ্গে। তবে হঠাৎই পথ আলাদা হয়ে যায় দুজনের। সেই বিচ্ছেদের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার সলমান খানের 'বিগ বস ২০'-এর মঞ্চে হাজির হয়ে বাদশার দিকে নাম না করে মারাত্মক অভিযোগের তির ছুড়লেন ইশা। নাম না নিলেও রিয়্যালিটি শো-র সাম্প্রতিক পর্বে বাদশাকে 'প্লেবয়' ও 'প্রতারক' বলে ইঙ্গিত করেছেন তিনি।

ঘটনার সূত্রপাত প্রতিযোগী গুল্লুকে নিয়ে। ঘরে অন্যান্য মহিলারা তাকে 'রেড ফ্ল্যাগ' আখ্যা দিলে গুল্লু আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে প্রশ্ন করে, 'আমার মতো এত ভালো রেড ফ্ল্যাগ কেউ দেখেছ নাকি?' সঙ্গে সঙ্গেই পাল্টা জবাবে ইশা বলে ওঠেন, 'নিজের জীবনে খুব ভালো রেড ফ্ল্যাগ দেখেছি আমি!' কথাটি বলেই হেসে ফেলে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের প্রসঙ্গটি ঢাকার চেষ্টা করলেও সহ-প্রতিযোগীরা তাকে খোঁচাতে ছাড়েননি।
তবে ইশার আক্রমণের ঝাঁজ এখানেই থামেনি। পুরুষ প্রতিযোগীদের উদ্দেশ্য করে তিনি সরাসরি প্রশ্ন তোলেন, “যারা ভালোবাসায় প্রতারণা (চিট) করে, তাদের কাছে তো মুভ অন করার কোনো গল্পই থাকে না, তাই না? তোমাদের কি মনে হয়, যারা প্রতারণা করে—বিশেষ করে 'প্লেবয়' টাইপের মানুষেরা—তারা কি কখনো অনুশোচনায় ভোগে?”
ইশার এই মন্তব্যের ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়েছে নতুন শোরগোল। নেটিজেনদের বড় অংশেরই দাবি, ইশা এখানে বাদশার দিকেই আঙুল তুলেছেন।
এর আগে 'বিগ বস ২০'-এর গ্র্যান্ড প্রিমিয়ারে বিচ্ছেদ নিয়ে মুখ খুলে ইশা আবেগঘন হয়ে পড়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম ও শুধু গ্রিন ফ্ল্যাগ নয়, পুরো একটা গ্রিন ফরেস্ট। সংসার করতে চেয়েছিলাম, তাই খুব চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু ভালোবাসা যখন বিশ্বাস ভেঙে দেয়, তখন মানুষ ভেতরে ভেতরে ভেঙে পড়ে। কখন যে নিজের জীবনের গল্পেই আমি সাইড ক্যারেক্টার হয়ে গেলাম, টেরই পেলাম না।’ যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে বিচ্ছেদের কথা জানিয়ে দুজনে গোপনীয়তা রক্ষার আবেদন করলেও, বিগ বসের ঘরে ইশার একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্যে স্পষ্ট যে অনুরাগের ছাইয়ের নিচে আগুন এখনও জ্বলছে।
ইশা রিখি এবং বাদশা সম্পর্কে র্যাপার বাদশা এবং পাঞ্জাবি অভিনেত্রী ইশা রিখি 2026 সালে তাদের বিবাহ প্রকাশ্যে আসার আগে তাদের সম্পর্ককে জনসাধারণের দৃষ্টি থেকে দূরে রেখেছিলেন। মার্চ মাসে ইশার মা ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানের ঝলক শেয়ার করার পরে বিয়ের ছবিগুলি অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছিল। ইশা পরে নিশ্চিত করেছিলেন যে তিনি একটি ইনস্টাগ্রাম এএমএ চলাকালীন বাদশার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন, এমনকি তাকে তার "পতি দেব" হিসাবে উল্লেখ করেছিলেন। তবে তাদের বিবাহ স্বল্পস্থায়ী ছিল। পরে এই দম্পতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি যৌথ বিবৃতিতে তাদের বিচ্ছেদের কথা বলেছিলেন, তারা তাদের জীবন নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার সময় গোপনীয়তার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। বাদশা লিখেছেন, "ইশা রিখি এবং আমি পারস্পরিক সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে আমরা আলাদা হয়ে আমাদের আলাদা পথে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই সিদ্ধান্তটি পারস্পরিক শ্রদ্ধার সাথে নেওয়া হয়েছে এবং আমরা সবাইকে অনুরোধ করছি এই সময়ে আমাদের গোপনীয়তাকে সম্মান করুন।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


