‘সবসময় সবকিছু ঠিকঠাক চলে না…’! জাভেদের সঙ্গে বিয়ে নিয়ে মন্তব্য শাবানার
শাবানা আজমি সম্প্রতি জাভেদ আখতারের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলেছেন এবং তাঁর বিবাহিত জীবন কেমন চলছে তা জানিয়েছেন। তিনি জাভেদকে কেন পছন্দ করেছিলেন তাও বলেন।
শাবানা আজমি ও জাভেদ আখতার চার দশকেরও বেশি সময় ধরে বিবাহিত। তাঁরা ব্যক্তিগত ও পেশাগত উভয় ক্ষেত্রেই সবসময় একে অপরকে সমর্থন করে এসেছেন। শাবানা এখন প্রকাশ করেছেন, কীভাবে তিনি জাভেদের প্রেমে পড়েছিলেন এবং কীভাবে তাঁদের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়েছে। তবে, তিনি এও বলেছেন যে জাভেদের সঙ্গে তাঁর বিবাহিত জীবন কখনোই নিখুঁত নয়।

জাভেদের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক নিয়ে কথা বললেন শাবানা
জুম-এর একটি পডকাস্টে শাবানা বলেন যে, তিনি জাভেদের রসবোধ ও বুদ্ধিমত্তার প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিলেন। তিনি বলেন যে, জাভেদ এবং তাঁর বাবার মধ্যে অনেক মিল ছিল। ‘জাভেদকে আবিষ্কার করে আমি যেন আমার বাবাকেই নতুন করে আবিষ্কার করছিলাম। এমন নয় যে সবকিছু নিখুঁত। কিন্তু আমাদের বন্ধুত্ব দৃঢ় এবং আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ একই রকম। এটাই আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি যে কোনো সঙ্গেই স্বচ্ছন্দ। তিনি জানেন কীভাবে মানুষের সঙ্গে ভালোভাবে কথা বলতে হয়। আমি তাঁকে অনেক সম্মান করি।’
শাবানা আরও বলেন, ‘আমাদের দুজনের প্রেক্ষাপট একই রকম। ওর বাবা-মা ছিলেন প্রগতিশীল লেখক এবং কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য। ও উর্দু কবিতা ভালোবাসে। অনেকেই মনে করেন আমাদের সম্বন্ধ করে বিয়ে হওয়া উচিত ছিল। জাভেদ আর আমার মধ্যেও বড় ধরনের ঝগড়া হয়।'
শাবানা ও জাভেদের বিয়ে জনবিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছিল। উল্লেখ্য যে, শাবানা ও জাভেদের বিয়ের সময় তারা ব্যাপক জনবিরোধিতার সম্মুখীন হন। জাভেদ এর আগে হানি ইরানির সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন। তবে, শাবানা হানির প্রশংসা করেন যে তিনি সেই সময়ে পরিস্থিতিটি কতটা ভালোভাবে সামলেছিলেন, কারণ বিষয়টি তার জন্য সহজ ছিল না।
জাভেদের প্রথম স্ত্রী হানির প্রশংসা করে শাবানা হানি সম্পর্কে বলেন, ‘হানি আমার কাছে পরিবারের একজন সদস্যের মতো। আমাদের সম্পর্ক খুবই ভালো। সে কখনো বাচ্চাদের আমার বিরুদ্ধে উস্কে দেয়নি। সে কখনো তাদের জাভেদের বিরুদ্ধেও উস্কে দেয়নি। সে খুবই বিচক্ষণ একজন মানুষ। আমি তাকে অনেক সম্মান করি।’
উল্লেখ্য যে, জাভেদ হানির সঙ্গে বিবাহিত ছিলেন। ১৯৮৪ সালে জাভেদ হানিকে তালাক দিয়ে শাবানাকে বিয়ে করেন। হানি ও জাভেদের দুই সন্তান—চলচ্চিত্র নির্মাতা জোয়া আখতার ও ফারহান আখতার। ফারহান ও জোয়ার সঙ্গে শাবানার একটি দৃঢ় বন্ধন রয়েছে। তারা তিনজন প্রতিটি অনুষ্ঠান বা আয়োজন একসঙ্গে উদযাপন করেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


