শাহরুখের মা ফাতিমার সঙ্গে ছিল ইন্দিরা গান্ধীর ঘনিষ্ঠতা, অক্সফোর্ডে পড়াশোনা, প্রথম বাগদান এই ভারতীয় ক্রিকেটারের সঙ্গে
শাহরুখ খান একটি সমৃদ্ধ ও শিক্ষিত পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। তাঁর মা লতিফ ফাতিমা খান ছিলেন তাঁর সময়ের অত্যন্ত শিক্ষিত ও প্রভাবশালী একজন নারী।
বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খান আজ বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি অনুরাগীর হৃদয়ে রাজত্ব করেন। দীর্ঘ অভিনয় জীবনে একের পর এক ব্লকবাস্টার ছবি উপহার দেওয়ার পাশাপাশি অসংখ্য পুরস্কারও জিতেছেন তিনি। তবে তাঁর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে একটি প্রচলিত ধারণা হল, তিনি নাকি অত্যন্ত দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। যদিও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, শাহরুখ আসলে একটি শিক্ষিত ও সচ্ছল পরিবারে জন্মেছিলেন।

শাহরুখের মা লতিফ ফাতিমা খান ছিলেন তাঁর সময়ের অত্যন্ত শিক্ষিত ও প্রভাবশালী একজন নারী। জানা যায়, তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছিলেন এবং ইংল্যান্ডে র্যাঙ্ক-হোল্ডার ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। পাশাপাশি ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলে বিভিন্ন সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, লতিফ ফাতিমা খানের সঙ্গে শাহরুখের বাবা তাজ মোহাম্মদের বয়সের পার্থক্য ছিল ১১ বছর। ১৯৫৯ সালে তাঁদের বিয়ে হয়। লতিফের বাড়ি ছিল হায়দরাবাদে। বিয়ের পর প্রথমে তাঁদের কন্যাসন্তানের জন্ম হয় এবং ১৯৬৫ সালে জন্ম নেন শাহরুখ খান।
আরও জানা যায়, তাজ মোহাম্মদের সঙ্গে বিয়ের আগে লতিফ ফাতিমার বাগদান হয়েছিল প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার আব্বাস আলি বেগের সঙ্গে। তবে সেই সম্পর্ক শেষ পর্যন্ত বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়নি। পরবর্তীতে তাজ মোহাম্মদের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়।
প্রসঙ্গত, আব্বাস আলি বেগ ১৯৫৯ থেকে ১৯৬৭ সালের মধ্যে ভারতের হয়ে ১০টি টেস্ট ম্যাচ খেলেছিলেন। ১৯৫৯ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিষেক টেস্টেই শতরান করে তিনি আলোচনায় আসেন এবং ভারতীয় ক্রিকেটে নিজের আলাদা পরিচিতি গড়ে তোলেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


