‘রানি এলিজাবেথকে খুশি করতে জন গণ মন লেখা হয়েছিল’, বন্দে মাতরমকে জাতীয় সঙ্গীত করার দাবি শক্তিমান মুকেশ খান্নার
বি আর চোপড়ার 'মহাভারত'-এ পিতামাহ ভীষ্মের চরিত্রে অভিনয় করা মুকেশ খান্না ‘জন-গণ-মন’ বাদ দিয়ে বন্দে মাতরমকে জাতীয় সঙ্গীত করার দাবি জানিয়েছেন।
‘শক্তিমান’-খ্যাত অভিনেতা মুকেশ খান্না আরও একটি চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেছেন। এবার তিনি ভারতের জাতীয় সঙ্গীতে পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়েছেন। ভারতের স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গকারী ভারতীয় বিপ্লবীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে 'আও বচ্চোঁ' নামে একটি নতুন গান প্রকাশ করেছেন। গানটির প্রচারকালে মুকেশ জোর দিয়ে বলেন যে দেশের সঙ্গীত জগৎ থেকে 'জন গণ মন' গানটি সরিয়ে দেওয়া উচিত এবং 'বন্দে মাতরম'-কে জাতীয় সঙ্গীত করা উচিত। এছাড়াও, তিনি দাবি করেন যে 'জন-গণ-মন' গানটি রানি এলিজাবেথকে শ্রদ্ধা জানাতে লেখা হয়েছিল।

‘বন্দে মাতরমকে জাতীয় সঙ্গীত করা উচিত’
ডিএনএ-র একটি প্রতিবেদন অনুসারে, মুকেশ আইএএনএস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, 'আমি তিন বছর আগেই বলেছিলাম যে 'বন্দে মাতরম'-কে জাতীয় সঙ্গীত করা উচিত। 'জন গণ মন' আমাদের দেশের জাতীয় সঙ্গীত নয়। এটি রানি এলিজাবেথের প্রতি একটি শ্রদ্ধাঞ্জলি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর প্রশংসায় একটি গান লিখেছিলেন। আমরা সেটি গ্রহণ করেছি। ভাগ্যবিধাতা, পাঞ্জাব, সিং... এগুলো আমাদের নয়।'
বন্দে মাতরম আমাদের: মুকেশ খান্না
তিনি আরও বলেন, 'বন্দে মাতরম আমাদের। লতাজি এটি খুব সুন্দরভাবে গেয়েছেন। কল্যাণজি আনন্দজি ভাইয়ের সঙ্গে আমার একটি বৈঠক হয়েছিল। আমি সাত মিনিটের একটি বন্দে মাতরম গান রেকর্ড করেছি, যা একটি আইকনিক গান হয়ে ওঠা উচিত।'
জন গণ মন দূর করুন: মুকেশ খান্না
মুকেশ খান্না আরও বলেন, 'আমি চাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব আমাদের দেশ থেকে জন-গণ-মন দূর করা হোক এবং বন্দে মাতরম চালু করা হোক। নরেন্দ্র মোদীজি (প্রধানমন্ত্রী) এই দিকে কাজ শুরু করেছেন। এখন এটি প্রতিটি স্কুলে, প্রতিটি অনুষ্ঠানে বাধ্যতামূলক হয়ে গিয়েছে। প্রথমে বন্দে মাতরম গাওয়া হবে। বিশেষ ব্যাপার হল, পুরো গানটিই গাওয়া হবে। আগে এর কিছু অংশ মাঝখান থেকে বাদ দেওয়া হতো, তাই আমি খুশি যে বন্দে মাতরম একটি নতুন গতি পাচ্ছে। আমার গানটি ছয় মাস আগে মুক্তি পেয়েছিল।'
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


