Sharbori Mukherjee: ভোটে জেতার পর থেকে আর লাল সিঁদুর পরেন না! BJP বিধায়ক শর্বরীর ‘গোলাপি সিঁদুর’ রহস্যভেদ অবশেষে
মা বৈষ্ণদেবীর আর্শীবাদে সিঁথি রাঙিয়েছেন শর্বরী। তাই ট্রাডিশন্যাল লাল নয়, তাঁর দেখা মেলেছে গোলাপি সিঁদুরে। কিন্তু কেন?
৪ঠা মে বাংলায় বিরাট পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। ১৫ বছরের তৃণমূল সরকারকে সরিয়ে প্রথমবার বাংলার সমনদে জাগয়া করে নেন ভারতীয় জনতা পার্টি। আর যোগ্য সৈনিকের মতো এই লড়াইয়ে সামিল হয়েছিলেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়। ভোটপর্ব মিটেছে, এখন তিনি যাদবপুরের বিধায়ক। কাঁধে অজস্র গুরু দায়িত্ব।

কপালে রানি-গোলাপি রঙের বিশেষ সিঁদুর— অভিনেত্রী ও রাজনীতিবিদ শর্বরী মুখোপাধ্যায়ের (Sharbori Mukherjee) এই লুকে অনেকেই অভ্যস্ত। অনেকেই মনে করেন, এটি হয়তো তাঁর নিজস্ব ফ্যাশন স্টেটমেন্ট বা স্টাইলেরই এক অংশ। তবে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে নিজের এই অনন্য লুকে পরার নেপথ্যের আসল কারণ ফাঁস করলেন শর্বরী নিজেই। তিনি স্পষ্ট জানালেন, এটি কোনো স্টাইল বা ফ্যাশনের জন্য নয়, বরং এর পেছনে রয়েছে এক গভীর ভক্তি ও বিশ্বাস।
আম অর্পিতাকে শর্বরী জানান, বৈষ্ণোদেবীতে তাঁর একটি বিশেষ মানত ছিল। মানত পূরণের পর তাঁর এক আত্মীয় বৈষ্ণোদেবী থেকে মা-র পূজো দিয়ে এই বিশেষ সিঁদুরটি তাঁকে উপহার পাঠান এবং তা পরার অনুরোধ জানান। কারণ এটি ছিল মা বৈষ্ণোদেবীর চরণের সিঁদুর।
নির্বাচনের ফলের পর থেকে নিয়মিত ব্যবহার:কখন থেকে পরা শুরু: নির্বাচনী ফলাফলের (Election Results) পর থেকেই তিনি নিয়মিত এই গোলাপি-রানি রঙের সিঁদুরটি কপালে পরা শুরু করেন। মানসিক শক্তি প্রাপ্তি: সাধারণ লাল সিঁদুরের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন, রানি কালার ঘেঁষা এই সিঁদুর তাঁকে অসীম মানসিক শক্তি দেয় বলে জানান তিনি। শর্বরী বলেন, ‘এটি মায়ের আশীর্বাদ। এটি পরলে আমি শক্তি পাই। শক্তিময়ী মা আমাকে শক্তি দেন’।
স্টাইলের মোড়কে থাকা এই অনন্য সিঁদুরের পেছনে এমন এক আধ্যাত্মিক এবং বিশ্বাসের গল্প লুকিয়ে রয়েছে, যা জেনে অনুরাগী মহল ও নেটিজেনরা তাঁর এই ভক্তির প্রশংসাই করছেন।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


