Shekhar Suman: 'ও নাতি হয়ে ফিরে আসবে…', এখনও ছেলের জন্য অপেক্ষায় শেখর সুমন?

Shekhar Suman: শেখর সুমন প্রতিদিন তাঁর ১১ বছর বয়সী পুত্র আয়ুষকে হারিয়ে ভীষণ কষ্টে আছেন। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, অনেকেই তাঁকে বলেছেন যে আয়ুষ ফিরে আসবে। শেখর বিশ্বাস করেন যে তাঁর পুত্র আবার দাদার রূপে জন্ম নেবে।

Published on: Jun 19, 2026, 14:04:02 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

Shekhar Suman: শেখর সুমন তাঁর প্রথম পুত্র আয়ুষকে হারানোর কষ্টের কথা অনেকবার ভাগ করেছেন। তিনি এবং তাঁর স্ত্রী এখনও সেই দুঃখ থেকে মুক্তি পাননি। শেখর সুমন আশাবাদী যে আয়ুষ তাঁর অন্য ছেলে অধ্যয়নের পুত্র রূপে ফিরে আসবে। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারের সময় তিনি তাঁর পুত্রকে স্মরণ করে বলেন যে তিনি তাঁর মৃত পুত্রের সঙ্গে কথা বলেন। এছাড়াও তিনি জানান যে অনেক জ্যোতিষী এই কথা বলেছে যে আয়ুষ ফিরে আসবে।

এখনও ছেলের জন্য অপেক্ষায় শেখর সুমন?
এখনও ছেলের জন্য অপেক্ষায় শেখর সুমন?

শেখর স্মরণ করেন কীভাবে তিনি আয়ুষের অসুস্থতার খবরটি পেলেন। শেখর সুমনের বাবা ডাক্তার ছিলেন। তখন তাঁর বাবার মনে হয়েছিল যে আয়ুষের কিছু সমস্যা রয়েছে। শেখর সুমন উল্লেখ করেন, ‘ও খেলছিল। আমার কোলে এসে বসেছিল। আমার বাবা ওর পেট দেখছিলেন। ডাক্তার বলে সেই অভ্যাস হয়তো। বাবা আমায় বললেন, ’শেখর ওর লিভার একটু বড় মনে হচ্ছে, তাই যখন মুম্বই যাবে তখন চেক করে নেবে। এমন হওয়া উচিত নয় কিছুই কিন্তু তাও এটার দিকে খেয়াল রেখো।'

শেখর আরও বলেন, 'এরপর আমরা চিকিৎসা শুরু করি। যা কিছু টেস্ট সব করতে শুরু করি। করতে করতে আমরা জানলাম যে এটি হার্টের সমস্যা এবং আমরা একদম ভেঙে পড়লাম। জানা গেল, ওর হার্টে ফাইব্রোসিস ছিল যা কোটি কোটি মানুষের মধ্যে একটা হয়। এটা এন্ডোমায়োকার্ডিও ফাইব্রোলিস্টোসিস। নাম শুনেই আমি ভয় পেয়ে যাই। যখন আমি বাবাকে প্রথমবার ফোনে এই কথা বললাম তখন উনি একটাও কথা বলেন না।

আমি জিজ্ঞেস করলাম, কি হয়েছে? বলছো না কেন, কি হয়েছে? তিনি চুপ রইলেন এবং বললেন, হে ভগবান। আমি বুঝতে পারলাম যে কিছু খুব গুরুতর রোগ। পরে বললাম, আপনি কি বলবেন? তিনি বললেন, এটি ভালো রোগ নয়। আমি বুঝতে পারলাম। আমি আমার বাবাকে খুব ভালো করে জানি, যখন তিনি বললেন, ভালো রোগ নয়। আমি বুঝতে পারলাম কি হতে চলেছে। আমরা সম্ভবত এর জন্য প্রস্তুত ছিলাম না।'

শেখর আরও বলেন, ‘সেই সময় সম্পর্কে কথা বলতে চাই না। আমি অনেকবার সেই দুঃখের মধ্যে গিয়েছি। আমি এবং অলকা এ থেকে মুক্তি পাইনি। আমরা প্রতিদিন ওর সম্পর্কে কথা বলি। ওর সঙ্গে কথা বলি। ওর ছবির সঙ্গে কথা বলি। ওকে স্মরণ করি কিন্তু এটি খুব দুঃখজনক। আমার মনে হয় ও আমার ছেলের সন্তানের রূপে ফিরে আসবে।’

শেখর বলেন, ‘আমি খালি মনে হয়, আমি ওকে দেখতে পাচ্ছি, ওর সঙ্গে কথা বলতে পারছি, আমি দেখতে পাচ্ছি, ও শারীরিক অস্তিত্বে নেই কিন্তু আমি ওর আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি।’