‘পুজোয় আমিষের থেকে নিরামিষ বেশি ভালো…’, মন্তব্য শিবপ্রসাদের! ‘বিজেপির পোস্টার বয় হওয়ার চেষ্টা’, হলেন ট্রোল
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জানান যে, পুজোয় আমিষের থেকে নিরামিষ খাবারই তাঁর বেশি পছন্দ। কারণ তার ফলে অনেকবেশি পদ খাওয়া যায়। আর সেই ভিডিয়ো সামনে আসতেই ‘বিজেপির পোস্টার বয়’ বলে কটাক্ষ নেটপাড়ার।
পুজোতে যে চারটে সিনেমা বাংলার বক্স অফিসে একে-অপরকে কড়া টক্কর দিচ্ছে, তার মধ্যে অন্যতম হল ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’। যে সিনেমা শুধুমাত্র পরিচালনাই করেননি শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, তাতে অভিনয়ও করেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান যে, পুজোয় আমিষের থেকে নিরামিষ খাবারই তাঁর বেশি পছন্দ। কারণ তার ফলে অনেকবেশি পদ খাওয়া যায়। আর সেই ভিডিয়ো সামনে আসতেই ‘বিজেপির পোস্টার বয়’ বলে কটাক্ষ নেটপাড়ার।

পুজোর খাওয়া-দাওয়া নিয়ে কথা প্রসঙ্গে শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় এফএম গোল্ডকে জানান, ‘অষ্টমীতে খিচুড়ি তো হতেই হবে। লাবড়া, আলুর দম, বেগুনি থাকবে। চাটনি হতে হবে, তার সঙ্গে পায়েস। চারদিন চার ধরনের পায়েস হলে সবচেয়ে ভালো হয়। ষষ্ঠীতে সুজির পায়েস, অষ্টমীতে চালের পায়েস, অষ্টমীর দিন লুচির পায়েস আর নবমীতে বোদে বা মিহিদানার পায়েস। সিমুইয়ের পায়েস হলেও চলবে।’
পুজোর পছন্দের খাবারের কথা বলতে গিয়ে শিবপ্রসাদ জানান, ‘লুচি বা রাধাবল্লভি থাকবে। আলুর দম, ধোকার ডালনা। লোকেরা পুজোতে আমিষ খেতে ভালোবাসে। আমার নিরামিষ খেতে বেশি ভালো লাগে। কারণ অনেক বেশি পদ হয়। আমিষ হলে তো পাঁঠার মাংস, দই মাছ এসব থাকে। তবে আমি নিরামিষ বেশি পছন্দ করি। লুচি, বাঁধাকপির তরকারি আর চাটনি হলে আর কিছু চাই না। আর ধোকার ডালনা হলে তো দুর্দান্ত। বলতে বলতেই আমার জিভে জল এসে যাচ্ছে।’
এদিকে, দেখা গেল শিবপ্রসাদের এই ভিডিয়োতে রীতিমতো ট্রোলের বন্যা। অনেকেরই কটাক্ষ বাংলার বর্তমান শাসক দল বিজেপি-র মন পেতে এসব কথা বলেছেন তিনি। একজন মন্তব্য করেন, ‘বিজেপির পোস্টারবয় হওয়ার চেষ্টা’। আরেকজন মন্তব্য করেন, ‘হা হা হা! আপনি অনেক উন্নতি করবেন কারণ যেভাবে চাটা শুরু করেছেন তাতে এটা ছাড়া আর কিছুই বলতে ইচ্ছা করল না। তবে মনে রাখবেন আপনার উন্নতি শুধুমাত্র চাটার মধ্যেই শেষ নয় কারণ আপনার ছবি দেখবে সাধারণ জনগণ। তারা কি এরপরেও আপনার সঠিক মূল্যায়ন করবে?’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


