Jeetu-Shirin: ‘মনে হচ্ছে এক দৌড়ে…’! জীতুর অ্যাওয়ার্ড গেল শিরিনের ঘরে, আহ্লাদে আটখানা ‘চিরদিনই’-র নতুন অপর্ণা
জীতুর পোস্ট থেকে দেখা গেল যে, ফুলের তোড়া আর নিজের পাওয়া অ্যাওয়ার্ড তুলে দিচ্ছেন তিনি শিরিনের হাতে। আর নায়কের থেকে এই উপহার পেয়ে, আহ্লাদে আটখানা নতুন অপর্ণা। কী লিখলেন সোশ্যাল মিডিয়াতে?
সম্প্রতি কলকাতার এক মিডিয়ার তরফে দর্শকদের পছন্দে ‘সেরা নায়ক’-এর সম্মান পেয়েছেন অভিনেতা জীতু কমল। আর মঞ্চে দাঁড়িয়েই নিজের সেই অ্য়াওয়ার্ড তিনি ঘোষণা করেন যে, চিরদিনই তুমি যে আমার-এর নতুন অপর্ণা শিরিন পালের হাতে তুলে দেবেন এটিকে। এবার মঙ্গলবার সেই ছবিই এল অভিনেতার সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে। দেখা গেল ফুলের তোড়া আর অ্যাওয়ার্ড তুলে দিচ্ছেন তিনি শিরিনের হাতে। সঙ্গে ক্য়াপশন দিয়েছেন, ‘এইরকম প্রচুর অ্যাওয়ার্ড এমনি ও নিজগুণে অর্জন করবেই। কঠিন সময়ে আমাদের ইউনিটের পাশে থাকার জন্যে অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ।’

দেখা গেল জীতুর সেই পোস্টটি আবার নিজের পেজে শেয়ার করে নিলেন শিরিন। লিখলেন, ‘নতুন পথে হাঁটা শুরু করলাম এই সেদিন, হঠাৎ মনে হচ্ছে এক দৌড়ে অনেকটা পথ এগিয়ে গিয়েছি। হয়তো এমন ধারনা ভুল। হয়তো না একেবারেই ভুল, আলবাত ভুল। কিন্ত এমন ভাবতে ভালো লাগছে।’
সঙ্গে জীতুর প্রশংসায় শিরিন জুড়েছেন, ‘জীতুদার মতো কয়েকজন পিঠ চাপড়ে যাচ্ছে তাই জেগে জেগেও স্বপ্ন দেখতে পারছি, বিশ্বাস করতে পারছি এই চলার পথে একদিন সত্যিই অনেকটা দূর এগিয়ে যাব।’
জীতু রবিবার ওই অ্যাওয়ার্ড শো-র মঞ্চে দাঁড়িয়েই বলেছিলেন, ‘প্রতিদিন আমরা একটা যুদ্ধের মধ্য়ে দিয়ে যাই। এখন আমার সেই যুদ্ধের সঙ্গী এক নবাগতা। আমাদের ইন্ডাস্ট্রির নবাগতা, শিরিন পাল। টিভি নাইন-কে বলব আমি এত বছর ধরে অনেক অ্য়াওয়ার্ড পাচ্ছি, ফিল্মফেয়ার পেয়েছি। এই অ্যাওয়ার্ডটা আমি আমার তরফ থেকে ওকে দিচ্ছি। ও ফ্লোরে দাঁড়িয়ে যে লড়াইটা লড়ছে সেটা অভাবনীয়, অতুলনীয়। শুধুমাত্র আজ ওর জন্য এই অ্য়াওয়ার্ডটা হাতে তুলে নিলাম। আমার মা-ও বলত, এই অ্যাওয়ার্ডটা তুমি ওর হাতে তুলে দাও কারণ ও তোমার যুদ্ধের সঙ্গী এখন।’
চিরদিনই তুমি যে আমার-এর সেটে হওয়া অশান্তি কারওরই আর অজানা নয়। নায়ক-নায়িকার মধ্যে ঝামেলা এমন পর্যায়ে যায় যে, শেষ পর্যন্ত কাজ ছেড়ে দেন দিতিপ্রিয়া। এনওসি দিয়ে বেরিয়ে যান ধারাবাহিক থেকে। তবে একাধিকবার নায়কের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে কারও নাম না করেই কটাক্ষ ভেসে এসেছে, তা সে দিতিপ্রিয়া ছাড়ার পর টিআরপি তালিকা আসার পরের পোস্ট- ‘এই পৃথিবীতে কেউই অপরিহার্য নয়’ হোক বা অন্য কিছু। অন্তত দিতিপ্রিয়ার ভক্তদের দাবি তেমনটাই। আর এবার নিজের অ্য়াওয়ার্ড শিরিনের হাতে তুলে দেওয়া কটাক্ষে সেরকমই কোনো ‘অভিসন্ধি’ লুকিয়ে নেই তো?
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


