জন্মদিনে নিজেকে দু' লাখি আইফোন উপহার শ্রুতির! ভিডিয়ো দিয়ে লিখলেন, ‘এটাকে শো-অফ ভাববেন না, ছোট থেকেই ভেবেছিলাম…’
জন্মদিনে নিজেকে আইফোন উপহার দিলেন শ্রুতি। আর সেই ভিডিয়ো পোস্ট করে ইমোশনাল হয়ে পড়লেন জোয়ার ভাঁটার ‘নিশা’। লিখলেন, ছোটবেলাথেকেই মা-বাবাকে তিনি বলতেন নিজের সব শখ, নিজের উপার্জিত অর্থে পূরণ করবেন। আর সেটাই করে চলেছেন।
নিজের ৩০ বছরের জন্মদিনে নিজেকে অ্য়াপেলের লেটেস্ট আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স উপহার দিলেন অভিনেত্রী শ্রুতি দাস। আর সেই ভিডিয়ো শেয়ার করে আবেগে ভাসতে দেখা গেল তাঁকে। জানালেন, ছোট থেকেই নিজের টাকায় নিজের স্বপ্নপূরণ করার ইচ্ছে রাখতেন। আর আজ নিজেকে সেই যোগ্যতায় নিয়ে যেতে পেরে তিনি নিজেকে নিয়ে কতটা গর্বিত।

লাইম ইয়লো রঙের লং গাউন পরে ফোনের দোকানে পৌঁছেছিলেন শ্রুতি। বার্গেন্ডি রঙের আইফোনটি আনবক্স করার ভিডিয়ো দিয়েছেন। কেকও কেটেছেন স্টোরে বসে। এরপর ক্যাপশনে লেখেন, ‘ছোটবেলা থেকেই বাবা-মাকে বলতাম যে আমি নিজের পায়ে দাঁড়াব। নিজের উপার্জিত অর্থেই বিয়ে করব। আমি নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টাও করেছি। নিজের খরচেই বিয়ে (আইনি বিয়ে) করেছি এবং আবারও তা করব। আমার প্রয়োজন, বিলাসিতা, আকাঙ্ক্ষা কিংবা স্বপ্ন— সবই আমি নিজে পূরণ করতে পারি, বাবা-মায়ের দেখানো পথ অনুসরণ করেই আমি তা করছি। এখনও আমি বাবা-মায়ের সঙ্গেই থাকি। যদি আলাদা থাকতাম, তবে হয়তো জীবনের এই বিশেষ মুহূর্তগুলো একা উদযাপন করতে পারতাম না। ২০১৯ সাল থেকে বাবা-মায়ের পাশাপাশি নিজের ইচ্ছাগুলোও আমি নিজেই পূরণ করে আসছি। আমার ৩০তম জন্মদিনে নিজেকে দেওয়া এই উপহারটি তারই একটি উদাহরণ।’
সঙ্গে শ্রুতির অনুরোধ, তাঁর এই আইফোন কেনাটিকে যেন ‘শে-অফ’ হিসেবে না দেখা হয়। লেখেন, ‘আমি কি প্রতি বছর নতুন কোনো মোবাইল কিনতে পারি না? কিন্তু আমি প্রতি বছর ফোন বদলাই না। আমি একটি ফোনই বেশ কয়েক বছর ধরে ব্যবহার করি। আসলে এই বছরটা একটু বিশেষ—আমার বয়স ৩০ হল, তাই নিজের একটি ইচ্ছা পূরণের বিষয়টি সবার সঙ্গে ভাগ করে নিলাম। দয়া করে এটাকে লোক দেখানো বা 'শো-অফ' হিসেবে দেখবেন না। আমাকে এমন সুন্দর একটি জীবন উপহার দেওয়ার জন্য বাবা-মাকে ধন্যবাদ।’
নিজের টাকায় আইনি বিয়েই নয়, নিজের জন্য বাড়িও কিনেছেন শ্রুতি। অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন একটি বহুতলের দুটি তলায় দুটি ফ্ল্যাট কিনেছেন। একটিতে থাকবেন তাঁর বাবা-মা। আরেকটি তিনি ও স্বর্ণেন্দু। বাবা-মায়ের ফ্ল্যাটটি তিনি নিজেই কিনেছেন। অন্যদিকে স্বর্ণেন্দুর সঙ্গে থাকার জন্য কেনা ফ্ল্যাটটি দুজনেই বিনিয়োগ করেছেন। ত্রিনয়নী ধারাবাহিক দিয়ে দর্শক মনে জায়গা করে নেওয়া শুরু। আপাতত তাঁকে দেখা যাচ্ছে জি বাংলার জোয়ার ভাঁটা ধারাবাহিকে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


