'একটাই আফসোস আমার...', মাঝপথে কেন পড়াশোনা ছাড়তে বাধ্য হন শ্রুতি?

ইতিবাচক বা নেতিবাচক যেমন চরিত্রেই হোক না কেন শ্রুতি দাস যে একজন অনবদ্য অভিনেত্রীর নামটা বারবার তিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন। ত্রিনয়নী ধারাবাহিকের হাত ধরে অভিনয় যাত্রা শুরু করেন তিনি। তবে খুব তাড়াতাড়ি টেলিভিশনের গণ্ডি ছাড়িয়ে ওয়েব সিরিজ এবং সিনেমার জগতে পা রাখেন শ্রুতি।

Published on: Apr 1, 2026, 20:38:18 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ইতিবাচক বা নেতিবাচক যেমন চরিত্রেই হোক না কেন শ্রুতি দাস যে একজন অনবদ্য অভিনেত্রীর নামটা বারবার তিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন। ‘ত্রিনয়নী’ ধারাবাহিকের হাত ধরে অভিনয় যাত্রা শুরু করেন তিনি। তবে খুব তাড়াতাড়ি টেলিভিশনের গণ্ডি ছাড়িয়ে ওয়েব সিরিজ এবং সিনেমার জগতে পা রাখেন শ্রুতি।

মাঝপথে কেন পড়াশোনা ছাড়তে বাধ্য হন শ্রুতি?
মাঝপথে কেন পড়াশোনা ছাড়তে বাধ্য হন শ্রুতি?

‘ডাইনি’ ওয়েব সিরিজে খুব কম সময়ের জন্য শ্রুতির উপস্থিতি থাকলেও তিনি যে চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তা রীতিমতো সকলকে চমকে দিয়েছিল। এরপর উইন্ডোজ প্রোডাকশনের অধীনে আমার বস ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। এসবের পর গত বছর তিনি ফিরে আসেন আবার ধারাবাহিকের জগতে।

আরও পড়ুন: আর বলা হবে না সহজ কথা! রাহুল বেঁচে থাকলে কে হতেন আগামী পর্বের অতিথি?

জি বাংলার ‘জোয়ার ভাটা’ ধাবাবাহিকে আরাত্রিকা মাইতির সঙ্গে জুটি বেঁধে আবার নিজের পুরনো জীবন নতুনভাবে শুরু করেন শ্রুতি। তবে প্রথম থেকেই এই ধারাবাহিকে যেভাবে তিনি জনপ্রিয়তা পেয়েছেন, সেটা হয়তো তিনি নিজেও আশা করতে পারেননি। নেতিবাচক না হলেও শ্রুতির চরিত্রের মধ্যে রয়েছে অনেকগুলি শেড, যা তার চরিত্রকে আরও বেশি অনন্য করে তোলে।

কিন্তু এ তো গেল প্রাপ্তির কথা। এতকিছুর পরেও শ্রুতির মনে রয়ে গিয়েছে একটা বড় আফসোস। সম্প্রতি দ্য ওয়ালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, তিনি মাঝপথেই পড়াশোনা থামিয়ে দিয়েছিলেন ধারাবাহিকের অভিনয় করবেন বলে। ত্রিনয়নী ধারাবাহিকের অফার যখন তার কাছে আসে, তখন তিনি থার্ড ইয়ারে পড়ছিলেন।

আরও পড়ুন: 'আশা ছিল তুমি কখনও আমাকে ডাকবে...', রাহুলের মৃত্যুতে কোন ইচ্ছা অপূর্ণ থেকে গেল অপর্ণা সেনের?

অভিনেত্রী বলেন, ‘আমাকে সেই সময় হয় অভিনয় না হলে পড়াশোনা যে কোনও একটিকে বেছে নিতে হত। আমি তখন ভেবেছিলাম যে, আমি অভিনয়কেই বেছে নেব পড়াশুনাটা পরে করে নেব। কিন্তু আমার একটাই আফসোস রয়ে গিয়েছে, ইংলিশ অনার্স নিয়ে পড়াশোনা করেছিলাম যদি পরীক্ষাটা দিয়ে দিতাম তাহলে একটা ডিগ্রী আমার কাছে থাকত।’

শ্রুতি বলেন, ‘যেহেতু আমি কলেজ কমপ্লিট করিনি তাই আমার নিজেকে এখন উচ্চমাধ্যমিক পাশ বলতে হয়। যদি কোনওভাবে পরীক্ষাটা দিতাম তাহলে সেটা হত না। তবে লিটারেচার আমি পড়তে ভালোবাসি, পড়ি। কিন্তু পরীক্ষার জন্যে আর প্রিপেশন করা হয়নি।’