পাতে ফিশ ফ্রাই-চিংড়ি-মটন, শ্রুতিকে আইবুড়ো ভাত খাওয়াল জোয়ার ভাঁটা টিম! শুধু ছিলেন না আরাত্রিকা, বিয়ে কবে?
২০২৩ সালের ৯ জুলাই আইনি বিয়ে করেন তাঁরা। সবটাই হয়েছিল গোপনে। রেজিস্ট্রির পর অবশ্য মালাবদল আর প্রেমিকার সিঁথি সিঁদুরে রাঙিয়ে দিয়েছিলেন স্বর্ণেন্দু। আর প্রায় সাড়ে তিন বছর পরে সামাজিক বিয়ের পথে।
কদিন আগেই ‘গল্পের নতুন মোড়…’-এর ঘোষণা করেছিলেন শ্রুতি দাস ও স্বর্ণেন্দু সমাদ্দার। সমুদ্রপাড়ের ছবি শেয়ার করেছিলেন, যা দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল প্রি ওয়েডিংয়ের ছবি। ২০২৩ সালের ৯ জুলাই আইনি বিয়ে করেন তাঁরা। সবটাই হয়েছিল গোপনে। রেজিস্ট্রির পর অবশ্য মালাবদল আর প্রেমিকার সিঁথি সিঁদুরে রাঙিয়ে দিয়েছিলেন স্বর্ণেন্দু। আর প্রায় সাড়ে তিন বছর পরে সামাজিক বিয়ের পথে।

বিয়ে হবে, আর কনেকে ঘটা করে আইবুড়ো ভাত খাওয়ানো হবে না, তা কী হয়! আর শ্রুতিকে পাত পেড়ে খাওয়াল তাঁর জোয়ার ভাঁটা টিম। দেখা গেল মির্জা, অভিষেক বীর শর্মা ও রোনককে। যদিও এই আয়োজনে কোথাও ছিলেন না আরাত্রিকা।
শ্রুতির সামনে সাজিয়ে রাখা নানান পদ। ভাত, নানান রকম ভাজা, ফিশ ফ্রাই, ছানার কোফতা, ডাল, কাতলা মাছ, চিংড়ি, চিকেন, মটন, স্যালাড, দই, মিষ্টি, চাটনি, পায়েস-- কতই না আয়োজন। আর সেই ছবিগুলি শেয়ার করে শ্রুতি লিখলেন, ‘শুভ শুভ! প্রথম খাতা খুললাম কাছের বন্ধুদের সান্যিধ্যে’। যদিও বিয়ের শুভদিন কবে তা এখনো গোপনই রেখেছেন অভিনেত্রী।
একসময় বয়সের ফারাক নিয়ে ক্রমাগত কটাক্ষের মুখে পড়তে হয়েছিল শ্রুত দাস ও স্বর্ণেন্দু সমাদ্দারকে। এমনকী, সেই সময় অনেকেই কটাক্ষ করে বলেছিলেন যে, ‘কাজ পাওয়ার জন্য’ সম্পর্কে গিয়েছেন ‘বুড়ো’র সঙ্গে। তবে নিন্দুকদের বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বছর তিনেক আগেই তাঁরা পেতেছেন সংসার। তবে এবার সামাজিকভাবে চারহাত এক হওয়ার পালা। অগ্নিসাক্ষী রেখে বিয়ে করার।
এর আগে শেয়ার করা প্রি ওয়েডিংয়ের ছবিতে সমুদ্রপাড়ে দেখা গিয়েছিল তাঁদেরকে। লাল শাড়ি সঙ্গে সাদা ব্লাউজ। আর স্বর্ণেন্দু সাদা রঙের পাজামা-পঞ্জাবি। চুলে খোঁপা বেঁধেছেন নায়কা, কানে সিলভার রঙের ঝুমকো। কপালে বড় টিপ। শ্রুতির ব্লাউজের পিঠে এক কনে বউয়ের মুখ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সুতোর বুননে। শাড়িতে আবার কনের টোপর। প্রায় প্রতিটা ছবিতেই বউয়ের দিকে মুগ্ধচোখে তাকিয়ে স্বর্ণেন্দু।
একটি ছবির উপর লেখা ছিল, ‘দুটি মন, দুটি পথ, আজ এসে মিলেছে এক সুরে। চোখের ভাষায় লেখা থাকুক, ভালোবাসার হাজার কথা। তোমার হাত ধরে পথ চলার এই তো প্রথম অধ্যায়। বাকি গল্পটা লেখা হবে একসাথে, সারাজীবন ধরে।’ আর যে ছবির উপর এই লেখাটি রয়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছিল সমুদ্রতটে দুটি কলা বউ। স্বর্ণেন্দুর গায়ে হেলান দিয়েছেন শ্রুতি।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


