রণজয়ের সঙ্গে ডিভোর্সের খবর সামনে আসার পর, প্রথমবার বিয়ে নিয়ে পোস্ট শ্যামৌপ্তির! কী লিখলেন?
ডিভোর্স-চর্চায় একাধিকবার কথা বলেছেন রণজয়। তবে শ্য়ামৌপ্তি একদম চুপ ছিলেন এতদিন। তবে এবার তাঁর ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ‘সুখী দাম্পত্য’-এর চাবিকাঠির কথা। স্বামীর দিকেই কি করলেন ইঙ্গিত?
রণজয় বিষ্ণু আর শ্যামৌপ্তি মুদলির ডিভোর্সের খবর ঘিরে বিগত কয়েকদিনে হয়েছে নানা জল্পনা-কল্পনা। বিশেষ করে বিয়ের মাত্র ৫ মাসে এমন খবর আসায় রীতিমতো হকচিকে যায় সকলে। ডিভোর্স-চর্চায় একাধিকবার কথা বলেছেন রণজয়। তবে শ্য়ামৌপ্তি একদম চুপ। বরং ব্যক্তিগত কোনো পোস্টই আসেনি তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায়। শুধু কাজের খবর।

তবে এবার বিয়ে নিয়ে একটি বিশেষ স্টোরি শেয়ার করলেন শ্য়ামৌপ্তি। যা বলিউডের পাওয়ার কাপল কাপল হিসেবে পরিচিত রীতেশ দেশমুখ ও জেনেলিয়া ডিসুজার ভিডিয়ো। আর সেই ভিডিয়োর উপর ক্যাপশনে লেখা, ‘প্যায়ার কো আদত বন জানে দো, লেকিন আদত বন নে কে বাদ উসমে প্যায়ার কম নেহি হোনা চাহিয়ে…’! যার বাংলা করলে দাঁড়ায়, ‘ভালোবাসাকে অভ্যাসে পরিণত করুন। শুধু খেয়াল রাখবেন অভ্য়াসে পরিণত হওয়ার পর যেন ভালোবাসা কম না হয়’। প্রসঙ্গত, রীতেশই এই কথাটি বলেছিলেন তাঁর ও জেনেলিয়ার সম্পর্কের গভীরতা নিয়ে।

আর এই ভিডিয়োটি শ্যামৌপ্তির ইনস্টাগ্রামে শেয়ার হওয়া দেখে অনেকেরই মনে প্রশ্ন, তাহলে কি তিনি তাঁর ও রণজয়ের ভাঙা বিয়ে নিয়ে কিছু ইঙ্গিত করতে চেয়েছেন? নাকি পুরোটাই কাকতালীয়। বরং, রীতেশের বলা এই কথাগুলো তাঁর মন ছুঁয়ে গিয়েছে!
রণজয় ও শ্যামৌপ্তির মধ্যে আলাপ-ঘনিষ্ঠতা বাড়ে গুড্ডি ধারাবাহিক করার সময়। এমনকী, তাঁদের জুটি সেইসময় সোশ্যাল মিডিয়াতেও ছিল খুব জনপ্রিয়। যদিও প্রথম দিকে প্রেমের কথা এড়িয়েই যেতেন দুজনে। চলতি বছরের ভ্য়ালেন্টাইন্স ডে-র দিন হিন্দু মতে অগ্নিসাক্ষী রেখে চার হাত এক হয়।
রণজয় ইতিমধ্যেই মুখ খুলেছেন। স্পষ্ট করেছেন, তাঁদের মধ্যে ভাঙনের কারণ নিয়ে কথা বলতে রাজি নন। যদিও হাওয়ায় উড়িয়ে দিয়েছেন ‘চুক্তির বিয়ে’-র খবর। তাঁর তে এই ধরনের কথা শুধু সিরিয়ালেই ঘটে থাকে। বাস্তবে হয় না। বিয়ে ভাঙার ব্যাপারটা জানাজানি হওয়ার পর, প্রতিজ্ঞার সেটে অসুস্থও হয়ে পড়েছিলেন রণজয়। তবে আপাতত নিজেকে ভালো রাখতে ও কেরিয়ারকে আরও মজবুত করতে ব্যস্ত তিনি। জোর কদমে করতে দেখা যাচ্ছে ঘুনগাঁও ছবির প্রচার। ছবির প্রিমিয়ারে শ্যামৌপ্তি অনুপস্থিত থাকলেও, এসেছিলেন প্রতিজ্ঞা নায়িকা অভিকা মালাকার। মাকেও নিয়ে এসেছিলেন রণজয়ের ছবি দেখাতে। এদিকে, শ্য়ামৌপ্তিকে শেষ দেখা গিয়েছে 'ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড'-এ। এরপর তিনি কাজ করছেন কুকিং শো ‘রাঁধুনি না কাঁদুনি’-তে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


