Ranojoy-Shyamoupti-Abhika: মিস্ট্রি ম্যানের সঙ্গে শ্য়ামৌপ্তি! রণজয়কে টেনে চরিত্র নিয়ে খোঁটা অভিকার ভক্তদের
রণজয় বিষ্ণু ও শ্যামৌপ্তি মুদলির ডিভোর্সে নাম জড়িয়েছিল অভিকার। যদিও অভিনেতার তরফে আগেই হাওয়ায় উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এই গুঞ্জন, তবে চর্চা থামার নাম নিচ্ছে না। এবার পালটা আক্রমণ অভিকা মালাকারের ভক্তদের।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আজকাল বহু তারকার নামেই খোলা হয় ফ্যানপেজ। আর সেই ফ্যানপেজগুলো থেকে অন্য তারকাদের নিয়ে ট্রোল করার ট্রেন্ডও চোখে পড়ে। আর এটা শুধু দেব-জিতেই আটকে নেই। বরং ধারাবাহিকের নায়ক-নায়িকাদের নামে ফ্য়ানপেজ খুলে, সেই পেজ থেকে অন্য নায়ক-নায়িকাদের ট্রোল করতেও দেখা যাচ্ছে। যেমন কিছুদিন আগেই জীতুর ভক্তরা ক্রমাগত আক্রমণ চালিয়েছিলেন দিতিপ্রিয়াকে। হামেশাই সৌমিতৃষা-আদৃতের ভক্তদের মধ্যে রেষারেষি চোখে পড়ে। আর এবার অভিকা মালাকারের ফ্যান পেজ থেকে আক্রমণ করা হল শ্যামৌপ্তি মুদলিকে।

রণজয় বিষ্ণু ও শ্যামৌপ্তি মুদলির ডিভোর্সে নাম জড়িয়েছিল অভিকার। ক'দিন আগে প্রতিজ্ঞা নায়িকার জন্মদিনের দিন তাঁর সঙ্গে রণজয়ের নাচ নিয়েও ভ্রু কুঁচকেছিলেন কিছু নেটিজেন। আর এবার অভিকার ভক্ত পরিচয় দিয়ে খোলা ফেসবুকে অ্য়াকাউন্ট থেকে শ্যামৌপ্তির একটি ব্যক্তিগত ছবি শেয়ার করা হয়। যেখানে অভিনেত্রীকে দেখা যাচ্ছে এক কফি শপে এক পুরুষের সঙ্গে।
প্রসঙ্গত, ইন্ডাস্ট্রিতে কানাঘুষো রণজয়ের সঙ্গে ডিভোর্সের কারণ নাকি শ্য়ামৌপ্তির সঙ্গে এক ক্যাফে মালিকের ঘনিষ্ঠতা। আর এই ফ্যানপেজের তরফে পোস্টেও এই একইভাবে আক্রমণ করা হল। কটাক্ষ করা হল শ্যামৌপ্তির চরিত্র নিয়ে।
যদিও দেখা গেল এই পোস্টে কমেন্ট সেকশনে কিছু মানুষ শ্যামৌপ্তির হয়েই কথা বলেছেন। একজন লিখেছেন, ‘কফিতে খেলেই কি প্রেম হয়ে যায়?’

প্রসঙ্গত, রণজয় অনেক আগেই অভিকার সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা উড়িয়ে দিয়েছেন। কিন্তু চর্চা থেমে থাকেনি। বিশেষ করে তা আরও প্রকাণ্ড আকার ধারণ করে যখন অভিকার জন্মদিনে তাঁর ও রণজয়ের ঘনিষ্ঠ নাচ সামনে আসে। শুরু হয় চরিত্র নিয়ে কাঁটাছেড়া। স্পষ্টতই এবারে আসরে অভিকার ভক্তরাও।
গুড্ডি ধারাবাহিকে একসঙ্গে কাজ করেছিলেন রণজয় ও শ্যামৌপ্তি। সেই সিরিয়াল থেকেই আলাপ-বন্ধুত্ব, তারপর তাতে ধীরে ধীরে রং লাগে প্রেমের। এরপর চলতি বছরের প্রেম দিবসে অর্থাৎ ১৪ ফেব্রুয়ারি ঘটা করে বিয়েটা করেন তাঁরা। টলিপাড়ার বড় বড় তারকারাও ছিলেন আমন্ত্রিত। কিন্তু বিয়ে টিকল মাত্র মাসকয়েক। মাত্র ৫ মাসেই আলাদা হল পথ।
খবর রয়েছে, এপ্রিল-মে মাস থেকেই আলাদা থাকছেন শ্যামৌপ্তি-রণজয়। অভিনেত্রী ফিরে গিয়েছেন মায়ের কাছে। একাধিক সাক্ষাৎকারে চলমান বিতর্ক নিয়ে রণজয় মুখ খুললেও, শ্য়ামৌপ্তি একেবারে চুপ। বরং প্রশ্ন করলে একটু বিরক্ত হয়েই জানিয়েছেন যে, এসব নিয়ে কথা বলতে তাঁর ‘রুচিতে বাধে’।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


