‘তিনিই সেই ব্যক্তি…’, বিয়ের ৫ মাসে রণজয়ের সঙ্গে ডিভোর্স-চর্চা, এরই মাঝে কার সঙ্গে পরিচয় করালেন শ্যামৌপ্তি

চলতি বছরে শ্যামৌপ্তি মুদলি ও রণজয় বিষ্ণুর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে হয়েছে অনেক কাঁটাছেড়া। এরই মাঝে সোশ্য়াল মিডিয়ায় কার সঙ্গে পরিচয় করালেন অভিনেত্রী?

Published on: Sep 30, 2026, 19:00:52 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

মাসখানেক আগে যখন হঠাৎই খবর এসেছিল, রণজয় বিষ্ণু ও শ্য়ামৌপ্তি মুদলির বিয়ে ভাঙতে চলেছে, তখন প্রথমে তা বিশ্বাসই করতে পারেনি কেউ। কারণ, বিয়ের বয়স তখন মাত্র ৫ মাস। বছর দুই প্রেম করার ধুমধাম করে বিয়ে, বছরঘোরার আগেই যে এমন হতে পারে, কে-ই বা ভাবতে পারে। তবে বরাবরের মতোই ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন শ্যামৌপ্তি। যদিও রণজয় মুখ খুলেছিলেন, একপ্রকার বিচ্ছেদের খবরে সিলমোহরও দিয়েছিলেন তিনি।

রণজয় ও শ্যামৌপ্তি।
রণজয় ও শ্যামৌপ্তি।

শ্যামৌপ্তি বর্তমানে ব্যস্ত নিজের কাজ নিয়ে। তাঁকে দেখা যাচ্ছে ‘রাঁধুনি না কাঁদুনি’ কুকিং শো-তে। টলিপাড়ার বহু খ্যাতনামা তারকা ভাগ নিচ্ছেন এই শো-তে। দেখা যাবে ইমন, কাঞ্চন, উষসী, শ্রীময়ী-রা। আর এই শো-এর হোস্ট হলেন কাঞ্চন মল্লিক।

এরই মাঝে নজর কাড়ল শ্যামৌপ্তির একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট। যেখানে নিজের ফিটনেসের সিংহভাগ কৃতিত্ব দিয়েছেন ট্রেনারকে। পাশাপাশি লম্বা বিরতির পর শরীরচর্চা শুরু করার কথাও জানালেন।

জিমের ছবি-ভিডিয়ো শেয়ার করে শ্য়ামৌপ্তি লিখলেন, ‘এক দশক পর আমি আবারও আমার শরীরচর্চার যাত্রা শুরু করছি। তিনিই সেই ব্যক্তি যিনি কেবল আমার ফিটনেস কোচই নন, বরং আমার মানসিক শক্তি জোগানোর উৎসও বটে। ওর কারণেই আমার মনে হয়, আমি যা খুশি খেতে পারি এবং কোনো ভয় ছাড়াই স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করতে পারি। বলে, 'জীবন তো একটাই, তাই সবকিছুরই অভিজ্ঞতা নেওয়া উচিত…'।’

‘আমি কখনোই ভাবিনি যে সোশ্যাল মিডিয়ায় তোমাকে নিয়ে কিছু লিখব, কারণ সাধারণত নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতি শেয়ার করাটা আমি খুব একটা পছন্দ করি না। কিন্তু অনেকেই মনে করেন যে ফিটনেস মানেই হল কার্বোহাইড্রেট বর্জন, অত্যন্ত কঠোর ডায়েট, চিনি না খাওয়া—ইত্যাদি। তাই ভাবলাম, আমার অভিজ্ঞতাটা সবার সঙ্গে শেয়ার করা উচিত। সবসময় আমার পাশে থাকার জন্য তোমাকে ধন্যবাদ অতনু দা।’, আরও লেখেন শ্যামৌপ্তি।

শিশুশিল্পী হিসেবে ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখেন শ্যামৌপ্তি। তবে লিড রোলে কাজ ছিল বাজলো তোমার আলোর বেনু ধারাবাহিক। গুড্ডি ধারাবাহিকে তাঁর আর রণজয়ের অনস্ক্রিন জুটি মন কেড়ে নেয় দর্শকদের। আর সেই ধারাবাহিকের পরই একে-অপরের প্রেমে পড়েন। বিচ্ছেদের কারণ নিয়ে মুখ খোলেননি কোনো পক্ষই। তবে টলিপাড়ায় কানাঘুষো শ্যামৌপ্তির সাফল্য বা তাঁর কিছু পুরনো বন্ধু ও পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা নিয়ে রণজয়ের আপত্তি ছিল। বিয়ের খরচ ও পরবর্তী সময়ে আর্থিক লেনদেন নিয়েও নাকি সমস্যা তৈরি হয়েছিল। শ্যামৌপ্তির সঙ্গে এক ক্যাফে মালিক এবং রণজয়ের সঙ্গে সহ-অভিনেত্রীর নাম জড়িয়েও গুঞ্জন চলে।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More