‘স্বরূপ বিশ্বাস আমার শ্লীলতাহানি করেননি, ওঁর সঙ্গে আমার কোনোদিন সামনাসামনি কথাই হয়নি…’! পালটি রূপসজ্জাশিল্পী সিমরনের

স্বরূপের নামে শ্লীলতাহানি-র অভিযোগ তুলেছিলেন এক মেকআপ আর্টিস্ট। তবে এবার সেই মহিলা খেলেন ‘পালটি’। শুক্রবার বেশ রাতের দিকে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে জানালেন যে, স্বরূপ বিশ্বাস নাকি কোনোদিন তাঁর শ্লীলতাহানি করেননি। তাঁদের নাকি দেখাই হয়নি।

Published on: Aug 8, 2026, 12:07:05 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

২০২৬ সালের জুন মাসে শ্লীলতাহানি, তোলাবাজি এবং অস্ত্র আইনে মামলার অভিযোগে কলকাতা পুলিশ তৃণমূল নেতা স্বরূপ বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করে। আর স্বরূপের নামে শ্লীলতাহানি-র অভিযোগ তুলেছিলেন এক মেকআপ আর্টিস্ট। তবে এবার সেই মহিলা খেলেন ‘পালটি’। শুক্রবার বেশ রাতের দিকে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে জানালেন যে, স্বরূপ বিশ্বাস নাকি কোনোদিন তাঁর শ্লীলতাহানি করেননি। তাঁদের নাকি দেখাই হয়নি।

স্বরূপ বিশ্বাস
স্বরূপ বিশ্বাস

সিমরন পালকে ভিডিয়ো বার্তায় বলতে শোনা যায়, ‘কিছু মানুষ মিথ্যে অভিযোগ লাগাতে বলেছিল আমাকে। আর আমি ওদের কথা শুনে এসব বলেছিলাম। আমি কিন্তু কখনো বলিনি স্বরূপ বিশ্বাস আমাকে শ্লীলতাহানি করেছে। এমনকী, যেই কমপ্লেন লেখা হয়েছে সেটা আমার না। সইটা হয়তো আমার। তবে আমাকে জোরজবরদস্তি করানো হয়েছে। যেটা করেনি আমি সেটা কেন বলব। না আমি ওনাকে চিনি, না উনি আমাকে চেনেন। আমি তো এরকম জবানবন্দি দেইনি, তাও কেন উনি গ্রেফতার হলেন জানি না। যারা বলেছিল ভয় আউট ভরসা ইন, তাঁদের কথা শুনে আমি নিউ আলিপুর থানায় জবানবন্দি দিলাম। জানি না আমি জবানবন্দি দেওয়ার পর কী করে স্বরূপবাবু গ্রেফতার হয়ে গেল। আমার মূল ব্যাপারটা স্বরূপ বিশ্বাসকে নিয়ে নয়, বরং শান্তনু দে আর বাপি মালাকারকে নিয়ে। আমি জানি আমি কী অভিযোগ তুলেছিলাম। আমি বলেছিলাম ওরা আমাকে বাড়িতে থ্রেট দিতে এসেছিল, গুলি করতে এসেছিল। সবাই বলছে আমার জবানবন্দির জন্য উনি গ্রেফতার হয়েছেন। ৪২টা দিন আমার জন্য নাকি জেল খেটেছে। কিন্তু আমি তো এরকম কোনো কথাই বলিনি। দাদা ওরকম মানুষই না। আমি শুনেছি উনি মানুষটা ভালো, মেয়েদের সম্মান দেয়। আমার লিখিত জবানবন্দিতে বাপি মালাকার, শান্তনু দে-র নাম ছিল। দাদার কথা কেন বলতে যাব! মিথ্যে একটা জালে দাদা ফেসেছেন, আমিও ফেসেছি। দাদাও দুই মেয়ের বাবা, আমি দুই মেয়ের মা! আমার খুব খারাপ লাগছিল। তাই নিউ আলিপুর থানায় গিয়ে আমি কেস তুলে নিয়েছি।’

এই ভিডিয়ো শেয়ার করে সেই মেকআপ আর্টিস্ট লেখেন, ‘স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে করা কেস তুলে নিয়েছি। কারণ স্বরূপ বিশ্বাস আমার শ্লীলতাহানি করেননি। ওনার সঙ্গে আমার কোনোদিন সামনাসামনি কথাই হয়নি। কিছু মানুষের প্ররোচনায়, তাদের ভুল বোঝানোকে বিশ্বাস করে আমি এই কাজ করেছিলাম। যেদিন সবটা বুঝেছি, সেদিন থেকে চেষ্টা করেছি, কেস তুলে নেওয়ার। ভয়ের চোটে পারিনি। ফাইনালি সাহস করে কেস তুলে নিলাম। যা হয় হবে। আমার তো আর নতুন করে কিছু হারানোর নেই। কারা আমাকে দিয়ে এসব করিয়েছিল, সেসব নাম আমি বলছি না। ঝামেলা অশান্তি আমি আর চাই না। কাজ করতে চাই। আমার জন্য স্বরূপ বিশ্বাস অকারণে জেল খেটেছেন। কিছু না করেই এত বড় একটা বদনাম ওনার হয়েছে। আমি তার জন্য স্বরূপ বিশ্বাসের কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। পারলে ছোটো বোন মনে করে আমাকে মাফ করে দেবেন। আপনার সঙ্গে খুব অন্যায় হয়েছে। আর আপনার যে ঘরশত্রু বিভীষণ অবস্থা, সে তো এখন ইন্ডাস্ট্রিতে সবাই জানে।’

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More