Sohail-Seema Divorce: বাড়ির অমতে পালিয়ে বিয়ে! সীমাকে ডিভোর্সের কারণ নিয়ে মুখ খুললেন সলমনের ভাই সোহেল

বিচ্ছেদের পরও তাঁদের সম্পর্কের সমীকরণ আজও অনেকের কাছে উদাহরণ। এবার রিয়্যালিটি শো The Alliance-এর মঞ্চে প্রাক্তন স্ত্রী সীমা সাজদেহকে নিয়ে প্রকাশ্যে প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন সোহেল খান। শুধু তাই নয়, সম্পর্ক ভাঙার দায়ও নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে অভিনেতার মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

Published on: Jul 9, 2026, 15:31:00 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সম্প্রতি The Alliance শো-এর একটি নতুন প্রোমো প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে সোহেল খানকে প্রশ্ন করা হয়, একই মঞ্চে সীমা সাজদেহকে দেখে তাঁর কেমন লাগছে। উত্তরে অভিনেতা অকপটে বলেন, ভালো লাগছে। এরপরই তিনি এমন একটি মন্তব্য করেন, যা মুহূর্তেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়।

সীমার সঙ্গে ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন সোহেল খান।
সীমার সঙ্গে ডিভোর্স নিয়ে মুখ খুললেন সোহেল খান।

সোহেলের কথায়, ‘আমি এই সুন্দরী মহিলার সঙ্গে ২৫ বছর কাটিয়েছি। আজ জাতীয় টেলিভিশনে আমি স্বীকার করতে চাই, যদি আমাদের সম্পর্কে কোনও ভুল হয়ে থাকে, তবে সেই দায় আমি নিজের কাঁধেই নিতে চাই। সমস্ত দায়িত্বও আমার।’ তাঁর এই বক্তব্য শুনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্য প্রতিযোগীরা করতালিতে ফেটে পড়েন। অন্যদিকে, সীমা সাজদেহকে শান্তভাবে সোহেলের কথা শুনতে দেখা যায়।

শো শুরু হওয়ার আগেই সোহেলকে নিয়ে কী বলেছিলেন সীমা?

এর আগে ফিল্মি জ্ঞান-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সীমা সাজদেহ জানিয়েছিলেন, তিনি আগে থেকেই জানতেন যে সোহেলও দ্য অ্যালায়েন্সে অংশ নিচ্ছেন। সীমার কথায়, ‘আমি জানতাম ও শো-তে আসছে। ওকে দেখার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম। শুধু দুঃখের বিষয়, আমি তখন আর থাকব না, কারণ আমি শো থেকে বেরিয়ে যাচ্ছি। তবে আমার বিশ্বাস, ও খুব ভালো খেলবে। ও নিজের কমফোর্ট জোনের বাইরে এসে এই চ্যালেঞ্জ নিয়েছে। সেটা দেখে আমার খুব ভালো লাগছে। আমি ওর জন্য গর্বিত।’

‘আমরা চাই বা না চাই, জোট হবই’

সাক্ষাৎকারে সীমাকে আরও প্রশ্ন করা হয়, শো-তে তাঁদের সমীকরণ কেমন হতে পারে।

জবাবে তিনি বলেন, ‘আশা করি আমরা একে অপরের অ্যালায়েন্স হব। আসলে আমরা চাই বা না চাই, আমাদের একসঙ্গেই থাকতে হবে।’ তিনি আরও জানান, শো-তে যাওয়ার আগে সোহেল তাঁকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছিলেন।

সীমার কথায়, ‘ও আমাকে বলেছিল, তুমি যেমন, ঠিক তেমনই থেকো। কাউকে তোমাকে ভয় দেখাতে বা চাপে ফেলতে দিও না। আমি ওকে বলেছিলাম, আমার চিন্তার কিছু নেই, কারণ তুমিও তো সেখানে থাকবে।’

ছোট ছেলে ইয়োহানের উৎসাহেই শো-তে অংশগ্রহণ

The Alliance-এ অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছিলেন, সেই প্রশ্নের উত্তরে সীমা জানান, এর নেপথ্যে রয়েছে তাঁদের ছোট ছেলে ইয়োহান।

তিনি বলেন, 'আমার ছোট ছেলে ইয়োহান এই বিষয়টি নিয়ে ভীষণ উৎসাহিত ছিল। অবশ্য বড় ছেলে নির্বাণও সমর্থন করেছে। তবে ইয়োহান আমাদের দু'জনকেই বলেছিল, তোমাদের এই শো-তে যেতেই হবে এবং জিতেও ফিরতে হবে।'

বিচ্ছেদের পরও একসঙ্গে পালন করছেন বাবা-মায়ের দায়িত্ব

উল্লেখ্য, ১৯৯৮ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন সোহেল খান ও সীমা সাজদেহ। সেই সময় সীমার অন্যত্র বাগদান ঠিক হলেও পরে তিনি সেই সম্পর্ক ভেঙে সোহেলের সঙ্গে ঘর বাঁধেন। পরিবারের অমত থাকায় দু'জনে পালিয়ে গিয়েই বিয়ে করেছিলেন।

দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের পর তাঁদের বিচ্ছেদ হলেও দুই ছেলে—নির্বাণ ও ইয়োহানের দায়িত্ব আজও যৌথভাবেই পালন করছেন সোহেল ও সীমা। ব্যক্তিগত সম্পর্কে ইতি টানলেও, সন্তানদের জন্য এবং পারস্পরিক সম্মানের জায়গা থেকে তাঁরা এখনও একে অপরের পাশে রয়েছেন।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More