Sohail Khan Son: ‘ছেলের নাম রাখতে চেয়েছিলাম রাম খান!’ বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি সলমনের ভাই সোহেলের

তাঁর বাড়ি ধর্মনিরপেক্ষতার নজির। মা হিন্দু, বাবা মুসলিম, সৎ মা খ্রিষ্টান। নিজেও বিয়ে করেছিলেন হিন্দু রমণীকে। বাড়িতে ইদ, দিওয়ালি, গণপতি উৎসব, ক্রিসমাস সবই উদযাপন হয় মহা ধুমধামে। তাই বলে ছেলের নাম রাম খান? 

Published on: Jul 15, 2026, 20:16:09 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

বলিউড অভিনেতা ও প্রযোজক সোহেল খান (Sohail Khan) সম্প্রতি অভিনেতা কুণাল খেমু সঞ্চালিত রিয়্যালিটি শো ‘অ্যালায়েন্স’ (Alliance)-এ যোগ দিয়েছেন। সোহেল পর সেখানে হাজির সলমনের ভাইয়ের প্রাক্তন স্ত্রী সীমা সাজদেহ (Seema Sajdeh)ও। এই শো-এর সাম্প্রতিক পর্বে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের এক অজানা এবং অত্যন্ত আকর্ষণীয় অধ্যায় সকলের সামনে তুলে ধরলেন ভাইজানের ভাই।

‘ছেলের নাম রাখতে চেয়েছিলাম রাম খান!’ বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি সলমনের ভাই সোহেলের!
‘ছেলের নাম রাখতে চেয়েছিলাম রাম খান!’ বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি সলমনের ভাই সোহেলের!

তিনি জানালেন, তাঁর বড় ছেলে নির্ভানের নাম আসলে ‘নির্ভান’ নয়, অন্য কিছু হতে চলেছিল। সোহেল নিজের বড় ছেলের নাম রাখতে চেয়েছিলেন ‘রাম খান’ (Ram Khan)!

‘রাম খান’ থেকে যেভাবে ‘নির্ভান’ হল সোহেল-পুত্র

শো-তে সহ-প্রতিযোগী আলি গোনি (Aly Goni) সোহেল ও সীমার সন্তানদের সুশিক্ষার প্রশংসা করেন এবং বলেন নির্ভান দেখতে হুবহু সোহেলের মতোই। এর পরিপ্রেক্ষিতেই বড় ছেলের নামকরণের পেছনের গল্পটি শেয়ার করেন সোহেল।

সোহেল জানান, ‘সীমা যখন প্রথমবার গর্ভবতী ছিল, তখন আমরা হাসিমজা করে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমরা ঠিক করি— যদি ছেলে হয় তবে নাম আমি রাখব, আর মেয়ে হলে নাম রাখবে সীমা। আমি মনে মনে ঠিক করে রেখেছিলাম যে আমার ছেলের নাম রাখব ‘রাম খান’। চিন্তাভাবনার দিক থেকে আমরা ভীষণ ধর্মনিরপেক্ষ (Secular)।’

তবে ভাগ্য অন্য কিছুই ঠিক করে রেখেছিল। সোহেল আরও যোগ করেন, ‘সন্তানের জন্মের পর যখন সীমার জ্ঞান ফেরে, তখন ও নিজের মনে একটা নাম ভেবে রেখেছিল। ডাক্তার যখন জানালেন যে আমাদের ছেলে হয়েছে, আমি কেবিনে ঢুকতেই আচ্ছন্ন অবস্থায় সীমা আমার দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করে— ‘নির্ভান কেমন আছে?’ ও এত সুন্দর করে কথাটা বলেছিল যে, আমি আর ওর মন ভাঙতে চাইনি। ওই নামটাই চূড়ান্ত করি।’

সোহেল খান ও সীমা সাজদেহের রসায়ন

পরিবারের অমতে ১৯৯৮ সালে বাড়ি থেকে পালিয়ে বিয়ে করেছিলেন সোহেল খান ও সীমা সাজদেহ। তাঁদের দুই সন্তান রয়েছে— নির্ভান ও ইয়োহান। দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় একসাথে সংসার করার পর ২০২২ সালে অফিশিয়ালি বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে এই দম্পতির।

ডিভোর্স হয়ে গেলেও সন্তানদের যৌথ লালন-পালনের (Co-parenting) ক্ষেত্রে তাঁরা কোনো আপস করেননি। ‘অ্যালায়েন্স’ শো-তে সোহেল প্রকাশ করেন যে, ভালোবাসার চেয়েও সীমার প্রতি ওঁর মনে শ্রদ্ধা ও সম্মান অনেক বেশি। বর্তমানে ছেলেরা সোহেলের সাথেই থাকে এবং সীমা সপ্তাহে তিন দিন তাঁদের সাথে দেখা করতে সোহেলের বাড়িতে আসেন।

ছেলের বলিউড অভিষেক নিয়ে সোহেলের ভাবনা

বড় ছেলে নির্ভানের অভিনয়ে আসার ইচ্ছে নিয়ে এর আগে এক সাক্ষাৎকারে সোহেল বলেছিলেন, ‘অভিনেতা হতে চাইলে লোকেরা কেন যে প্রথমে সহকারী পরিচালক (Assistant Director) হতে যায়, তা আমি বুঝি না। আমি চাই নির্ভান অজয় দেবগন, অক্ষয় কুমার, পঙ্কজ ত্রিপাঠী এবং নানা পাটেকরের মতো বড় মাপের অভিনেতাদের সাথে সময় কাটাক, তাঁদের অভিনয় পর্যবেক্ষণ করুক এবং স্ক্রিপ্ট রিডিং শিখুক।’

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More