Soham Chakraborty: ভোটে গো-হারা হার! এবার এফআইআর তৃণমূলের সোহমের বিরুদ্ধে, কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ!
টলিউড অভিনেতা সোহম চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ৫ লক্ষ টাকার আর্থিক প্রতারণা ও তছরুপের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। থানায় দায়ের এফআইআর।
টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ও রাজনীতিবিদ সোহম চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে উঠল এক কোটি টাকারও বেশি আর্থিক প্রতারণার গুরুতর অভিযোগ। ১ কোটি ৫ লক্ষ টাকা তছরুপের দাবি এনে অভিনেতার বিরুদ্ধে কলকাতার চারু মার্কেট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কৌশিক কর্মকার নামে এক ব্য়ক্তি অভিযোগ দায়ের করেছেন সোহমের বিরুদ্ধে। এই ঘটনার পর বিনোদন জগৎ তথা টলিপাড়ায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ছবি তৈরির নামে টাকা নেওয়ার অভিযোগ
সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, কৌশিক কর্মকারের দাবি, একটি নতুন চলচ্চিত্র তৈরি করার কথা বলে তাঁর কাছ থেকে এই ১ কোটি ৫ লক্ষ টাকা নিয়েছিলেন অভিনেতা। তবে টাকা নেওয়ার পরও সেই ছবি আর তৈরি হয়নি।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে চারু মার্কেট থানার পুলিশ টলিউড অভিনেতার বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারায় এফআইআর (FIR) দায়ের করেছে। বিষয়টি সরাসরি আইনি মোড় নেওয়ায় স্বভাবতই চাপ বাড়ছে অভিনেতার ওপর।
মেলেনি সোহমের প্রতিক্রিয়া
এই বিস্ফোরক অভিযোগ এবং জামিন অযোগ্য ধারায় এফআইআর দায়ের হওয়ার প্রসঙ্গে অভিনেতার বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হয়েছিল। সোহম চক্রবর্তীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও, অভিনেতার তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও উত্তর বা প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
টলিউডের ভেতরের নানা সাম্প্রতিক বিতর্কের মাঝেই সোহমের বিরুদ্ধে এই কোটি টাকার আর্থিক জালিয়াতির মামলা ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছিলেন সোহম। তবে ২০২৬-এর এই নির্বাচনে দল তাঁকে তাঁর চেনা জমি চণ্ডীপুর থেকে সরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় করিমপুর থেকে জয় ছিনিয়ে আনবার কঠিন টাস্ক দিয়েছিলেন। সফল হননি সোহম। শুরুতে এগিয়ে থাকলেও শেষমেষ বিজেপির সমরেন্দ্রনাথ ঘোষের কাছে পরাজিত হয়েছেন সোহম। তারপর থেকে রাজনীতির ময়দান থেকে দূরত্ব বজায় রাখছিলেন অভিনেতা। এবার বড়সড় বিতর্কে নাম জড়াল তাঁর।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


