শাক ‘সুস্বাদু’ বলে খেলেন বকা! ইলিশ-ফিশ ব্য়াটার ফ্রাই, সোহিনীর সাধে মেনুতে আর কী?
বুধবার শ্বশুরবাড়ির তরফে সাধ খেলেন অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। এদিন লাল শাড়িতে সাজুগুজু করেছিলেন বহু মা। কী কী ছিল সাধের দিন সোহিনীর পাতে?
বুধবার ছিল অভিনেত্রী সোহিনী সরকারের সাধের অনুষ্ঠান। বিবাহবার্ষিকীর দিন দুই থেকে তিন হওয়ার খবর ভাগ করে নিয়েছিলেন সোশ্যাল মিডিয়াতে। এদিন শ্বশুরবাড়ির তরফে সাধ খাওয়ানো হয় সোহিনীকে। লাল শাড়িতে সেজেছিলেন হবু মা। গা ভরা গয়না। খোলা চুল। কপালে কলকা। প্রেগন্যান্সি গ্লো ফুটে বেরাচ্ছিল অভিনেত্রীর চোখ-মুখ থেকে।

একট ভিডিয়োতে দেখা যায়, শাক দিয়ে ভাত মেখে মুখে দিয়ে ‘সুস্বাদু’ বলেন সোহিনী। যাতে বকা দেয় বাড়ির বড় কেউ, বলে শাক সুস্বাদু বলতে নেই। শুনেই জিভ কাটেন অভিনেত্রী। এদিন কী কী খাবার ছিল বহু মায়ের প্লেটে।
সোহিনার জন্য ভাত, ডাল, নানা রকম ভাজা (পটল, বেগুন, আলু, লাল শাক ভাজা), শুক্তো, ফিশ ব্যাটার ফ্রাই, সর্ষে ইলিশ, মাছের মাথা রান্না করা হয়েছিল। এছাড়াও ছিল পায়েস ও বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি।
এর আগে এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন বাড়ির লোক থেকে শুরু করে বর শোভন, সকলেই ভীষণ যত্নে রাখছেন সোহিনীকে। আর তিনিও সবার থেকে পাওয়া এই মনযোগ দারুণভাবে উপভোগও করছেন। সঙ্গে জানান, একটুও ঝগড়া করছে না বর। বরং অভিনেত্রী বউয়ের সব কথা মেনে নিচ্ছেন অক্ষরে অক্ষরে।
২০২৪ সালের ১৫ জুলাই বিয়ে করেন শোভন ও সোহিনী। তাঁদের বিয়ের আসর বসেছিল কলকাতারই এক ফার্ম হাউজে। আইনি মতেই চার হাত এক হয়েছিল। বেশ কিছুমাস ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে কানাঘুষো থাকলেও, সোহিনী এই ব্যাপারে ছিলেন একদম চুপ। আর বিয়ের জন্মদিনে সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘২ বছরের বিবাহবার্ষিকীতে ২ থেকে ৩ হওয়ার পথে।’
প্রেগন্যান্সি জার্নি নিয়ে সোহিনী জানিয়েছেন, ‘খুবই ভালো লাগছে। একদম অন্যরকম একটা অনুভূতি। শরীরের পরিবর্তন, মনের পরিবর্তন, আশেপাশের মানুষগুলো যেভাবে আমাকে দেখত এতদিন, সেই দেখাটাও অনেক চেঞ্জ হয়ে গিয়েছে। সবটাই একটা অন্যরকম অভিজ্ঞতা, নতুন একটা অভিজ্ঞতা।’ নিজের খেয়াল রাখলেও, কাজ চলছে জোর কদমে। বহুরূপী আর অজেয়া-র শ্যুটও করেছেন।
২০২৩ সালে যিশু সেনগুপ্ত আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের সময় কাছাকাছি আসেন সোহিনী সরকার ও গায়ক শোভন গঙ্গোপাধ্যায়। এরপর সম্পর্ক নিয়ে সেভাবে লুখোছাপা না থাকলেও, প্রকাশ্যে কথা বলেননি কেউই। ২০২৪ সালের শুরুতে তাঁরা একসঙ্গে সুইডেনে ছুটি কাটাতে যান, সেখানে গিয়ে আংটি বদলও করেন। এরপর সেই বছরই বিয়ে। আপাতত হবু মা-বাবা বাড়িতে নতুন সদস্য আসার অপেক্ষায়।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


