Sohini Sarkar:‘এ পৃথিবীর সব আনন্দ তোমার হোক!’ সোহিনীর কোলে ১০ দিনের ছেলে, বউকে কী বললেন শোভন?
কোলে দশ দিনের ‘বীরপুরুষ’। মা হওয়ার প্রথম জন্মদিন সোহিনীর। কীভাবে চলল উদযাপন?
মাতৃত্বের স্বাদ পাওয়ার পর এই প্রথম জন্মদিন! জীবনের সেরা উপহার ইতিমধ্যে হাত বাড়িয়ে ছুঁয়ে ফেলেছেন অভিনেত্রী সোহিনী সরকার। মাত্র ১০ দিন আগে ঘর আলো করে এসেছে তাঁদের একরত্তি পুত্রসন্তান। আর সেই পুঁচকে কোল-আলো-করা ছেলেকে কোলে জড়িয়েই জীবনের এই বিশেষ দিনটি উদ্যাপন করলেন নতুন মা।

জন্মদিনের সকালটা ছিল একেবারে পারিবারিক আমেজে পরিপূর্ণ। নীল রঙের প্রিন্টেড পোশাকে, কোলে সদ্যোজাত সন্তানকে আঁকড়ে ধরে কেকে ছুরি বসালেন সোহিনী। একরত্তির মিষ্টি মুখটিকে ইমোজি দিয়ে আড়াল রাখলেও, নতুন মায়ের চোখেমুখে উপচে পড়া আনন্দের দীপ্তি আড়াল করা যায়নি। পাশে হাজির ছিলেন পরিবারের খুদেরাও। কেবল কেক কাটাই নয়, জন্মদিনের দুপুরে খাঁটি বাঙালি ভুরিভোজে জমে উঠেছিল উদযাপনের মেজাজ— কাঁসার থালায় সাজানো ধোঁয়া ওঠা গরম ভাত, হরেক পদের ভাজাভুজি, ডাল, তরকারি এবং শেষ পাতে ঐতিহ্যবাহী পায়েস।
স্ত্রীর জীবনের এই নতুন অধ্যায়ের জন্মদিনে আবেগঘন শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন স্বামী তথা সঙ্গীতশিল্পী শোভন গঙ্গোপাধ্যায়। সোহিনীর একটি মিষ্টি ছবি শেয়ার করে শোভন লেখেন, ‘এ পৃথিবীর সব আনন্দ তোমার হোক… শুভ জন্মদিন!’ ভালোবাসায় ভরা সেই বার বার্তা নিমেষেই মন ছুঁয়ে গিয়েছে নেটিজেনদের।
বিগত বছরগুলোতে ধুমধাম করে উদযাপন হলেও, এবারের জন্মদিন সোহিনী-শোভনের কাছে সম্পূর্ণ আলাদা। মা হওয়ার হওয়ার পর সোহিনীর এই প্রথম জন্মদিনের রেশ নিশ্চিতভাবেই সারাজীবন স্মরণীয় হয়ে থাকবে তাঁদের কাছে। সমাজমাধ্যমে অনুরাগী থেকে শুরু করে টলিউডের সহকর্মীরা শুভকামনা ও ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন নতুন মাকে।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


