Sohini Pregnancy: ‘বর যদি আগেই বলে দেয় ওর ভুল…’, অন্তঃসত্ত্বা সোহিনী, বউ-র কেমন খেয়াল রাখছেন শোভন?
২০২৪ সালের জুলাই মাসে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন শোভন গঙ্গোপাধ্যায় ও সোহিনী সরকার। এরপর তৃতীয় বিবাহবার্ষিকীতে দেন মা-বাবা হতে চলার সুখবর।
তৃতীয় বিবাহবার্ষিকীর দিন সোহিনী সরকার ও শোভন গঙ্গোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন মা-বাবা হতে চলেছেন তাঁরা। যদিও সোহিনীর মাতৃত্বের খবর ঘুরছিল চারপাশে অনেকদিন ধরেই, তবে ব্যাপারটা খানিক গোপনই রাখার চেষ্টায় ছিলেন হবু মা-বাবা। হয়তো চেয়েছিলেন বিয়ের জন্মদিনেই নিজের মুখে সুখবরটা ভাগ করে নেবেন অনুরাগীদের সঙ্গে। সেই মতো লিখেছিলেন, ‘৩ বছরের বিবাহবার্ষিকীতে ২ থেকে ৩ হওয়ার পথে।’

তা কেমন কাটছে প্রেগন্যান্সির এই জার্নি? সম্প্রতি এক ইভেন্টে এসে মাতৃত্বের এই সফর নিয়ে কথা বললেন সোহিনী। জানান, ‘খুবই ভালো লাগছে। একদম অন্যরকম একটা অনুভূতি। শরীরের পরিবর্তন, মনের পরিবর্তন, আশেপাশের মানুষগুলো যেভাবে আমাকে দেখত এতদিন, সেই দেখাটাও অনেক চেঞ্জ হয়ে গিয়েছে। সবটাই একটা অন্যরকম অভিজ্ঞতা, নতুন একটা অভিজ্ঞতা।’
আর এই সময় বউয়ের খুব যত্ন নিচ্ছেন শোভন। নিজের হাতে রান্না করে খাওয়াচ্ছেন। সঙ্গে একদম রেগে যাওয়ার সুয়োগ দিচ্ছেন না সোহিনীকে। অভিনেত্রী বললেন, ‘খুবই দায়িত্ব পালন করাছে। যা বলছি মেনে নিচ্ছে আর কী! আগে আমাদের মধ্যে হয়তো তর্ক হত বা কিছু, আর এখন আমি কিছু বললেই বলছে, ঠিক ঠিক, আমি ভুল। বর যদি আগেই বলে দেয় ওর ভুল, এটা প্যাম্পার ছাড়া আর কী!’
যদিও প্রেগন্যান্সিতে পরপর কাজ করেছেন, ‘আমার ফার্স্ট ট্রায়মেস্টারে বহুরূপীর শ্যুট করলাম। তারপর হইটইতে যেটা আসবে সেটা করলাম। ওটার একটা ১৮ দিনের হেকটিক শিডিউল ছিল। তার মধ্যে ডাবিং, ছোটছোট ইভেন্ট তো চলতেই তাকে। তাই বাড়িতে বসে খুব যে আরামের সুযোগ পেয়েছি না নয়। তবে আমাদের কাজের জায়গাটা একটা মানসিক আরামেরই জায়গা। যখন বাড়িতে থেকেছি শুধু ঘুমিয়েছি। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে হয়তো ১৬ ঘণ্টাই ঘুমিয়েছি।’
একইসঙ্গে পরিবারের অনাগত খুদে সদস্যকে নিয়ে প্ল্যানিংও চলছে জোর কদমে। জানালেন, ‘এবার একটু ঘর খালি করতে হবে, যে জামাকাপড়গুলো এখন হবে না, আগামী ৬ মাসেও হবে না সেগুলোকে শ্বশুরবাড়ি পাঠিয়ে দেব। এসব প্ল্যানিং চলছে আমাদের।’ আপাতত সন্তানের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন হবু মা-বাবা। সঙ্গে শোভন-সোহিনীর পরিবার, বন্ধু, অনুরাগীরাও।
বছর দেড়েক প্রেম করার পর ২০২৪ সালের ১৫ জুলাই বিয়ে করেন শোভন ও সোহিনী। তাঁদের বিয়ের আসর বসেছিল কলকাতারই এক ফার্ম হাউজে। আইনি বিয়ে করেন পরিবার-বন্ধুদের উপস্থিতিতে। সঙ্গে হয়েছিল মালাবদল, সিঁদুর দান।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


