এই অভিনেত্রীর জন্মের পর পরই হাসপাতালে ব্যাপক শোরগোল ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছিল
জন্মের পরপরই জন্মদাত্রী মা-বাবার থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিলেন এই বলিউড নায়িকা! নিজের মুখেই জানিয়েছিলেন সেই ঘটনা এক সাক্ষাৎকারে।
বলিউড তারকাদের নিয়ে এমন অনেক অজানা গল্প আছে, যার জন্য তাঁদের ভক্তরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে। এমনই একটি ঘটনা ৯০-এর দশকের এক সুপারস্টার অভিনেত্রীকে নিয়ে, এবং তা শুনলে আপনি অবাক হবেন। অভিনেত্রীর জন্মের ঠিক পরেই হাসপাতালে একটি বড় ধরনের জটিলতা দেখা দেয়, যার ফলে তিনি তার বাবা-মায়ের থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। কিন্তু মা তো মা-ই, এবং মাতৃস্নেহ অবশেষে মেয়েকে চিনতে পারেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই অভিনেত্রী কে এবং সেদিন হাসপাতালে কী ঘটেছিল?

আমরা ৯০-এর দশকের যে অভিনেত্রীর কথা বলছি, তিনি আর কেউ নন, রানি মুখোপাধ্যায়। রানি ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম শীর্ষ অভিনেত্রী। তিনি তাঁর কেরিয়ারে অসংখ্য ব্লকবাস্টার ছবি উপহার দিয়েছেন। আপনি কি জানতেন যে, রানি মুখার্জির জন্মের সময় হাসপাতালে একটি বড় ধরনের জটিলতা দেখা দিয়েছিল, যার ফলে তাঁর বাবা-মা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন? রানি মুখার্জি নিজেই একটি সাক্ষাৎকারে এই কথা প্রকাশ করেছিলেন।
সিমি গরেওয়ালকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রানি জানান গোটা ঘটনা। অভিনেত্রী বলেন, ‘জন্মের পর, আমাকে ভুল করে একটি পাঞ্জাবি পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল এবং তাদের বাচ্চাটিকে আমার মা (কৃষ্ণা মুখার্জি)-এর কাছে দেওয়া হয়েছিল। বাচ্চাটিকে দেখে আমার মা হতবাক হয়ে যান এবং চিৎকার করতে শুরু করেন, 'এ আমার বাচ্চা নয়।' আমার মা কোলে থাকা শিশুটির চোখের দিকে তাকিয়ে একথা বলেন। তারা বলেন, 'এই বাচ্চার চোখ বাদামী নয়।' এরপর আমার মা হাসপাতালের কর্মীদের আমাকে খুঁজে বের করতে বলেন এবং পরে আমাকে আমার মায়ের কাছে ফিরিয়ে আনা হয়।’
উল্লেখ্য যে, রানি মুখোপাধ্যায় ১৯৯৬ সালের বাংলা সনেমা 'বিয়ের ফুল' সিনেমার মাধ্যমে অভিনেত্রী হিসেবে সিনেমায় আত্মপ্রকাশ করেন। যদিও প্রধান চরিত্রে নয়, একটি পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। এরপর তিনি 'রাজা কি আয়েগি বারাত' সিনেমার মাধ্যমে প্রধান অভিনেত্রী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। এই সিনেমায় রানির অভিনয় ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করে। তবে, তিনি আমির খান অভিনীত 'গুলাম' সিনেমার মাধ্যমে প্রকৃত স্বীকৃতি পান।
রানি মুখোপাধ্যায় তাঁর কেরিয়ারে ৫০টিরও বেশি ছবিতে অভিনয় করেছেন। তিনি ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘হর দিল জো প্যায়ার কারেগা’, ‘হ্যালো ব্রাদার’, ‘নায়ক’, ‘মুঝসে দোস্তি করোগি’, ‘সাথিয়া’, ‘বীর-জারা,’ ‘হাম তুম’, ‘মারদানি’, ‘মিসেস চ্যাটার্জি ভার্সেস নরওয়ে’, ‘মর্দানি’-র মতো ছবিতে তার দুর্দান্ত অভিনয় দিয়ে মন জয় করেছেন।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


