‘একাকীত্ব ঘিরে ধরে’, জীবনে স্থায়ী সঙ্গীর অভাব সৃজিতের, মিথিলার সঙ্গে ডিভোর্সে সিলমোহর? বললেন-'আমরা আর ঘনিষ্ঠ নই'

সৃজিত-মিথিলার দাম্পত্যকে কাঁটাতার আষ্টেপৃষ্ঠে ধরেছিল আগেই, এবার নাম না করেও সম্পর্কের কফিনে শেষ পেরেক পুঁতে দিলেন পরিচালক। 

Published on: Sep 6, 2026, 10:31:01 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

টলিউডের অন্যতম চর্চিত ও সফল পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্য়ায়। নিজের কাজের পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও থাকেন আলোচনায়। সম্প্রতি 'স্ট্রেইট আপ উইথ শ্রী'-তে উপস্থিত হয়ে নিজের অতীত সম্পর্ক, প্রাক্তনদের সঙ্গে বর্তমান বন্ধুত্ব এবং নিজের একাকীত্ব নিয়ে সোজাসাপ্টা কথা বললেন পরিচালক।

‘একাকীত্ব ঘিরে ধরে’, জীবনে স্থায়ী সঙ্গীর অভাব সৃজিতের, মিথিলার সঙ্গে ডিভোর্সে সিলমোহর? বললেন-'আমরা আর ঘনিষ্ঠ নই'
‘একাকীত্ব ঘিরে ধরে’, জীবনে স্থায়ী সঙ্গীর অভাব সৃজিতের, মিথিলার সঙ্গে ডিভোর্সে সিলমোহর? বললেন-'আমরা আর ঘনিষ্ঠ নই'

প্রাক্তনদের সঙ্গে অটুট বন্ধুত্ব:

স্বস্তিকা মুখোপাধ্য়ায় কিংবা ঋতাভরী চক্রবর্তীর মতো প্রাক্তনের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙলেও তাঁদের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ যোগাযোগের কথা স্বীকার করে নেন সৃজিত। তিনি জানান, যেকোনো সমস্যায় তিনি স্বস্তিকার পাশে দাঁড়াতে প্রস্তুত। সৃজিত বলেন, ‘স্বস্তিকা জানে যে কখনও... যদি কোনও সমস্যা হয়, কোনো প্রয়োজন হয় বা কোনো সংকট তৈরি হয়, আমি কেবল একটি ফোন কলের দূরে আছি’।

সম্পর্ক ভেঙে গেলেও সেই বন্ধন কেন টিকে থাকে, তার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি যোগ করেন, ‘মূলত আপনারা যদি বন্ধু হন, তবে সেই স্নেহ, সেই উদ্বেগ থেকে যায় এবং তা চিরকাল থাকবে।’ এখানেই শেষ নয়, সৃজিত স্পষ্ট করেন, সুস্মিতা (চট্টোপাধ্য়ায়) একটা সময় তাঁর খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলেন। পরিচালকের সঙ্গে কি তাঁর প্রেম ছিল? সৃজিতের কথায়, ‘সব সম্পর্কের লেবেল হয় না। ওহ আমার খুব ঘনিষ্ঠ ছিল, আমরা এক্সট্রিমলি ক্লোজ ছিলাম। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ঘনিষ্ঠতা মুছে গিয়েছে, এখন আর আমরা কতটা ক্লোজ নই। তবে একে অপরের শুভাকাঙ্খী।’

তিনি আরও বলেন, 'আসলে জীবন একটা জার্নি, অনেকে ট্রেন থেকে কয়েকটা স্টেশন পর নেমে যায়। সুস্মিতাও নেমে গিয়েছে, হয়ত অন্য কোনও ট্রেন ধরেছে'।

একাকীত্ব ও সঙ্গীর অভাব স্বীকার:

আড্ডার একপর্যায়ে সঞ্চালিকা প্রশ্ন করেন, জীবনের এই বয়সে এসে তিনি কি কোনো 'স্টেবল পার্টনারশিপ' বা স্থায়ী সঙ্গীর অভাব বোধ করেন? জবাবে নিজের একাকীত্বের কথা নির্দ্বিধায় মেনে নেন সৃজিত। সঞ্চালিকা যখন জিজ্ঞেস করেন, ‘তুমি কি একাকীত্ব বোধ করো?’— তখন সৃজিতের স্পষ্ট উত্তর, ‘কখনও কখনও করি... হ্যাঁ, কখনও কখনও।’

তবে সেই সঙ্গে সৃজিত জানান, একাকীত্ব এলে কাজ, গান, ক্রিকেট আর বন্ধুদের সঙ্গই তাঁকে চাঙ্গা রাখে। তাঁর কথায়, ‘কখনও কখনও কাজ, গান, ক্রিকেট আর বন্ধুরা... আমার পৃথিবীকে আলোকময় করে তোলে।’

বাংলাদেশি অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার সঙ্গে বিয়ের পর প্রায় ৬ বছর কেটেছে। সেভাবে গুছিয়ে সংসার কোনওদিনই করেননি দুজনে। গত তিন বছরে বারংবার সৃজিত-মিথিলার বিচ্ছেদ চর্চায় উঠে এসেছে। এদিন সরাসরি মিথিলার প্রসঙ্গ না উঠলেও, জীবনে যে কোনও স্থায়ী সঙ্গী নেই তা জানিয়ে দিলেন সৃজিত। কোনও বিবাহিত পুরুষের পক্ষে কি এই কথা বলা সম্ভব? তবে কি সৃজিত আর মিথিলার সম্পর্ক আগেই ভেঙেছে? পরিচালকের এই খোলামেলা স্বীকারোক্তি অনুগামীদের মনে সেই সম্পর্কের চিড় ধরা বা পরোক্ষ বিচ্ছেদের জল্পনাকেই যেন নতুন করে উসকে দিল।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More