‘ওঁর জীবন নিয়ে আমি কখনও…’, জিয়ার মৃত্যুর এত বছর পর যা বললেন সুরজ

জিয়া খানের আত্মহত্যা মামলার বিচার চলাকালীন অভিনেতা সুরজ পাঞ্চোলি যথেষ্ট কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছিলেন। জিয়ার মৃত্যুর জন্য দায়ী করা হয়েছিল সুরজকে, তবে সিবিআই আদালত অভিনেতাকে নির্দোষ বলে জামিন দিয়ে দেয়।

Published on: Aug 2, 2026, 22:35:10 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

জিয়া খানের আত্মহত্যা মামলার বিচার চলাকালীন অভিনেতা সুরজ পাঞ্চোলি যথেষ্ট কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছিলেন। জিয়ার মৃত্যুর জন্য দায়ী করা হয়েছিল সুরজকে, তবে সিবিআই আদালত অভিনেতাকে নির্দোষ বলে জামিন দিয়ে দেয়। কিন্তু আদালত থেকে ক্লিন চিট পাওয়া সত্ত্বেও সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেতাকে বারবার দাঁড় করানো হয়েছে কাঠগড়ায়।

জিয়ার মৃত্যুর এত বছর পর যা বললেন সুরজ
জিয়ার মৃত্যুর এত বছর পর যা বললেন সুরজ

সম্প্রতি একটি ইনস্টাগ্রাম পোস্টে এই সমস্ত প্রশ্নের জবাব দেন সুরজ পাঞ্চোলি। সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেতা লেখেন, ‘যারা এখনও এই বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তাদের কাছে আমার অনুরোধ দয়া করে বলুন আপনারা কোন প্রশ্নের উত্তর নিতে চান? তবে তথ্যপ্রকাশের আগে নিশ্চিত করুন যাতে সেটা সঠিক হয়। ১৪ বছর ধরে এই বিচার প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে আমি গিয়েছি। আদালতে সমস্ত প্রমাণের ভিত্তিতে রায় দেওয়া হয়েছে। আমি এখন মুক্ত। তাই আইনি প্রক্রিয়ায় আর কোনও প্রশ্ন থাকা উচিত নয়।’

আরও পড়ুন: অনেকটা ভয় আর নতুন অনুভূতি! গত ৫ মাসে কী কী অভিজ্ঞতা হল চিত্রাঙ্গাদার?

জীবনের কঠিন সময়ের কথা উল্লেখ করে অভিনেতা লেখেন, ‘আমার বয়স যখন ২০ বছর তখন এই ঘটনাটি ঘটেছিল। জিয়ার সঙ্গে মাত্র চার মাসের আলাপ ছিল আমার। ওঁর মনের মধ্যে কি ছিল তা আমি জানতে পারিনি। ওই বয়সে বোঝা সম্ভব ছিল না।একজন মানুষ এতটা যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে গিয়েছিল তা ধারণাও ছিল না আমার। এরপর যা হয়েছিল তা সম্পূর্ণ আমার জীবন পাল্টে দেয়। প্রায় ১৪ বছর ধরে আমি নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য লড়াই করছি। আমার জীবনের বেশিরভাগ সময় আইনি লড়াইয়ের মধ্য দিয়েই চলে গিয়েছে।’

সুরজ লেখেন, ‘প্রতিদিন আমি একটা নতুন যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে দিয়েছি, আমার জীবন কিভাবে কেটেছিল শুধু আমি জানি। কিন্তু আমি জানতাম আদালত একমাত্র জায়গা যেখানে আমি নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করতে পারব। এরপরেও যদি কেউ আমাকে দোষী মনে করে তাহলে আমার কিছু করার নেই। জিয়ার প্রতি সম্মান রেখেই আমি কখনও ওর ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কারও সামনে কোনও কথা বলিনি। তবে আমি শুধুমাত্র একটু সম্মান আশা করি সকলে থেকে।’

আরও পড়ুন: 'কলা গাছের সঙ্গে প্রেম করতেও...', চিত্রনাট্যের প্রয়োজনে আর কী কী করেন রণজয়?

জিয়া খানের আত্মহত্যা মামলা সম্পর্কে

২০১৩ সালের ৩ জুন মুম্বইয়ের জুহুতে নিজ বাসভবনে জিয়া খানকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তার মৃত্যুর পরপরই, জিয়ার লেখা বলে কথিত একটি ছয় পৃষ্ঠার চিঠির ভিত্তিতে পুলিশ সুরজ পাঞ্চোলিকে গ্রেপ্তার করে। সুরজের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়। ২০১৩ সালের জুন মাসে তাকে গ্রেপ্তার করা হলেও পরের মাসেই তিনি জামিন পান। আদালতে দেওয়া তার চূড়ান্ত জবানবন্দিতে সুরজ দাবি করেন যে তাকে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে। পরবর্তীতে বিশেষ সিবিআই আদালত তাকে এই মামলা থেকে খালাস দেয়।