New Bonolota in Kone Dekha Alo: কনে দেখা আলো ছেড়েছেন নন্দিনী, বনলতার চরিত্রে দেখা যাবে জলসার এই সুন্দরীকে
New Bonolota in Kone Dekha Alo: দুই বোনের ত্রিকোণ প্রেমের গল্পে আগে দর্শক দেখেছে তাঁকে। সুপারহিট মেগার অভিনেত্রী এবার হচ্ছেন কনে দেখা আলোর নতুন বনলতা।
জনপ্রিয় মেগা ধারাবাহিক ‘কনে দেখা আলো’-কে ঘিরে চর্চা থামছেই না। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে ‘বনলতা’ চরিত্রকে বিদায় জানিয়েছেন অভিনেত্রী নন্দিনী দত্ত। নন্দিনীর প্রস্থানের পর অনুরাগীদের প্রশ্ন ছিল—তবে কি গল্পে বনলতার ইতি ঘটতে চলেছে, নাকি কোনো নতুন মুখ দেখা যাবে? সেই জল্পনার অবসান ঘটল।

সূত্রের খবর, বনলতা চরিত্রের ইতি ঘটছে না। নন্দিনী দত্ত-র জায়গায় এবার নতুন ‘বনলতা’ হয়ে মেগায় এন্ট্রি নিচ্ছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সৌমিলি চক্রবর্তী। হ্যাঁ, স্টার জলসার অনুরাগের ছোঁয়া খ্যাত সৌমিলি এবার জি বাংলায়।
কাস্টিং বদল ও নতুন বনলতার আগমন
ধারাবাহিকে পারিবারিক টানাপোড়েন ও লাজু-অনুভবের পরকীয়া বা প্রেমের গল্পে বনলতা চরিত্রটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিল। অনুভবকে ডিভোর্স দিলেও লাজু-অনুভবের প্রেমের কাহিনিতে বনলতা কাঁটা এত সহজে যাবে না তা স্পষ্ট।
অভিনেত্রী সৌমিলি চক্রবর্তী এর আগেও একাধিক জনপ্রিয় মেগায় নিজের অভিনয়ের ছাপ রেখেছেন। এবার নন্দিনী দত্ত-র ছেড়ে যাওয়া জটিল ও ধূসর শেডের এই বনলতা চরিত্রটিকে তিনি কীভাবে স্ক্রিনে ফুটিয়ে তোলেন, সেটাই এখন দর্শকদের জন্য বড় আকর্ষণ।
ওদিকে বনলতা চরিত্র ছেড়ে দেওয়া প্রসঙ্গে নন্দিনী হিন্দুস্তান টাইমস বাংলাকে জানান, ‘আমি আমার কেরিয়ারে মুভ অন করতে চাই, তাই খুব সচেতনভাবে এই সিদ্ধান্তটা নিয়েছি। আমার কারুর বিরুদ্ধে কোনও ক্ষোভ-অভিযোগ নেই। আমি মেগা করতে খুব ভালোবাসি, এবং ভালোবাসা দিয়েই এতদিন এই কাজটা করেছি। বাকি পুরো বিষয়টাই খুব ব্যক্তিগত। নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আমার চ্যানেলের সঙ্গে, প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে চুক্তি ছিল। তাই জানাইনি। এখন জানালাম, যাতে মানুষ জানতে পারে আমি এখন আর এই প্রোজেক্টের সঙ্গে যুক্ত নই।'
সম্প্রতি ২৪শে অগস্ট থেকে এই ধারাবাহিকের সম্প্রচারের সময়সীমা বদলে রাত ৯:৩০টার বদলে বিকেল ৫:৩০টার স্লটে নিয়ে আসা হয়েছে। স্লট বদল এবং কাস্টিংয়ের এই বিরাট রদবদল মেগার টিআরপি (TRP)-তে কেমন প্রভাব ফেলে, এখন সেদিকেই চোখ সবার।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


