Soumitrisha: ‘মুসলিম বলে আলাদা কেউ নেই..’, তৃণমূলের হয়ে ভোটপ্রচারে উপলব্ধি সৌমিতৃষার, রেজাল্টের আগে কার সাথে ছুটির মুডে?
Soumitrisha Kundu: ভোটের ময়দান থেকে এবার সোজা সমুদ্রের নীল জলরাশি! নির্বাচনের কড়া রোদ আর ধুলোবালি গায়ে মেখে রাজ্যজুড়ে প্রচার সেরেছেন ‘মিঠাই’ খ্যাত সৌমিতৃষা কুণ্ডু। তবে ফল ঘোষণার আগে যে মানসিক এবং শারীরিক বিশ্রামের প্রয়োজন, তা বেশ ভালোই জানেন অভিনেত্রী।
Soumitrisha Kundu: কখনও টাঙ্ক টপ আর প্যান্টে মোহময়ী রূপ, আবার কখনও লাল সালোয়ারে এক্কেবারে পাশের বাড়ির মেয়ে— সৈকতে নিজের নানা মেজাজের ছবি দিয়ে নেটপাড়ার পারদ চড়াচ্ছেন সৌমিতৃষা কুণ্ডু। তৃণমূলের হয়ে রাজ্যের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্ত চষে ফেলার পর, রেজাল্ট বেরোনোর আগে নিজেকে খানিক ‘রিচার্জ’ করে নিচ্ছেন অভিনেত্রী।

প্রচারের সেই ‘মধুর’ স্মৃতি:
ভোটের লড়াই শেষ হলেও মানুষের ভালোবাসা এখনও টাটকা সৌমিতৃষার মনে। প্রচারের সেই দিনগুলোর কথা মনে করে তিনি আবেগপ্রবণ। সৌমিতৃষার কথায়, ‘এবারের প্রচারের কত যে মধুর স্মৃতি আছে! কোথাও নিজে আম পেড়েছি, কোথাও ছোট বাচ্চা থেকে বয়স্ক মানুষ ঘণ্টার পর ঘণ্টা আদর-ভালোবাসা নিয়ে দাঁড়িয়ে থেকেছেন।’ তবে সবচেয়ে বেশি যা সৌমিতৃষাকে ছুঁয়ে গিয়েছে, তা হলো মানুষের সম্প্রীতি। তাঁর মতে, ‘হিন্দু-মুসলিম বলে আলাদা কেউ নেই, সবাই এক হয়ে যে জনস্রোত আমায় উপহার দিলেন, তা ভোলার নয়। আমি কাকে নমস্কার করেছি আর কাকে সেলাম বা আদাব, যেন নিজেরই খেয়াল নেই— সবাই তো আমাদের নিজের লোক।’
সপরিবারে সমুদ্র বিলাস:
ব্যস্ত শিডিউল থেকে সময় বের করে এবার মা-বাবার সঙ্গে পাড়ি দিয়েছেন সমুদ্রের ধারে। সেখানে কেবল বিশ্রাম নয়, বরং জমিয়ে পোজ দিয়ে ছবিও তুলছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে, কখনও সমুদ্রের হাওয়ায় চুল ওড়াচ্ছেন সৌমিতৃষা, আবার কখনও মা-বাবার সঙ্গে ফ্রেমবন্দি হচ্ছেন। তাঁর ‘হট’ অ্যান্ড ‘বোল্ড’ লুক দেখে প্রশংসায় ভরিয়ে দিচ্ছেন অনুরাগীরা।
ফলাফলের অপেক্ষা:
রাজনীতির ময়দানে তাঁর প্রচার কতটা প্রভাব ফেলল, তা জানা যাবে আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই। তবে ভোটের রেজাল্ট নিয়ে আপাতত টেনশন না করে সৌমিতৃষা মজেছেন নীল জলের ঢেউয়ে। রাজনৈতিক উত্তাপ কাটিয়ে তাঁর এই সৈকত-বিলাস যেন আসন্ন ঝড়ের আগে এক প্রশান্তির মুহূর্ত।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


