Soumitrisha-Sayak: ‘আমার মতো মানুষকে ব্যবহার করে অনেক টাকা কামিয়েছে…’, সায়ককে একহাত নিলেন সৌমিতৃষা

সায়কের গো-মাংস বিতর্কে এবার নয়া মোড়। অভিনেতার এক সময়ের ভালো বন্ধু সৌমিতৃষা নাম না করেই ধুয়ে দিলেন সমাজ মাধ্য়ম প্রভাবীকে। কী বললেন মিঠাইরানি?

Published on: Feb 1, 2026, 09:30:21 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

টলিপাড়ার অভিনেতা তথা সমাজ মাধ্য়ম প্রভাবী সায়ক চক্রবর্তীর ‘বিফ স্টেক’ বিতর্ক এখন তুঙ্গে। পার্ক স্ট্রিটের এক বিখ্য়াত রেস্তোরাঁ এবং বারে গিয়ে মাটন স্টেকের বদলে গরুর মাংস স্টেক খাওয়ানো হয়েছে তাঁকে, এমন অভিযোগ তোলেন সায়ক। তাঁর ভিডিয়োতে নিজের ভুল স্বীকারও করে নিতে দেখা যায় ওয়েটারকে। সায়কের সেই অভিযোগ ঘিরে উত্তাল সমাজমাধ্যম। নিজের অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েও রেহাই পাননি রেস্তারাঁর ওই কর্মী। গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। এর জেরে সায়কের উপর ক্ষুব্ধ টলিপাড়ার একটা বড় অংশ।

‘আমার মতো মানুষকে ব্যবহার করে অনেক টাকা কামিয়েছে…’, সায়ককে একহাত নিলেন সৌমিতৃষা
‘আমার মতো মানুষকে ব্যবহার করে অনেক টাকা কামিয়েছে…’, সায়ককে একহাত নিলেন সৌমিতৃষা

তবে এই গোটা ঘটনাকে সাধারণ ‘বিতর্ক’ হিসেবে দেখতে নারাজ সায়কের এক সময়ের ‘ভালো বন্ধু’ অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুণ্ডু। তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ, সোশ্যাল মিডিয়ায় এনগেজমেন্ট বাড়ানো এবং অর্থ উপার্জনের নেশায় এক ‘নিরপরাধ ওয়েটার’-কে বলির পাঁঠা বানাচ্ছেন সায়কের মতো প্রভাবশালীরা।

সৌমিতৃষার বিস্ফোরক মন্তব্য: কালরাত্রি পরিচালক অয়ন চক্রবর্তী ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য করতে গিয়ে সৌমিতৃষা নিজের ক্ষোভ উগরে দেন। সায়কের নাম না নিলেও তাঁর ইঙ্গিত যে কার দিকে, তা বুঝতে অসুবিধা হয়নি কারোরই। সৌমিতৃষা লেখেন, ‘যখন কনটেন্টের রিচ এবং এনগেজমেন্ট বেড়ে যায়, তখন টাকাও আসে। আগে ওরা আমার মতো বা যাঁদের ভিডিও ভাইরাল হয় তাঁদের ব্যবহার করে অনেক টাকা কামিয়েছে। এখন রিচ পড়ে যাচ্ছে দেখে এইসব করতে শুরু করেছে।’

ওয়েটারকে ‘ফাঁসানোর’ অভিযোগ: সায়কের ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, তিনি রেস্তোরাঁর ওয়েটারের সঙ্গে তর্কে জড়িয়েছেন এবং শুধু তাই নয়, ওয়েটারের ধর্মীয় পরিচয় টেনেও তাঁকে বিঁধতে ছাড়েননি। এই বিষয়টিকে তীব্র আক্রমণ করে সৌমিতৃষা লেখেন, ‘একটা নিরপরাধ ওয়েটারকে ফাঁদে ফেলা? আমরা সত্যিই অন্ধকারের মধ্যে বাস করছি।’ স্রেফ প্রচারের আলোয় থাকার জন্য একজন সাধারণ কর্মীকে জনসমক্ষে অপদস্থ করাটা অত্যন্ত নীচ মানসিকতার পরিচয়, এমনই বিতর্ক উস্কে দিলেন সৌমিতৃষা।

বিস্ফোরক সৌমিতৃষা
বিস্ফোরক সৌমিতৃষা

বিতর্কের শুরুটা হয়েছিল অয়ন চক্রবর্তীর একটি পোস্ট থেকে। যেখানে তিনি ব্যঙ্গ করে লিখেছিলেন, ‘অলি পাবের বিফ স্টেক যে খাসি ভেবে খেয়ে নেয়, তার খাসি না খাওয়াই ভালো।’ সায়কের বিফ বনাম মাটন গুলিয়ে ফেলাকে কটাক্ষ করে তিনি আরও যোগ করেন, ‘প্রবাদ আছে যে কাক কাকের মাংস খায় না।’

সায়কের অবস্থান: অন্যদিকে সায়ক চক্রবর্তীর দাবি, তাঁকে ভুল খাবার পরিবেশন করা হয়েছিল এবং তিনি একজন সাধারণ উপভোক্তা হিসেবেই প্রতিবাদ করেছেন। তবে সৌমিতৃষার এই সরাসরি আক্রমণ এবং ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’দের নীতি নিয়ে তোলা প্রশ্ন এখন টলিপাড়ার অন্দরে নতুন বিতর্কের জন্ম দিল। এখানেই থামেননি সৌমিতৃষা। নাম না নিয়ে ডিজাইনার অভিষেক রায়ের ফেসবুক পোস্টেও কড়া জবাব দিলেন নায়িকা।

নিজের ডিজাইনার কালেকশনের মুখ হিসাবে সায়ককে বাছায় আফসোস জাহির করেন অভিষেক। সেই পোস্টের মন্তব্য বাক্স সৌমিতৃষা লেখেন, ‘আরে হয় হয় মানুষ চিনতে ভুল হয়… আমি বুঝতে পারিনি। কনটেন্ট দিলে ডাউন টু আর্থ বন্ধু, না দিলে অহংকারী’।

একটা সময় সায়কের ভ্লগে নিয়মিত দেখা যেত সৌমিতৃষাকে। মিঠাই চলাকালীন নায়িকার জনপ্রিয়তা ছিল তুঙ্গে, সেই সময়র পরই দুজনের বন্ধুত্বে চিড় ধরে। এরপর আকারে ইঙ্গিতে সৌমিতৃষাকে অংহকারী বলে তোপ দেগেছিলেন সায়ক ঘনিষ্ঠতা। এবার পালটা দিলেন নায়িকা।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More