Sourav-Suvosmita: শাশুড়ির গালে চুমু! হবু বর সৌরভ আর ননদকে নিয়ে পাহাড়ে ঘুরুঘুরু ঝাঁপি শুভস্মিতার
ইতিমধ্যেই হয়ে গিয়েছে সৌরভ ও শুভস্মিতার বাগদান। এবার দুজন মিলে পরিবারকে সাথে নিয়ে বৃষ্টিভেজা পাহাড়ে গিয়েছিলেন ঘুরতে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দিতেই ভালোবাসায় ভরাল নেটপাড়া। বিশেষ করে নজর কাড়ল শাশুড়ির সঙ্গে শুভস্মিতার মিষ্টি রসায়ন।
লক্ষ্মী ঝাঁপি ধারাবাহিকে কাজ করার সময় একে-অপরের প্রেমে পড়েন সৌরভ চক্রবর্তী ও শুভস্মিতা মুখোপাধ্যায়। এর আগে মধুমিতা সরকারের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল সৌরভের। যদিও সেই সম্পর্কের শেষটা মধুর হয়নি। বিয়ের বছর খানেকের মধ্যেই আলাদা হয়ে যান দুজনে। আর সৌরভের অতীত-বর্তমান সবটা নিয়েই ভালোবেসেছেন শুভস্মিতা। ইতিমধ্যেই সেরে ফেলেছেন তাঁরা বাগদান। শুধু তাই নয়, লক্ষ্মী ঝাঁপি ধারাবাহিকের কাজ শেষ হওয়ার পর যাবেন ছাদনাতলাতেও।

সৌরভ-শুভস্মিতার ছুটি ছুটি
এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ছুটি কাটানোর ছবি শেয়ার করে নিলেন শুভস্মিতা। ঝাঁপি-কে দেখা গেল শ্বশুরবাড়ির পরিবারের সঙ্গে। পাহাড়ে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন সপরিবারে। শাশুড়ি, ননদ আর হবু বরকে নিয়েই ছুটি ছুটি।
একাধিক ছবি দিয়েছেন শুভস্মিতা সোশ্যাল মিডিয়াতে। যার মধ্যে একটি ফোটোতে হবু শাশুড়িকে আদরে ভরাতে দেখা গেল শুভস্মিতাকে। চুমু খাচ্ছেন সৌরভের মাকে। আবার একটা ছবিতে সৌরভের গায়ে প্রজাপতি বসতেও দেখা গেল। অর্থাৎ বিয়েটা শুভস্য শ্রীঘ্রম।
হয়ে গিয়েছে সৌরভ ও শুভস্মিতার বাগদান
প্রথমদিকে সম্পর্ক নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন সৌরভ ও শুভস্মিতা। সমাজমাধ্যমে নিজেদের ছবি দিয়ে সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছিলেন সুখবর। বাগদানের অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী সাজে ধরা দেন দু’জনেই। লাল শাড়ি, সোনার গয়না ও ফুলে সাজানো খোঁপায় অনবদ্য লাগছিল শুভস্মিতাকে। অন্যদিকে অফ-হোয়াইট ও লাল রঙের পাঞ্জাবি পরেছিলেন সেদিন সৌরভ।
কবে বিয়ে করবেন সৌরভ-শুভস্মিতা?
এরপর বিয়েটা কবে করছেন প্রশ্নে তাঁদের জবাব ছিল, ‘বিয়ের তারিখ আসলে ঠিক করিনি। আমাদের আশীর্বাদ, বাগদান হয়েছে ঠিকই। কিন্তু বিয়ের ডেট ফাইনাল হয়নি এখনও। আসলে ধারাবাহিকের এত চাপের মধ্যে বিয়ে করতে চাইছি না আমরা। দুজনেই চাই ধারাবাহিক শেষ হলে বিয়ে করব। যদি এই বছরের মধ্যেই গুটিয়ে নেয়, তাহলে পরের বছর বিয়ে করব।’
সৌরভের প্রাক্তন সম্পর্ক নিয়ে কী বলেছিলেন শুভস্মিতা?
সৌরভ চক্রবর্তী দীর্ঘদিন ধরেই বাংলা বিনোদন জগতের পরিচিত মুখ। অভিনয়ের পাশাপাশি, পরিচালনা চিত্রনাট্য রচনাতেও ছাপ ফেলেছেন। সঙ্গে সৌরভ খুব ভালো কবিতা লেখেন। ‘বধু কোন আলো লাগলো চোখে’ ধারাবাহিক থেকে শুরু হয়েছিল অভিনয়ের যাত্রা। মধুমিতার সঙ্গে ডিভোর্সের পরেও, দুপক্ষের কেউই পুরনো সম্পর্ক নিয়ে কোনো কাদা ছোঁড়াছুড়ির মধ্যে যাননি।
বর্তমানের প্রাক্তন সম্পর্ক নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছিলেন শুভস্মিতা। বলেছিলেন, সৌরভের অতীতের সম্পর্ক বা বিবাহ বিচ্ছেদের বিষয়টি নিয়ে তাঁর মনে কোনো দ্বিধা নেই। বরং, তিনি মনে করেন এই অতীত অভিজ্ঞতাই সৌরভকে আজকের পরিণত মানুষটি হিসেবে গড়ে তুলেছে।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


