Sourav-Dona: ‘ছোট্ট সুন্দর বাচ্চা একটা ছেলে…’! বারান্দায় বসে সৌরভকে দেখতেন ডোনা, কোন রেস্তোরাঁয় হয়েছিল প্রথম ডেট?
সৌরভ ও ডোনার প্রেম-বিয়ে কোনো সিনেমার গল্পকেও হার মানাতে পারে। ছোটবেলা থেকেই তৈরি হয়েছিল একে-অপরের প্রতি ভালোলাগা। বারান্দায় বসে বসেই পাশের বাড়ির ছেলেকে দেখতেন।
ক্রিকেট আর বিনোদন জগতের আঁতাত নতুন কিছু নয়। তা সে মনসুর আলি খান পতৌদির সঙ্গে শর্মিলা ঠাকুরের বৈবাহিক জীবন হোক, বা বর্তমান সময়ের বিরাট-অনুষ্কা, কেএল রাহুল-আথিয়া শেট্টি। আমাদের বাংলাতেও কিন্তু আছে এমন জুটি, সৌরভ ও ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়। যদিও ডোনা অভিনেত্রী নন, নৃত্যশিল্পী। তবুও তিন বিনোদন জগতের অংশ তো বটেই!

সৌরভ ও ডোনার প্রেম-বিয়ে কোনো সিনেমার গল্পকেও হার মানাতে পারে। ছোটবেলা থেকেই তৈরি হয়েছিল একে-অপরের প্রতি ভালোলাগা। ডোনা এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, ‘একদম পাশের বাড়ি তো। তখন থেকেই আলাদ। দেখতাম ছোট্ট সুন্দর বাচ্চা একটা ছেলে ক্রিকেট খেলছে। আমি বারান্দায় এসে ওকে দেখতাম। ছোটবেলা থেকে ভালোলাগা ছিল। একটু একটু কথা হত। ওই পর্যন্তই। ওই যখন থেকে হয় না, এবার একটা বয়ফ্রেন্ড থাকলে হয়। তখন থেকে হয়তো প্রেমটা শুরু হয়েছিল। কোনও বন্ধু হয়তো বলেছিল, ভালোলাগে যখন গিয়ে বল…’
লুকিয়ে প্রেমপত্র লেখার কথাও জানিয়েছিলেন ডোনা। জানালেন গব্বর নামে সৌরভের এক ভাইয়ের হাত দিয়ে হত প্রেমপত্র চালাচালি। প্রথমবার একসঙ্গে কোথাও যাওয়ার স্মৃতিচারণ করে ডোনা বললেন, ‘প্রথম দেখা আমার মনে আছে আমাকে গাড়িতে তুলে টিউশনে ড্রপ করে দিয়েছিল। আমি ঠিকানাটা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। চেতলায় ছিল ওটা। আর দুজনে খেতে গিয়েছিলাম চাইনিজ রেস্তোরাঁ ম্যান্ডারিনে। তখন ক্লাস ১১-১২-এ পড়ি।’
আরও পড়ুন: ‘ওরকম মিষ্টি ২টো সন্তান…’! সইফ-অমৃতার ডিভোর্সের সময় ঠিক কী হয়, জবাব শর্মিলার
বাড়িতে লুকিয়ে বিয়ে করেছিলেন সৌরভ ও ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়। দুই বাড়িতে সেইসময় একটি সমস্যা চলছিল বলেও জানিয়েছিলেন ডোনা এক সাক্ষাৎকারে। বলেছিলেন, ‘বাড়ি থেকে অমত থাকার কারণ ছিল, আমাদের দুই পরিবারের যে ব্যবসাটা ওটা আমাদের দাদুরা শুরু করেছিল। আর দাদুদের মধ্যে কিছু মতভেদ ছিল। এছাড়া দাদারা (সৌরভ) ব্রাহ্মণ, আমরা নেই। কিছু সমস্যা ছিল। তবে দাদার (সৌরভ) বাবার সাপোর্ট ছিল। বলেছিল, তুমি ভালো করে খেল, আমি দেখছি। তারপর সব ঠিক হয়ে যায়।’
এপর লুকিয়ে রেজিস্ট্রি। তারপরেরদিনই খেলতে চলে যান সৌরভ দেশের বাইরে। তবে জানাজানি হয়ে যায় সব। এরপর সবাই সবটা মেনে নেয় অবশ্য। দুই পরিবার ঘটা করে সামাজিক বিয়েও দেয় দুই তারকার।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


