‘ডোনা খুব চুপচাপ…’! মা-বউ না মেয়ে সানা, সৌরভের উপর কোন নারীর প্রভাব সবচেয়ে বেশি?
সম্প্রতি টাফ টক উইথ ঋতব্রত-তে এসে সৌরভ ফাঁস করলেন, বরাবরই তাঁর পোশাক-আশাকে কড়া নজর থাকে মা নিরূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের। মা, বউ নাকি মেয়ে, কে বেশি প্রভাব খাটায় মহারাজের উপরে।
বাঙালির কাছে বরাবরই বিশেষ ভালোবাসার মানুষ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তবে দাদা কিন্তু শুধু খেলা দিয়েই দর্শকের মন জয় করেননি, বরং তাঁর পার্সোনালিটি থেকে শুরু করে স্টাইলিং, সবেতেই মুগ্ধ তাঁর ভক্তরা। সম্প্রতি টাফ টক উইথ ঋতব্রত-তে এসে সৌরভ ফাঁস করলেন, বরাবরই তাঁর পোশাক-আশাকে কড়া নজর থাকে মা নিরূপা গঙ্গোপাধ্যায়ের।

সৌরভ বলেন, ‘মায়ের একটা অ্যামেজিং টেন্ডেসি আছে, আমি যেটা বের করি সেটা মায়ের পছন্দ হয় না। তাই এখন আমি যেটা পরতে চাই, সেটা বের করি না। ওটা সামনেই থাকে, তারপর মায়ের পছন্দ হয়, ওটাই পরি। কারণ আমি যা বার করব, মা বলবে ‘এটা ভালো না। তোর বাবা এর থেকে অনেক ভালো জামাকাপড় পড়ত'।’ যদিও সৌরভ জানালেন, এসব বিষয়ে ডোনার সেভাবে কখনোই কোনো বক্তব্য নেই। তবে সানা বাবাকে পরামর্শ দেওয়ার সুযোগ ছাড়েন না।
তাহলে মা, না বউ, নাকি মেয়ে, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের জীবনে কোন নারীর প্রভাব সবচেয়ে বেশি? এর উত্তরে সৌরভ বললেন, ‘সানা। ডোনা খুব চুপচাপ মানুষ। খুব সিম্পল মানুষ। পাশে থাকবে, কেউ বুঝতেও পারবে না। সানা-র ২৪ বছর, খুব ওপিনিয়েটেড। বলতেই থাকে, এটা ঠিক, এটা ভুল, এটা করা উচিত না। আর জানে তো ওর বাবা পাবলিক পার্সন, তাই আরও কেয়ারফুল থাকে, 'এটা করবে না, কে কী বলে দেবে। এই দেখো তোমার নামে বলছে, তুমি এসব করো কেন'। আমি ওকে বুঝিয়েই উঠতে পারি না, অর্ধেক জিনিস আমি করিই না, যা আমার নামে চলে।’
সৌরভ ও ডোনা বেহালার একই পাড়ায় পাশাপাশি বাড়ির বাসিন্দা ছিলেন। গাঙ্গুলি ও রায় পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক তখন খুব একটা ভালো ছিল না। তবে প্রতিবেশীর মেয়ের প্রেমে পড়ে যান সৌরভ। ১৯৯৬ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে ঐতিহাসিক টেস্ট অভিষেকের পর দেশে ফিরে সৌরভ ও ডোনা গোপনে আইনি বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন। ১৯৯৬ সালের ১২ আগস্ট পরিবারের অজান্তে তাঁরা রেজিস্ট্রি বিয়ে করেন। এরপরই সৌরভ শ্রীলঙ্কা সফরে চলে যান। ভেবেছিলেন ব্যাপারটা গোপনই থাকবে। কিন্তু তা হয়নি। এরপর ১৯৯৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি জাঁকজমকপূর্ণভাবে এবং সমস্ত সামাজিক রীতি মেনে দুই পরিবারের আশীর্বাদে তাঁদের আনুষ্ঠানিক বিয়ে হয়। ২০০১ সালে সৌরভ ও ডোনার কোল আলো করে তাঁদের একমাত্র কন্যা সানা গঙ্গোপাধ্যায়।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


