‘বাবা রোজ সকাল ৮টায় মাংস-ভাত খাইয়ে স্কুলে পাঠাত’, বললেন সৌরভ! এতেও হলেন ট্রোল

সম্প্রতি সৌরভের একটি ভিডিয়ো ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে তাঁকে স্মৃতিচারণ করতে দেখা যায়, কীভাবে স্কুলে যাওয়ার আগে বাবা চণ্ডীদাস গঙ্গোপাধ্যায় নিজের হাতে মাংস দিয়ে ভাত মাখিয়ে খাইয়ে দিতেন তাঁকে। 

Published on: Aug 13, 2026, 12:34:51 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

ভারতীয় ক্রিকেটের ইতিহাসের অন্যতম সফল অধিনায়ক এবং সর্বকালের সেরা ওয়ানডে (ODI) ব্যাটসম্যানদের মধ্যে অন্যতম হলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। আর বাঙালির কাছে তিনি শুধু গর্ব নয়, ভালোবাসার জায়গা। এখনো বাংলার প্রতিটা ঘরের ছেলে তিনি। একসময় যাঁর হাতে ব্যাট উঠলেই, প্রার্থনা হত গোটা ঘরে ঘরে। দাদার সেঞ্চুরি মানেই তা গোটা বাংলার সেলিব্রেশন।

বাবা চণ্ডীদাস গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।
বাবা চণ্ডীদাস গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।

তবে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের এই সাফল্যের পিছনে তাঁর পরিবার বিশেষ করে বাবা চণ্ডীদাস গঙ্গোপাধ্যায়ের বিশেষ অবদান রয়েছে। সৌরভকে ১৪ বছর বয়সে ভর্তি করেন পেশাদার ক্রিকেটের প্রশিক্ষণে। সৌরভের ক্রিকেট প্রতিভাকে শাণিত করতে ও উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য তিনি তাকে কোচ দেবু মিত্রের অধীনে ইংল্যান্ডেও পাঠিয়েছিলেন। এমনকী দুই ছেলের অনুশীলনের যাতে সুবিধা হয় তাই বেহালার বাড়িতে তৈরি করেছিলেন ইনডোর মাল্টি-জিম ও ক্রিকেট পিচ। যেহেতু তিনি Cricket Association of Bengal (CAB)-এর বিভিন্ন পদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাই সৌরভও ছোটবেলা থেকে ক্রিকেটের পরিবেশের সঙ্গে বেশ পরিচিত ছিলেন।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে এসে মহারাজ জানালেন কীভাবে রোজ স্কুলে যাওয়ার আগে বাবা ভাত মেখে খাইয়ে দিতেন তাঁকে। সৌরভ বলেন, ‘সকালবেলা আটটায় স্কুলে যেতাম। আমার বাবা আমাকে নিজের হাতে লেবু দিয়ে মাংস দিয়ে ভাত মেখে খাইয়ে স্কুলে পাঠাতেন। নিজের হাতে খাইয়ে দিতেন। সকালে বেরিয়ে যেতাম, বিকেল ৫টায় আসতাম। সকাল ৮টার সময় মাংস দিয়ে ভাত খাওয়াতেন, যাতে সারাদিন পেট ভরা থাকে। একদম আলাদা একটা প্রজন্ম আসলে।’

সৌরভ জানালেন তাঁদের বাড়ির রীতি অনুসারে সকালবেলাটা তাঁর মা নিরূপা গঙ্গোপাধ্যায় থাকতেন ঠাকুরঘরে। সঙ্গে তাঁর ৫ কাকিমা। তাই ছেলেকে যত্ন করে খাওয়ানোর দায়িত্ব ছিল বাবারই।

সৌরভের এই ভিডিয়োতে একজন মন্তব্য করলেন, ‘আমাকেও বাবা সকাল ৮ টায় ভাত মেখে খাইয়ে অফিস যেত। ওই জেনারেশানটা এরকমই ছিল, সত্যি কথা।’ আরেকজন ট্রোল করা চেষ্টা করে লেখেন, ‘বাবা কত বড়লোক যে রোজ মাংস হত! তাও সকাল ৮টায়।’ এতে এক সৌরভ-অনুরাগী মন্তব্য করেছেন, ‘উনি দাদাগিরিতেও একবার এই একই কথা স্মৃতিচারণ করেছিলেন, বারবার নিশ্চয়ই কেউ মিথ্যে কথা বলবে না!’ আরেকজন আবার মন্তব্য করলেন, ‘বাবারা বোধহয় এরকমই হন’!

কাজের সূত্রে, খুব জলদিই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় টিভির পর্দায় ফিরছেন একদম নতুন ভাবে। স্টার জলসায় আসছে বাংলা বিগ বস। যা সঞ্চালনা করবেন তিনি।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More