দর্শক বলছে ‘বিগ জিরো’! বিগ বস বাংলার সঞ্চালনা নিয়ে সৌরভের বক্তব্য, ‘নতুন তো…’
বিগ বস বাংলার সঞ্চালক হিসেবে দর্শক মনে দাগ কাটতে ব্যর্থ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। নেটপাড়ায় তাঁর সমালোচনা করে চলছে লেখালিখি। এরই মাঝে সৌরভকে সংবাদমাধ্যমের তরফে প্রশ্ন করা হয়, এই নতুন দায়িত্ব কতটা উপভোগ করছেন। কী জবাব এল?
আপাতত সোশ্যাল মিডিয়ার হট টপিক বিগ বস বাংলা। বিশেষ করে নিন্দিনী ক্ঠাপ্টেন্সি টাস্কের সময় ঘোড়া থেকে ফেলে দেওয়ার পর, সৃজলা চোট পাওয়ায়। নেটপাড়ার বড় একটা অংশ নন্দিনীর উপর রীতিমতো ক্রুদ্ধ। এদিকে অনেকেরই আবার ক্ষোভ গিয়ে পড়ছে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপরে। তাঁদের মত, সঞ্চালনায় সলমন খানের নখের ‘যোগ্য নন’ দাদা। শুধু তাই নয়, নিজের মতামত স্পষ্টভাবে তুলে ধরতেও ব্যর্থ। অনেকের দাবি, টেলিপ্রম্পটার দেখে মুখস্তের মতো কথা বলে চলেন সৌরভ। এই কারণে বাংলার তারকাদের ‘পুকুরের মাছ’ বলার পরেও সগর্বে বুক ফুলিয়ে ঘুরতে পারে রাজবীর।

শহরের এক ইভেন্টে মিডিয়ার মুখোমুখি সৌরভ। সেখানে তাঁর কাছে প্রশ্ন রাখা হয়েছিল বিগ বসের সঞ্চালনা করতে কেমন লাগছে তাঁর। আর তাতে দাদা জবাব দেন, ‘তোমরা দেখছ, তোমরা বলবে, আমি কী বলব এখানে।’ তবে সৌরভ জানান যে, তিনি নতুন পাওয়া এই দায়িত্ব বেশ উপভোগ করছেন। বলেন, ‘আমি বেশ উপভগ করছি। নতুন তো। ভালোই লাগছে।’
বিগ বসের ঘরে প্রতিযোগী হিসেবে রয়েছেন বর্তমানে জীতু, মনামী, ভরত, রাজবীর, নন্দিনী, সৃজলা, সোনামণি, নিরঞ্জন, দুর্নিবার, তনুশ্রী, ঝিলম, দীপেন্দু ও সোহিনী পাল। বৃহস্পতিবার দেখা যায়, প্রতিযোগীদের গা ছাড় ভাব ও বেশিরভাগ সময় ঘুমিয়ে-বিশ্রাম নিয়ে কাটানোর জন্য বিগ বস লাক্সারি বাজেট টাস্কটিকে রদ করে দেন। খেলা চলাকালীন মনামী, রাজবীর ও নন্দিনী বারংবার সকলকে অনুরোধ করেছিলেন, খেলাটি চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য, কিন্তু কিছুতেই রাজি করানো যায়নি ঘরে থাকা বাকি সদস্যদের। এমনকী, এর আগে বিগ বস এই দিনের বেলা ঘুমনো, নিয়ম না মানার কারণে ঘরের প্রতিটা সদস্যকে নমিনেট করলেও হুঁশ ফেরেনি কারও।
আসলে বিগ বস বললেই প্রথমে যে নাম সবার মনে আসে তা হল সলমন খান। কখনো প্রতিযোগীকে ধমকাচ্ছেন দাবাং আন্দাজে, কালার্সকে বলছেন কোনো প্রতিযোগীকে কাজ কখনো কাজ দিলে, তিনি চ্য়ানেলের সঙ্গে আর কাজ করবেন না, হাসছেন-কাঁদছেন, নিজে ঢুকে বিগ বসের ঘড় ঝাড়ু পর্যন্ত দিয়েছেন। হিন্দি বিগ বসে উইকেন্ড কা ওয়ারে সলমনের কাছে বকা খাওয়ার ভয়ে রীতিমতো কাঁটা হয়ে থাকে প্রতিযোগীরা। সেখানে সৌরভ অনেক শান্ত। গলা উঁচু করা তো দূর. নিজের বক্তব্যকে স্পষ্ট করে তুলে ধরতেও ব্যর্থ। তাই ঘরে পা দিয়ে, স্বয়ং হোস্টকে চ্যালেঞ্চ ছুঁড়েছিলেন জীতু কমল। সৌরভের সঙ্গে কথা বলতে বলতেই রাজবীর চেয়ারের হাতলে সজোরে চাপড় মেরেছিল। তখনও সেভাবে আসেনি কোনো প্রতিক্রিয়া। এখন গোটা বাংলা তাকিয়ে, শনিবারের এপিসোডে সৃজলা-নন্দিনীর ঘটনায় কী পদক্ষেপ নেন সৌরভ তা দেখতে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


