Parnali-Anik: 'সুবিধাবাদী,পরজীবী,অনীকদার নাম ভাঙিয়ে সেলেব হওয়ার চেষ্টা'! পর্ণালীকে বেনজির আক্রমণ শ্রীলেখা-পরমার

অনীক দত্তকে ব্যবহার করে ছুড়ে ফেলেছেন! তাঁর নাম ভাঙিয়ে ফের সেলেব হওয়ার চেষ্টায় পর্ণালী। এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ শ্রীলেখা মিত্রর। কী ঘটেছে?

Published on: May 30, 2026, 18:56:05 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

পরিচালক অনীক দত্তর প্রয়াণের পর টলিপাড়ার জল যে ক্রমশ ঘোলা হচ্ছে, তা আরও একবার প্রমাণিত হলো। এবার প্রয়াত পরিচালকের এক বান্ধবী তথা পেশায় বিজ্ঞানী পর্ণালী ধর চৌধুরীর স্মৃতিচারণ এবং অনীক দত্তকে নিয়ে বই লেখার ইচ্ছাপ্রকাশকে কেন্দ্র করে বেঁধে গেল তুমুল বিতর্ক। পর্ণালীর এই উদ্যোগকে স্রেফ ন্যাকামো, ফেক এবং সুবিধাবাদ বলে তোপ দাগলেন গায়িকা পরমা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিশিষ্ট অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। সোশ্যালে পরমার একটি বিস্ফোরক পোস্ট শেয়ার করে পর্ণালীকে পরজীবী বলে বেনজির আক্রমণ শানালেন শ্রীলেখা।

'পরজীবী,অনীকদার নাম ভাঙিয়ে সেলেব হওয়ার চেষ্টা'! পর্ণালীকে আক্রমণ শ্রীলেখা-পরমার
'পরজীবী,অনীকদার নাম ভাঙিয়ে সেলেব হওয়ার চেষ্টা'! পর্ণালীকে আক্রমণ শ্রীলেখা-পরমার

অনীকদাকে ভাঙিয়ে সেলেব হওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা!

বিতর্কের সূত্রপাত একটি খবরকে কেন্দ্র করে, যেখানে অনীক দত্তর স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তাঁর বন্ধু পর্ণালী ধর চৌধুরী জানিয়েছিলেন যে তিনি অনীকদাকে নিয়ে একটি বই লিখবেন। এই খবরটি নজরে আসতেই নিজের ফেসবুকের দেওয়ালে ক্ষোভ উগরে দেন গায়িকা পরমা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরমা স্পষ্ট ভাষায় লেখেন, ‘ন্যাকামি এবং ফেক। আপাদমস্তক। সবাই এটাই মনে করলেও মুখে কথাটা ব্লান্টলি বলে খারাপ হব একমাত্র আমি। তাতে আমার কিচ্ছু এসে যায় না। কারণ অনীকদা চলে গেলেন। উনি এখন অনীকদাকে আরও খানিকটা ভাঙিয়ে যতটুকু সেলেব হওয়া যায় তার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। আর মুখ খুললাম না।’

প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে ব্লক করেছিলেন! বিস্ফোরক শ্রীলেখা

পরমার এই পোস্টটি আর এড়িয়ে যেতে পারেননি অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। সেটি নিজের ওয়ালে শেয়ার করে পর্ণালীর বিরুদ্ধে আরও মারাত্মক সব অভিযোগ আনেন তিনি। শ্রীলেখা লেখেন, ‘চোখে পড়েছিল আগেই আর ইগনোর করতে পারলাম না। পরমা ঠিক লিখেছেন। এই সায়েন্টিস্ট নাকি যেন মহিলা অনীকদার শেষ জীবনে বন্ধু ভাব দেখিয়ে সেলিব্রিটি কন্ট্যাক্টস বানিয়ে এখন নাকি অনীকদার ওপর বই লিখবেন!’

পর্ণালীকে সরাসরি আক্রমণ করে শ্রীলেখা আরও যোগ করেন, ‘পর্ণালী, আপনি অনীকদার সাথে ঘুরে কন্ট্যাক্টস বানিয়েছেন তারপর প্রয়োজন ফুরিয়ে গেলে তাঁকে ব্লক করেছিলেন, সেটা আমরা অনেকেই জানি। আজ ওনার প্রতি দরদ উথলে উঠল? আপনিও ওনার মানসিক ক্ষতি করেছেন, তার দায় নিন। তাছাড়া আপনি কী জানেন ওনার ব্যাপারে যে আপনি ওনার বায়োগ্রাফি লিখবেন?’

আমাদের জীবনে এরা আসলে পরজীবী

টলিপাড়ার ভেতরে কাজের সুযোগ বা চেনা পরিচিতি বাড়ানোর জন্য অনেকেই যে তারকাদের ব্যবহার করেন, সেই তেতো সত্যটাও উগরে দিয়েছেন শ্রীলেখা। তাঁর কথায়, এরকম অনেকেই আসে আমাদের জীবনে যারা আমাদের সিঁড়ি হিসেবে ব্যবহার করেন, কন্ট্যাক্টস, সুযোগ সুবিধে নেওয়ার জন্য। এক প্রকার পরজীবী বা প্যারাসাইটস।

পোস্টের শেষে অনীক দত্তর প্রাক্তন স্ত্রী সন্ধি অর্থাৎ টুটুলদির পাশে দাঁড়িয়েছেন শ্রীলেখা। নীতিপুলিশদের উদ্দেশ্যে তাঁর কড়া বার্তা, টুটুলদিকে না জেনে ট্রোল করা বন্ধ করুন। অনীকদার মতো একটা বড় বাচ্চাকে সামলেছিলেন বলেই অনীকদা কাজ করতে পেরেছিলেন। সব মিলিয়ে, অনীক দত্তর মৃত্যুর পর শোকপ্রকাশের আড়ালে টলিপাড়ার যে এক অন্য নোংরা লড়াই ও স্বার্থের সমীকরণ লুকিয়ে ছিল, পরমা ও শ্রীলেখার এই যৌথ আক্রমণ যেন সেটাই প্রকাশ্যে এনে দিল।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More