‘কুণালবাবুকে কেক খাইয়েছি বলে…’, তৃণমূল বিধায়কের সঙ্গে হাসিমুখে জন্মদিন পালন, ট্রোলিং নিয়ে কড়া জবাব বামমনস্ক শ্রীলেখার

কুণাল ঘোষকে কেক খাওয়ানো মানেই দল পরিবর্তন করা নয়। তিনি স্পষ্ট জানান, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য নন, কেবল একটি বামপন্থী আদর্শকে সমর্থন করেন।

Published on: Sep 2, 2026, 13:00:41 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

সম্প্রতি নিজের জন্মদিনে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষকে কেক খাইয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র ট্রোলিং ও আক্রমণের মুখে পড়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। কুণাল ঘোষ ও শ্রীলেখা দুজনেই পশুপ্রেমী, তাই রাজনৈতিক বিভেদ ভুলে অবলাদের স্বার্থে পথপশুদের একটি বিশেষ ক্যাম্পে একসঙ্গে হাজির হয়েছিলেন তাঁরা। তবে সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই শ্রীলেখার রাজনৈতিক অবস্থান ও দলবদল নিয়ে নেটিজেনদের একাংশ কটাক্ষ করতে শুরু করেন। অবশেষে সেইসব জল্পনা ও ট্রোলিংয়ের কড়া জবাব দিলেন অভিনেত্রী।

'কেক খাইয়েছি বলে…’,TMC বিধায়ক কুণাল ঘোষের সাথে জন্মদিন পালন,পালটা জবাব শ্রীলেখার
'কেক খাইয়েছি বলে…’,TMC বিধায়ক কুণাল ঘোষের সাথে জন্মদিন পালন,পালটা জবাব শ্রীলেখার

ট্রোলিংয়ের জবাবে শ্রীলেখা মিত্রের স্পষ্ট বক্তব্য: কুণাল ঘোষকে কেক খাওয়ানো মানেই দল পরিবর্তন করা নয়। তিনি স্পষ্ট জানান, তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সদস্য নন, কেবল একটি বামপন্থী আদর্শকে সমর্থন করেন। আর সেই আদর্শ মেনে চলেন বলেই গলবস্ত্র হয়ে কখনো সরকারি সুবিধা বা অনুদান নেননি।

শ্রীলেখা জোর গলায় জানান, গত ১৫ বছরে তিনি শাসকদলের কারও কাছ থেকে কোনো ব্যক্তিগত সুবিধা বা সাহায্য নেননি। উল্টে সরকারের বিভিন্ন নীতির প্রকাশ্যে বিরোধিতা করার মাশুল হিসেবে তাঁর কাজের সংখ্যা কমেছে।

গত ৩০শে অগস্ট কুণাল ঘোষও শ্রীলেখাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছিলেন, ‘আজ ওঁর (শ্রীলেখা মিত্র) জন্মদিনও বটে। সবাই মিলে কেক কাটা হল। রাজনীতির মতামত আলাদা। কিন্তু পশুপ্রেমে একমত থাকাই ভালো।’

অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা:

বর্তমান বা ভবিষ্যৎ—কোনো সরকারের কাছেই তিনি সাহায্য চাননি এবং চাইবেনও না। নিজের কষ্টার্জিত অর্থ দিয়েই তিনি ও তাঁর পোষ্যরা মাথা উঁচু করে বাঁচবেন।চারপেয়ে পথশিশুদের কল্যাণে কুণাল ঘোষসহ যাঁরা এগিয়ে এসেছেন এবং সহযোগিতা করেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান অভিনেত্রী।

পশুপ্রেমই অগ্রাধিকার:

শ্রীলেখার কাছে এই পথপশুরা সন্তানসম। ওদের ভালোর জন্য প্রয়োজনে তিনি অতীতে তাঁকে কটু কথা বলা মানুষদের কাছেও সাহায্য চাইতে দ্বিধা করবেন না, এতে তাঁর কোনো ‘ইগো’ বা অহংকার ছোট হয় না। সবশেষে ট্রোলারদের উদ্দেশ্যে অভিনেত্রী বার্তা দেন— এসব অহেতুক বিতর্ক বাদ দিয়ে সম্ভব হলে সবাই যেন অন্তত দুটো ‘পার্লে-জি’ বিস্কুট কিনে রাস্তার পথপশুদের খাইয়ে দেন।

  • Priyanka Mukherjee
    ABOUT THE AUTHOR
    Priyanka Mukherjee

    প্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More