‘দয়া করে ওরকম ছবি তুলবেন না, রাহুলের বাচ্চা আছে, মা আছে…’! কাতর অনুরোধ শ্রীলেখার

শ্যুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে প্রয়াত হন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর এই খবর প্রকাশ্যে আসার কিছুক্ষণ পরই তাঁর মরদেহের ছবি সামনে আসে। আর তা স্যোশাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাবে শেয়ার হতে থাকে। এবার তা নিয়ে প্রতিবাদ জানালেন শ্রীলেখা মিত্র

Published on: Mar 30, 2026, 20:00:55 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
  • whatsapp
Copy link
  • copy link

শ্যুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে প্রয়াত হন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর এই খবর প্রকাশ্যে আসার কিছুক্ষণ পরই তাঁর মরদেহের ছবি সামনে আসে। আর তা স্যোশাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাবে শেয়ার হতে থাকে। এই নিয়ে অনেকেই প্রতিবাদ করেছিলেন। নায়কের পরিবার ও সন্তানের কথা মাথায় রেখে এমন ছবি পোস্ট করা থেকে বিরত থাকতেও অনুরোধ করেছিলেন টলিপাড়ার কলাকুশলীরা। কিন্তু সে কথা আর শোনে কে!

‘দয়া করে ওরকম ছবি তুলবেন না, রাহুলের বাচ্চা আছে, মা আছে…’! কাতর অনুরোধ শ্রীলেখার
‘দয়া করে ওরকম ছবি তুলবেন না, রাহুলের বাচ্চা আছে, মা আছে…’! কাতর অনুরোধ শ্রীলেখার

কিন্তু নায়কের দেহ কলকাতায় আনা হলে সেখানেও দেখা যায় একই চিত্র। মোবাইল আর ক্যামেরার ভিড়। আর তা দেখে ছবি না তোলার জন্য অনুরোধ করেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। প্রতিভাবান এক একজন অভিনেতা, লেখক তথা স্পষ্টবক্তার মাত্র ৪২-এ মৃত্যু, টলিপাড়ার জন্যও প্রবল শোকের। সেই শোকে বিহ্বল অভিনেত্রী শ্রীলেখাও। তারপর এই মরদেহের ছবি তোলা, সবটা নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

যে শববাহী গাড়িতে রাহুল ছিলেন, সেই গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েছেন শ্রীলেখা। আর তার মাঝেই তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘দয়া করে ওরকম ছবি তুলবেন না। ওঁর একটা বাচ্চা আছে, মা আছে, এরকম করবেন না। একটু প্রাইভেসি দিন।’ তারপর রীতিমতো গাড়ির কাঁচে হাত দিয়ে রাহুলের মুখ ঢাকবার চেষ্টা করতে থাকেন অভিনেত্রী।

তবে কেবল নায়কের মরদেহ ছবি শেয়ারই নয়। তাঁর মৃত্যুর পরও একশ্রেণীর মানুষ তাঁকে রাজনীতি টেনে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি। একজন রাহুলের রামনবমী নিয়ে মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে লেখেন, ‘২২ জানুয়ারি ২০২৪ রাম জন্মভূমি উদ্বোধন দীর্ঘ ৫০০ বছরের লড়াই এর পর হিন্দুদের অধিকার ফিরে পাবার দিন। এই বামপন্থী ’আমরা হেরে গেলাম' বলে ফ্রাস্ট্রেশন এর পোস্ট করেছিল। বাল্মীকি নিয়েও কীসব লিখেছিল। দুর্ঘটনাবশত দু'একটা কাজ দেখে ফেলেছিলাম খুব বিরক্ত লেগেছিল যাই হোক। শুনলাম ‘ভোলে বাবা পার কারেগা’ বলে কিছু একটা শ্যুটিং করতে গিয়েছিল। বাবা পার করে দিয়েছে।'

আর একজন লেখেন, ‘মারা গেলেই সবাই মহান হয়ে যায় না। কর্মফল ভুগতে হয়।’ আর একজন লেখেন, ‘একেই ভোটের আকাল। তাঁর উপর তালসারিতে একটা ভোট তলিয়ে গেল মাকুদের।’ আর একজন লেখেন, ‘জয় শ্রীরাম ভগবান আছেন তাহলে।’ আর একজন লেখেন, ‘এত মুসলিম তোষন করেও তোর শেষ রক্ষ হলো না। বাবা বাবা-ই হয়, পাশের বাড়ির চাচা বাবা হয় না।’