ছাড়তে হবে ধূমপান! বহু চেষ্টা ব্যর্থ, এবার কোন টোটকা হাতিয়ার করলেন শ্রীলেখা?

এর আগেও শ্রীলেখা মিত্রের মুখে শোনা গিয়েছে ধূমপান ছাড়ার কথা। এবারে সুখটানের অভ্যাস ছাড়তে হাতিয়ার করেছেন পান-সুপারিকে। দেখার, চেষ্টা কতটা সার্থক হয়।

Published on: Oct 24, 2026, 13:20:40 IST
Share
Share via
  • facebook
  • twitter
  • linkedin
Copy link
  • copy link

শ্রীলেখা মিত্রকে সোশ্যাল মিডিয়া সেনসেশন বললেও কিছু ভুল হয় না। একসময়ের ডাকসাইটে সুন্দরী অভিনেত্রীর কাজ অবশ্য অনেকখানিই কমেছে। যার পিছনে অনেকেই দাবি করে থাকেন টলিপাড়ার স্বজনপোষণ ও ব্যান কালচারকে। তবে অভিনেত্রী বরাবরই বেঁচে এসেছেন নিজের শর্তে। মনখারাপ করে নিজেকে ঘরবন্দি করার পাত্রী তিনি যে নন, তা প্রমাণ হয়েছে বহুবার। এমনকী, বহু চোখরাঙানি উপেক্ষা করে তিনি বহুবার হয়েছেন প্রতিবাদের স্বর।

ধূমপান ছাড়তে কোন টোটকা হাতিয়ার করলেন শ্রীলেখা?
ধূমপান ছাড়তে কোন টোটকা হাতিয়ার করলেন শ্রীলেখা?

এহেন শ্রীলেখা মাজেসাঝে আবার নিজের ব্যক্তিগত জীবনের টুকটাক ঝলকও ভাগ করে নেন অনুরাগীদের সঙ্গে। শুক্রবার রাতে একটি ভিডিয়ো শেয়ার করলেন, যেখানে দেখা গেল পান চিবোচ্ছেন মনের আনন্দে। ক্যাপশনে লেখা, ‘পান-সুপারি... কতবার যে ধূমপান ছাড়ার চেষ্টা করছি, তার আর হিসেব নেই!’

শ্রীলেখা একবার জানিয়েছিলেন, তাঁর প্রথম ধূমপান নবম শ্রেণিতে পড়ার সময়। বাবা সন্তোষ মিত্রের ঘর থেকে চুরি করে দিয়েছিলেন সুখটান। আর বাড়ির লোকের কাছ থেকে লুকোতে বুদ্ধিও বার করেছিলেন ওই ছোট্ট বয়সেই। নিজেই জানিয়েছিলেন, ‘আমার ঘরের ফুলদানিতে ছাই ফেলতাম। তার পরে নিজের গায়ে, ঘরে ছড়িয়ে দিতাম সুগন্ধি। বাবা যাতে কিছুতেই টের না পান।’ তবে ধরাও পড়েন বাবার হাতে। এক দিন একটি শট দেওয়ার পরে সেটে দাঁড়িয়ে সুখটান দিচ্ছিলেন, হঠাৎ দেখেন সামনে বাবা। সঙ্গেসঙ্গে কলাকুশলীদের ভিড়ে তিনি লুকিয়ে পড়েন ঠিকই, তবে বাবার নজর থেকে বাঁচতে পারেননি। বাড়িতে ফিরতেই কপালে জোটে বকুনি। এই বদভ্যাসের কারণে বাবার হাতে মারও খেয়েছেন। তবু ধূমপান ছাড়তে পারেননি।

বছরপাঁচেক আগে সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন দীর্ঘদিনের এই সুখটানের অভ্যাসের কারণে বেশ কিছু শারীরিক জটিলতাও তৈরি হচ্ছে। পোস্ট করেছিলেন, ‘এবার সত্যিই ধূমপান ছাড়তে চাই। কলেজজীবনের গোড়া থেকেই এই বদভ্যাস আমার সঙ্গী। (সিনেমায় এসে কিন্তু সিগারেট ধরিনি।) সিগারেট খাওয়ার জন্য বাবার কাছে বকুনি তো খেয়েইছি, এক-দু’বার মারও খেয়েছি। (তখন বাবা একেবারে মোগাম্বো ছিলেন!) অথচ সেই বাবাই আবার আমার কাছ থেকে সিগারেট চুরি করে খেয়েছেন। আমাদের বাবা-ছেলের সম্পর্কটাই ছিল এমন। তবে এবার সত্যিই ধূমপান ছাড়ব। ছাড়বই!’

এবার দেখার, পান-সুপারি কি বাঁচাতে পারে শ্রীলেখাকে? নাকি আবার কোনো নতুন ফন্দিফিকির খুঁজতে হয় শ্রীলেকাকে ধূমপান ছাড়তে।

  • Tulika Samadder
    ABOUT THE AUTHOR
    Tulika Samadder

    হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More