‘সজল ঘোষ অত্যন্ত অসভ্য লোক…’! শুনেছেন ‘ছিলেখা’ কটাক্ষ, আধ্যাপক ‘অসম্মানে’ বিজেপি বিধায়কের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন শ্রীলেখা
‘সব হিসেব হবে আর এ জন্মেই হবে। চুপ করে আছি মানে ভয় পেয়েছি এটা মনে করবেন না।’, সজল ঘোষকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট শ্রীলেখার। বিজেপি বিধায়ককে একহাত নিলেন বাম-মনস্ক অভিনেত্রী।
কদিন আগেই মোদীর ছবি কাণ্ডে শ্রীলেখা মিত্রকে ‘ছিলেখা’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন সজল ঘোষ। এবার বিজেপি বিধায়ককে পালটা আক্রমণ বাম-মনস্ক অভিনেত্রীর। যদিও সম্পূর্ণ আলাদা একটি ইস্যুতে। একটি টিভি চ্য়ানেলের শো-তে অংশ নিয়ে সজল ঘোষ যাদবপুরের পদার্থবিদ্যার অধ্যাপক পার্থপ্রতীম রায়ের কাছে তাঁর জানতে চান, ‘আপনি কি রিসার্চ করেছেন? ল্যাবে আপনার অবদান কী?’ আর সেটা নিয়েই নিজের অসন্তোষ প্রকাশ করলেন শ্রীলেখা।

অধ্যাপক পার্থপ্রতীম রায়ের গবেষণা নিয়ে শেয়ার হওয়া একটি পোস্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করে শ্রীলেখা লেখেন, ‘সজল ঘোষ অত্যন্ত অসভ্য একটা লোক। এঁরা নাকি জনপ্রতিনিধি,মুখের ভাষার ঠিক নেই, ওঁকে নাকি প্রমাণ দিতে হবে কি রিসার্চ করেছেন। মগের মূলক নাকি!’
‘ভুলিনি ভাইটি আমাকে নিয়েও কী বলেছিলেন। সব হিসেব হবে আর এ জন্মেই হবে। চুপ করে আছি মানে ভয় পেয়েছি এটা মনে করবেন না। অন্যায় দেখলেই বলব, যেমন এখন বললাম। বাকিদের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলবেন না।’, আরও লিখেছেন শ্রীলেখা।

অভিনেত্রীকে নিয়ে ঠিক কী বলেছিলেন সজল ঘোষ?
ককরোচ জনতা পার্টি ও বামদলগুলির ডাকে কলকাতায় ছাত্র আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন শ্রীলেখা। অভিনেত্রী তাঁর হাতে থাকা একটি পোস্টারের কারণে বিতর্কে জড়ান। যাতে প্রতিক্রিয়া দিয়ে সজল ঘোষ বলেছিলেন, ‘ও শ্রীলেখা নয়, ও ছিলেখা! ওটা ছিলেখা! ওটা একটা বিকৃতকাম মহিলা। ওর নারীত্ব নিয়ে প্রশ্ন থাকবে লোকের। অবস্থা খারাপ। সিনেমা তো আর চলে না। ওর সিরিয়ালও কেউ দেখে না। ওকে বয়কট করুন। বয়কট শ্রীলেখা, ছিলেখা! বয়কট।’
প্রসঙ্গত, চলতি মাসেই বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ সংশোধনী বিল ২০২৬ পাশ হয়েছে বিধানসভার বিশেষ অধিবেশনে। ‘দ্য ইউনিভার্সিটিস অ্যান্ড কলেজেস (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড রেগুলেশন) অ্যামেন্ডমেন্ট বিল পাশ হয়েছে। শুভেন্দু জানিয়েছেন যে, শিক্ষার স্বার্থে রাজ্যের প্রাচীন ও বৃহৎ আটটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-অধ্যাপক, এবং কর্মী-আধিকারিকদের বদলি করা হবে অপেক্ষাকৃত নতুন ও ছোট বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে চলা চলমান বিতর্কের মাঝেই রাজ্য সরকারের এই পদক্ষেপ বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। যদিও বিজেপি সরকারের দাবি, এই বিল আসলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি আরও সুষ্ঠ পঠনপাঠন ও গবেষণার পরিপন্থী হয়ে উঠবে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


