Sreelekha Mitra: ‘চুপ করে গেলাম’! টলিউড নিয়ে ফের সরব শ্রীলেখা, ‘না না, আত্মহত্যার কথা ভাবছি না…’
Sreelekha Mitra: গত মঙ্গলবার আর্টিস্ট ফোরামের মিটিং থেকে কাঁদতে কাঁজতে বেরিয়েছিলেন শ্রীলেখা মিত্র। তারপর থেকে নানা মহলে নানা কথা। এর এক সপ্তাহ পর ফেসবুকে একটি পোস্ট। দুইয়ের মধ্যে সংযোগ পেল অভিনেত্রীর অনুরাগীরা।
Sreelekha Mitra: রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্যুটিংয়ের সময় জলে ডুবে মৃত্যুর ঘটনার পর নড়েচড়ে বসেছে টলিউড। শ্যুটে তারকা ও কলাকুশলীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, গত সপ্তাহের মঙ্গলবার কর্মবিরতি ডাকা হয়েছিল। এবং সেইদিন একাধিক মিটিং হয়। আর আর্টিস্ট ফোরামের মিটিং থেকে কাঁদতে কাঁদতে বেরোতে দেখা যায় শ্রীলেখা মিত্রকে। অভিনেত্রী নিজে এই নিয়ে মুখ খোলেননি। তবে খবর, সেদিন বেশ অপমানিত হয়েছেন মিটিং চলাকালীন। এদিকে, এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, শ্রীলেখা নাকি বহুবছর ধরে যেভাবে তাঁকে টলিউডে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না, সেই নিয়ে প্রতিবাদ করেন। যাতে প্রসেনজিৎ বিরক্ত হন, কৌশিক সেন শ্রীলেখার কথার প্রতিবাদ করেন, সদ্য স্বামীকে হারানো প্রিয়াঙ্কাও রুষ্ট হন।

এরপর একটি বিবৃতি আসে শ্রীলেখার তরফে, যেখানে সরাসরি শ্রীলেখা জানান, তাঁকে নিয়ে যে খবরটি করা হয়েছে তা অসত্য। এমনকী, কিছু কমেন্টের স্ক্রিনশট তুলে ধরেন শ্রীলেখা, যেখানে সেদিনের মিটিংয়ে উপস্থিত কিছু ব্যক্তি তুলে ধরেছেন ওদিন কী হয়েছিল তা নিয়ে। সেখান থেকে জানা যায়, প্রসেনজিৎ বা ঋতুপর্ণা কাওকে নিয়ে কোনো কথা বলেননি শ্রীলেখা। যেহেতু তিনি স্বরূপ বিশ্বাসের পর কথা বলতে উঠেছিলে, স্বরূপের কিছু কথার বিরোধিতা করেন, তবে তাঁকে মাঝপথেই থামিয়ে দেওয়া হয়। কৌশিক সেন শ্রীলেখার বিরোধিতা করেন ঠিকই, তবে গোটা ঘটনা নিয়ে প্রিয়াঙ্কা কোনো কথাই বলেনি (লেখা হয়েছিল টেবিলের উপর উঠে নাকি চিৎকার করে ঝামেলা থামান)।
মঙ্গলবার একটি পৃথক পোস্ট এল শ্রীলেখার তরফে। অনেকেইমনে করছেন সেদিনের মিটিংয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার সংযোগ আছে এতে। শ্রীলেখা লেখেন, ‘আমি চুপ করে গেলাম, তোমরা সবাই ভালো থেকো… এখন নিশ্চয়ই খুশি? না না, আমি আত্মহত্যার কথা ভাবছি না— আমি এত সহজে হার মানার মানুষ নই, আমি শ্রীলেখা মিত্র। জানো তো, সংবেদনশীল মানুষরা অনেক সময় ধূর্ত লোকেদের চালাকি বা অদ্ভুত নীরবতা দেখে ট্রিগার হয়ে প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে ফেলে। আমাকে বোকাও বলতে পারো এই যুগে।’
‘ডিপ্লোমেসি আমার রক্তে নেই—আমি অভিনয় করতে এসেছি, কূটনীতি করতে নয়। বাকি সময়ই বলে দেবে কে ঠিক আর কে ভুল করেছে। আমি অপেক্ষা করছি সবার আসল উদ্দেশ্য সামনে আসার জন্য।’, আরও লেখা শ্রীলেখার এই পস্টে।
প্রসঙ্গত, করোনা লকডাউনের সময় সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পরপর ফেসবুক লাইভে এসে প্রথম মুখ খুলেছিলেন শ্রীলেখা। দাবি করেছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় আর ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর ‘রাজনীতি’র কারণে তিনি কাজ পাননি। একসময়ের দুর্দান্ত কেরিয়ার শেষ করে দেওয়া হয়। শুধু তাই নয়, বামমনস্ক বলেও তাঁকে ইন্ডাস্ট্রিতে ক্রমাগত কোণঠাসা করা হয় বলে খবর রয়েছে টলিপাড়ার ভিতরে। সঙ্গে ঠোঁটকাটা বদনাম থাকায়, শ্রীলেখার ‘সদ্ভাব’ টলিউডের কিছু মুষ্টিমেয় শিল্পীর সঙ্গেই!
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


