Rachana-Sreelekha: ‘বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম, প্রতিভা- নিষ্ঠা…’! নাম না করে রচনাকে বার্তা শ্রীলেখার
তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ দলে নাম লেখাতেই রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একযোগে আক্রমণ করেছেন কুণাল ঘোষ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্রের মতো নেতারা। আর সেই আক্রমণের জবাব দিতে গিয়েই যেন কেটেছে তালজ্ঞান। একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে চলেছেন প্রাক্তন দিদি নম্বর ১ সঞ্চালিকা।
কয়েকদিন ধরেই রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বলা কথা যেন ঝড় তুলে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়াতে। একাধিক আলটপকা মন্তব্যের কারণে সোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন করে ট্রোলের মুখে তিনি। সঙ্গে দীর্ঘদিনের কেরিয়ারেও ধাক্কা। বাদ পড়েছেন তাঁর বিখ্যাত সেই গেম শো ‘দিদি নম্বর ১’ থেকে। রাজনীতিতেও তাঁর অবস্থান টালমাটাল। তৃণমূলের বিক্ষুব্ধ দলে নাম লেখাতেই একযোগে আক্রমণ করেছেন কুণাল ঘোষ, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মহুয়া মৈত্রের মতো নেতারা। আর সেই আক্রমণের জবাব দিতে গিয়েই যেন কেটেছে তালজ্ঞান।

রচনাকে নিয়ে পোস্ট শ্রীলেখার
এবার একটি পোস্ট এল শ্রীলেখা মিত্রের সোশ্যাল মিডিয়ায়। যদিও কোথাও তিনি রচনার নাম নেননি। তবে তাঁর ইঙ্গিত যে কোনদিকে তা বুঝতে সমস্যা হয়নি। শ্রীলেখা লিখেছেন, ‘যারা স্ক্রিপ্ট ছাড়া নিজের কথা ঠিকমতো গুছিয়ে বলতে পারেন না, তাঁদের ক্যামেরার সামনে না আসাই ভালো। এতে শুধু নিজের ভাবমূর্তিই খারাপ হয় না, পুরো চলচ্চিত্র শিল্পও অকারণে ছোট হয়। আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে মানুষ অনেক বেশি দেখে, শোনে, বোঝে আর বিচারও করে। তাই জনসমক্ষে যা বলা হয়, তার দায়ও নিতে হয়।’
‘কোথাও থাকতে গেলে, (সে ফুটপাথ হোক বা রাজপথ), যোগ্যতার নয় টাকার দরকার হয়, আর সেটা কামানোর অনেক পন্থা আছে। সাম্প্রতিক নানা ঘটনা সেটা বারবার মনে করিয়ে দিচ্ছে। তবে এটাও সত্যি, অনেকেই বছরের পর বছর কঠোর পরিশ্রম, প্রতিভা আর নিষ্ঠা দিয়ে নিজেদের জায়গা তৈরি করেছেন। সেই অর্জনটা নিজেরাই যেন অসংযত কথায় ছোট না করেন। বিনীত অনুরোধ—আর কোনো অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য করবেন না। যেখানে আছেন, সম্মান নিয়ে ভালো থাকুন।’, আরও লেখা হয় রচনার সেই পোস্টে।
বিতর্কের জালে রচনা
রচনা একটি সাক্ষাৎকারে দাবি করেন, হুগলি লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের জয়ের পেছনে শুধু দলীয় সংগঠন নয়, তাঁর নিজস্ব জনপ্রিয়তা এবং সেলিব্রিটি ইমেজই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। শুধু তাই নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর জনপ্রিয়তাকে ব্যবহার করেছেন বলেও দাবি তোলেন, প্রশ্ন ছোঁড়েন--'ফুটপাথের মেয়েকে কেন ভোটে দাঁড় করালেন না?'। এখানেই শেষ নয়, বলে ওঠেন, ‘বাংলার একমাত্র তিনিই অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে কাজ করেছেন’। এমনকী, তাঁর দাবি ‘আরবানা’য় থাকতে বিশেষ ‘যোগ্যতা’ লাগে।
রচনার এই আলটপকা মন্তব্যকে ‘দম্ভ’ বলে মনে করেছে নেটপাড়া থেকে তারকারা। ঋদ্ধি-ভাস্বররাও প্রতিবাদে হয়েছেন সরব।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


