‘দেশের সেবা করতে চাই লাইন বড্ড বস্তাপচা…’! তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যাওয়া কোয়েলকে কটাক্ষ বামমনস্ক শ্রীলেখার
তৃণমূল ছেড়েছেন মাসখানেক আগে। আর সোমবার কোয়েল চলে গেলেন বিজেপিতে। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে পদ্মদলে নাম লেখালেন অভিনেত্রী। যদিও রবিবারই জানা গিয়েছিল, রাজ্যসভায় নিজের ছেড়ে যাওয়া আসনেই ওয়াপসি হচ্ছে তাঁর। ইতিমধ্যে তিনি রাজ্যসভার উপনির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমাও দিয়েছেন।
আপাতত সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষের নিশানায় অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। রঞ্জিত-কন্যা বরাবরই নিজের ক্লিন ইমেজের কারণে জনপ্রিয় ছিলেন। তবে তাল কাটে যখন ২০২৬ বিধানসভা ভোটের আগে যোগ দেন তৃণমূলে এবং তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে নির্বাচিতও হন। সেই সময় তিনি ও রঞ্জিত মল্লিক রীতিমতো পঞ্চমুখ ছিলেন মমতা ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের প্রশংসায়। কিন্তু কোয়েলের সঙ্গে ঘাসফুল দলের ব্রেকআপ হয় পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের শোচনীয় হারের পর। আর তিন মাসের মাথায় কোয়েল চলে গেলেন বিজেপিতে। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে পদ্মদলে নাম লেখালেন অভিনেত্রী। যদিও রবিবারই জানা গিয়েছিল, রাজ্যসভায় নিজের ছেড়ে যাওয়া আসনে ওয়াপসি হচ্ছে তাঁর। ইতিমধ্যে তিনি রাজ্যসভার উপনির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমাও দিয়েছেন।

সোমবার কোয়েল সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘সবার জন্য কাজ করতে চাই, সবার মঙ্গল কামনা করি।’ এখানে বলে রাখা ভালো, তৃণমূলে যোগ দিয়েও খানিকটা এই সুরই ছিল তাঁর। এবার কোয়েলকে তাঁর বলা কথাতেই বিঁধলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।
শ্রীলেখা ফেসবুকে লেখেন, ‘দেশের সেবা করতে চাই, etc etc… লাইনগুলো বড্ড বস্তাপচা হয়ে গিয়েছে। অন্য কিছু ভাবুন বা স্ক্রিপ্ট রাইটার বদলান’। কোয়েলকে কটাক্ষ করে পোস্ট করেছেন বং গাই ওরফে কিরণ দত্তও। তিনি লিখেছেন, ‘কোয়েল পাখি কখনোই নিজের বাসায় ডিম পাড়ে না, এতে অবাক হওয়ার কি আছে!’
প্রসঙ্গত, সোমবার সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দফতরে কোয়েল মল্লিকের গলায় উত্তরীয় পরিয়ে হাতে পতাকা তুলে দেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক শশী অগ্নিহোত্রী। বিজেপিতে যোগ দিয়েই রাজ্যের নতুন সরকারের প্রশংসায় তিনি পঞ্চমুখ। বলেন, ‘বিগত কয়েক মাসে পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়নযাত্রা চলছে। আমরা চাই পশ্চিমবঙ্গে আরও কাজ আসুক। প্রত্যেকটা দল নিজেদের মতো ভাল কাজ করার চেষ্টা করে। কাউকে ছোট না-করে বলতে পারি আমি এমন একটা দলে যোগ দিতে পেরেছি, যারা উন্নয়নের কাজ শেষ কয়েক মাস ধরে ভাল করছে।’ সঙ্গে আরও জানান যে, বাংলার উন্নয়নে যোগ দিতেই তাঁর রাজনীতিতে আসা।
তবে কোয়েলের কথায় এত সহজে যে চিঁড়ে ভেজার না হয়, তা বোঝা যাবে সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই। বরং ক্রমাগত তৃণমূলী হিসেবে পরিচিতরা বিজেপিতে বা বিজেপি-র শারিক দল হিসেবে চিহ্নিত ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি অফ ইন্ডিয়া’ (এনসিপিআই)-তে যোগ দেওয়ায় কমলা দলের সমর্থদের মধ্যেই বাড়ছে ক্ষোভ।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


