‘অসুর ছাড়াও পেয়ে গেল?’! আরজি কর কাণ্ডে গ্রেফতার সন্দীপ ঘোষকে সুপ্রিম কোর্ট জামিন দিতেই পোস্ট শ্রীলেখার
২০২৪ সালে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল গোটা দেশ। সেই সময় হাসপাতালের অধ্যক্ষ ছিলেন সন্দীপ ঘোষ। পরে দুর্নীতির অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। ষষ্ঠীতে ছাড়া পেলেন সেই সন্দীপই।
আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে আর্থিক দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়া সন্দীপ ঘোষকে জামিন দিল সুপ্রিম কোর্ট। ২০২৪ সালে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় উত্তাল হয়েছিল গোটা দেশ। সেই সময় হাসপাতালের অধ্যক্ষ ছিলেন সন্দীপ ঘোষ। পরে দুর্নীতির অভিযোগে তাঁকে গ্রেফতার করে সিবিআই। বিচারপ্রক্রিয়ার ধীর গতি এবং দীর্ঘ বন্দিদশার কথা বিবেচনা করে এই নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি এমএম সুন্দ্রেশ এবং প্রশান্ত বি বরলের বেঞ্চ।

এদিকে সন্দীপ ঘোষ গ্রেফতার হওয়ার পর, রীতিমতো ক্ষোভে ফুঁসছে বাংলার মানুষ। বিশেষ করে যারা তিলোত্তমার বিচার চেয়ে সেইসময় পথে নেমেছিলেন। সেই তালিকায় রয়েছেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রও। এমনকী, আরজি কর কাণ্ডের বিচার চেয়ে প্রতিবাদে মুখর হওয়ায় তিনি তৎকালীন শাসক দল ও সেই দলের নেতা-সমর্থকদের রোষের মুখেও পড়তে হয়েছিল।
শ্রীলেখা সোশ্যাল মিডিয়ায় কারও নাম না করেই পোস্ট করেছেন, ‘অসুর ছাড়াও পেয়ে গেলো?!!!!!’ আর অভিনেত্রীর এই পোস্টের জবাবে এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘সবকিছু জলের মতো পরিষ্কার। সিবিআই, আদালত—সবকিছুই ম্যানেজ করা যায়। সবকিছুরই একটা নির্দিষ্ট দাম রয়েছে।’
প্রসঙ্গত, সেইসময় শ্রীলেখা মিত্র আরজি করের ঘটনার পর তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পদত্যাগ দাবি করেন এবং পুলিশমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ভূমিকার তীব্র বিরোধিতা করেন। সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খোলায় তাঁর দুটি বড় বিজ্ঞাপনের কাজ হাতছাড়া হয় বলে তিনি জানান। যেই কাজ থেকে বেশ মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক পাওয়ারও কথা ছিল তাঁর।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৯ আগস্ট ভোরে কলকাতার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল থেকে ৩১ বছর বয়সী এক পিজিটি তরুণী চিকিৎসকের রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক ময়নাতদন্তে তাঁকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে বলে জানা যায়। কলকাতা পুলিশ ও পরে সিবিআই এই ঘটনার তদন্ত করে। সঞ্জয় রায় নামে এক ব্যক্তিকে এই ঘটনায় একমাত্র দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয় আদালত। তরুণী ডাক্তারের মৃত্যুতে ষড়যন্ত্রের তদন্ত ও বিচারের দাবি জানিয়ে দীর্ঘ আন্দোলন চালান জুনিয়র চিকিৎসকেরা।
এরপর আরজি কর মেডিকেল কলেজে নিহত তরুণী চিকিৎসকের মা রত্না দেবনাথ ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি-র টিকিটে পানিহাটি কেন্দ্র থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং সিপিআইএমের কালতান দাশগুপ্তকে পরাজিত করেন। ভোটে দাঁড়ানোর পর রত্না দেবনাথ জানিয়েছিলেন, মেয়ের বিচার ছিনিয়ে আনতেই তাঁরা রাজনীতিতে পা রাখা।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


