Sreelekha Mitra: চোখ চিকিৎসায় অভিষেককে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি! ‘বিজেপি-র পা চাটাদের’ খোঁচা শ্রীলেখার
একাধিক এফআইআর, কুৎসা, কটাক্ষেও যে দমার পাত্রী নন শ্রীলেখা মিত্র, তা প্রমাণ হয়েছে বহুবার। এবারও সুপ্রিমকোর্ট চোখের চিকিৎসায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দিতেই, বিজেপি সমর্থদের খোঁচা দিয়ে পোস্ট করলেন ফেসবুকে।
বিতর্কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ফেসবুকে একের পর এক পোস্ট করে চলেছেন শ্রীলেখা মিত্র। মোদীর বিতর্কিত পোস্টার ঘিরে তারওপর হওয়া একাধিক এফআইআর, সোশ্যাল মিডিয়ার বিতর্কে দমার পাত্রী যে নন, তা বুঝিয়ে দিয়েছেন একাধিকবার। আর এবার সুপ্রিম কোর্ট চোখের চিকিৎসায় অভিষেককে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দিতেই, বিজেপি সমর্থদের খোঁচা দিলেন শ্রীলেখা তাঁর ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে।

এই সংবাদের একটি শিরোনাম শেয়ার করে শ্রীলেখা লিখলেন, ‘অভিষেক বাঁ চোখ দেখাতে বিদেশ যেতে পারছে সুপ্রিম কোর্ট? ভালো টিএমসিদের জন্য সব করে দেবেন। আর দোষ করল শুধু আমার চশমা। অঞ্চন দত্ত চশমা খসে গেলে একা মুশকিলে পড়েন না! এফআইআর আর নব্য বিজেপির পা চাটা ওয়ালো…’
প্রসঙ্গত, বর্তমানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা চলছে। রাজ্য সরকারের তরফে আদালতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল, একবার বাইরে যাওয়ার অনুমতি পেলে তিনি দেশে না-ও ফিরতে পারেন। দেশেই তাঁর চোখের চিকিৎসা করানোর দাবি তুলেছিল তারা। যদিও অভিষেকের আইনজীবীদের শর্ত ছিল এর আগেও ১৫বার বিদেশ গিয়েছে অভিষেক। ফিরে এসেছে। কলকাতায় তাঁর স্ত্রী-সন্তানরা আছে। একটি দলের জেনারেল সেক্রেটারি তিনি, দেশের সাংসদ। নিজের রায়ে সুপ্রিম কোর্ট অভিষেককে তিন সপ্তাহের জন্য বিদেশযাত্রার অনুমতি দিয়েছে। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপোকে জানিয়ে যেতে হবে তিনি কখন যাবেন, কখন ফিরবেন, ফ্লাইট ডিটেইলস, কোন হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা হবে ইত্যাদি। এছাড়াও বিদেশে তিনি কোন ঠিকানায় থাকবেন জানাতে হবে পুলিশকে।

শ্রীলেখার পোস্টে তাঁর এক অনুরেগী মন্তব্য করেছেন, ‘দূর সব সেটিং করা’। আরেকজন লেখেন, ‘তুমিও বিজেপিতে গেলে ওরা লুফে নেবে। এটা নিন্দুকেও জানে। মাথা নত করো নি এটা দোষের। এরা ভালোমূল। তুমি অগ্নিমুল।’
যন্তর মন্তরে পড়ুয়াদের উপর লাঠি চালানোর অভিযোগে কলকাতায় বাম ও ককরোচ জনতা পার্টির তরফে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়েছিল। যাকে যোগ দিয়েছিলেন শ্রীলেখাও। তবে সেখানে তাঁর হাতে থাকা একটি পোস্টার নিয়ে বিতর্ক বাড়ে। কারণ সেখানে দেশের প্রধানমন্ত্রী মোদীর একটি বিকৃত কার্টুন ব্যবহার করা হয়েছিল। ৪০টিরও বেশি থানায় এফআইআর হয় শ্রীলেখার নামে। তাঁর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ দেখাতে পৌঁছে যান বিজেপি সমর্থরা। তবে শ্রীলেখার দাবি, তিনি যেহেতু চশমা পরেননি, তাই চোখে দেখতে পারছিলেন না ঠিক করে। তাই পোস্টারটি ভালোভাবে না দেখেই নিয়েছিলেন হাতে। এমনকী শ্রীলেখার সমালোচনা শুধু রাজনীতির জগতের মানুষদের থেকে নয়, এসেছে টলিপাড়ার ভিতর থেকেও। হাতে গোনা এক দু'জনকে পাশে পেয়েছেন ইন্ডাস্ট্রি থেকে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


