বাজি ফাটলে ‘অসুখ-বিসুখ চলে যায়’, মন্তব্য পাপিয়ার! কটাক্ষ করে কী লিখলেন শ্রীলেখা?
বিজেপির সদ্য বিজয়ী বিধায়ক পাপিয়া অধিকারির একটি বক্তব্য ভাইরাল। যেখানে কালীপুজোর উদ্বোধনে গিয়ে তাঁকে বলতে শোনা যায় বাজি থেকে নাকি ‘অসুখ-বিসুখ চলে যায়’! এবার তা নিয়ে মুখ খুললেন শ্রীলেখা মিত্র।
কালীপুজো-দীপাবলিকে ঘিরে সেজে উঠেছে শহর কলকাতা। তবে প্রতিবারের মতো এবারেও শব্দবাজির রমরমা। পুলিশের নিষেধ, প্রশাসনের নিয়মকে অগ্রাহ্য করেই বেজে চলেছে শব্দবাজি। শুধু তাই নয় ক্রমশ গড় বায়ুর গুণমান সূচক বা একিউআই (AQI) পৌঁছেছে ১৮১ থেকে ১৮৫-এর আশেপাশে।

এরইমাঝে বিজেপির সদ্য জয়ী বিধায়ক পাপিয়া অধিকারির একটি বক্তব্য ভাইরাল। যেখানে কালীপুজোর উদ্বোধনে গিয়ে তাঁকে বলতে শোনা যায় বাজি থেকে নাকি ‘অসুখ-বিসুখ চলে যায়’! আর এই কথা বলার আগেই একটি পটাকা ফেটেছিল। তারপরই তিনি বলে উঠেছিলেন, ‘আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, কালীপুজোয় বাজি তো হবেই। কালীপুজো হবে বাজি হবে না! বাজিটা হোক। তবে যে ভাবে আমাদের থানারা নির্দেশ দিয়েছে সেভাবে হোক। বাজি আমরা ফাটাব। বাজি ফাটালে দেখবেন অনেক অসুখ-বিসুখ চলে যায়।’
আর পাপিয়া অধিকারির সেই বক্তব্যের পর, সোশ্যাল মিডিয়ায় সরব হলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। দুজনে একই ইন্ডাস্ট্রির মানুষ। একে-অপরকে চেনেনও দীর্ঘদিন ধরেই।
শ্রীলেখা লিখলেন, ‘পাপিয়া দি, তোমার সঙ্গে আমার বিশাল হৃদ্যতা নেই, আবার কোনও বিরাট ঝামেলাও নেই। একটা সময় তোমার রাজনৈতিক মনোভাবের সঙ্গে আমার মনোভাবের মিল ছিল বলে জানি। তারপর তুমি সম্পূর্ণ উল্টো মেরুর পথে হেঁটেছ। বিধায়ক হয়েছ, চেষ্টা করছ অনেক কিছু ভালো করার। খুব ভালো কথা। তোমাকে শুধু একটা প্রশ্ন করতে চাই। আমার সাধারণ জ্ঞান হয়তো তোমার চেয়ে কম, with all due respect, শব্দবাজি পোড়ালে ঠিক কোন কোন অসুখ কমে যায়, তার একটা তালিকা যদি দাও, তাহলে আমার মতো অজ্ঞান মানুষরা বিশেষভাবে উপকৃত হব।’

‘আমরা যারা বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে মানুষ ও পশুপাখিদের স্বার্থে, তাদের সুস্থতা ও স্বস্তির কথা ভেবে নিয়মিত শব্দবাজির বিরুদ্ধে লড়াই করে যাচ্ছি, তোমাদের মতো জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে যখন এমন কথা শুনি, তখন স্বাভাবিকভাবেই নতুন করে ভাবনাচিন্তা করার অবকাশ তৈরি হয়। তাই অনুরোধ, বিষয়টা একটু পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দিও। সত্যিই যদি শব্দবাজির আওয়াজে মানুষের অসুখ-বিসুখ কমে, শরীরের উপকার হয়, তাহলে আগামী বছর থেকে আমরা আর অযথা কষ্ট করে শব্দবাজির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করব না। আমাদের মতো কিছু অজ্ঞ, মূর্খ মানুষের জ্ঞানের পরিধিটা একটু বাড়িয়ে দিও। বিশেষ উপকার হবে!’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


