Sreemoyee-Krishvi: হাসপাতাল থেকে ফিরতেই মাম্মাকে আদর! শ্রীময়ী আর ভাই কৃষিভকে নিয়ে কী বলল কৃষভি?
বাড়িতে এসে কৃষভিকে কাছে পেয়েই শ্রীময়ী চট্টোরাজ ভরালেন আদরে। কৃষভিও মাকে ভরাল চুমুতে। মা-মেয়ের মিষ্টি ভিডিয়ো মন কেড়ে নিয়েছে নেটপাড়ার।
চলতি মাসেই দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন শ্রীময়ী চট্টোরাজ। মাত্র একুশ মাসের মেয়ে কৃষভিকে বাড়িতে রেখে ডেলিভারির জন্য হাসপাতালে ভর্তি হওয়া নিঃসন্দেহেই মানসিকাভাবে সহজ ছিল না অভিনেত্রীর জন্য। তাই বাড়িতে এসে কৃষভিকে কাছে পেয়েই ভরালেন আদরে। কৃষভিও মাকে ভরাল চুমুতে। মা-মেয়ের মিষ্টি ভিডিয়ো মন কেড়ে নিয়েছে নেটপাড়ার।

মেয়েকে কোলে নিয়ে শ্রীময়ীকে বলতে শোনা যায়, ‘আজকে মাম্মা এতদিন পর হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছে। আর গোপীকে কোলে নিয়েছে।’ আদর করে কৃষভিকে গোপী বলে ডাকেন কাঞ্চন-শ্রীময়ী। আর সদ্যোজাত ছেলের ডাক নাম রেখেছেন ‘গদাই’। আর দিদির সঙ্গে নাম মিলিয়ে ছেলের ভালো নাম ‘কৃষিভ’।
আধো আধো স্বরে কৃষভিকে ‘খুব খুশি’-ও বলতে শোনা যায়! শ্রীময়ীও বলেন, ‘আর যাবে না, মাম্মা কোথাও যাবে না।’
দেখুন-
দ্বিতীয় সন্তানের জন্মের পর থেকে একাধিক ট্রোলের মুখে পড়তে হয়েছে কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টোরাজকে। এই পোস্টেও ভরে ভরে এসে কমেন্ট ট্রোলারদের। কাঞ্চনের বয়স নিয়ে ভরে ভরে কটাক্ষ।
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে আইনি বিয়ে করেন কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টোরাজ। এরপর মার্চ মাসে হয় দুজনের সামাজিক বিয়ে। আর তার সাড়ে ৮ মাসের মাথায় জন্ম হয় কৃষভির। আর মায়ের বয়স ২ পেরনোর আগেই কোলে এল ছেলে কৃষিভ।
শ্রীময়ী তাঁর পোস্টে জানিয়েছেন কাঞ্চন ও বাড়ির লোককে দ্বিতীয় প্রেগন্যান্সির খবর দেওয়ার পাশাপাশি, তিনি তা জানিয়েছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকে। ঋতুপর্ণাকে নিজের দিদি, প্রিয় বন্ধুর আসনে বসিয়েছেন শ্রীময়ী। অভিনেত্রী ডেলিভারির পর পোস্টে লেখেন, ‘আমি যখন আমার দ্বিতীয় প্রেগনেন্সির কথা জানতে পেরেছিলাম, আমি সবার প্রথম কাঞ্চন, এবং আমার মা-বাবা ছাড়াও যে মানুষটিকে ফোন করেছিলাম, তিনি হলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। খবরটা তো খুবই আনন্দের, কিন্তু একটা টেনশন,ভয় কাজ করছিল যে জার্নিটা মসৃণ হবে তো, যেহেতু কৃষভি অনেকটাই ছোট, তাই দোনামনায় ভুগছিলাম কী করা উচিত, ঋতুদি আমার খবরটা শুনে বলল, একদম অন্য কোন কথা না ভেবে যে পৃথিবীতে আসছে তাকে আমন্ত্রণ জানা, মানুষ মাথা ঠুকে সন্তান পায় না, তোকে ঈশ্বর না চাইতেই দিয়েছে, একদম কোন নেগেটিভ চিন্তা করবি না, মুখেও আনবি না।’
‘আমায় পরামর্শ দিয়েছিল, তুই তো অনেক ভাগ্যবতী, পরপর মা হওয়ার সুযোগ পেলি, সারা জীবন কাজকর্ম, চিন্তা-ভাবনা সব থাকবে, কিন্তু এখন যে আসছে তাকে সুস্থভাবে বড় কর, নিজেকে সুস্থ রাখ। তার খেয়াল রাখ, রেস্টে থাক, কোন চিন্তা করবি না, আর তুই জানবি তোর দিদির মত আমি সবসময় তোর পাশে আছি, যে কোনো আপদ বিপদ সুখের দিনে।’, আরও লিখেছিলেন শ্রীময়ী। সঙ্গে ঋতুপর্ণার দেওয়া সাধের ছবিও শেয়ার করে নিয়েছিলেন সোশ্যাল মিডিয়াতে।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


