‘কাঞ্চনের মাকে সেরকম দেখিনি, তবে…’! কৃষভির আচরণ শাশুড়ি-সুলভ, মন্তব্য শ্রীময়ীর
মেয়ে নাকি পুরো শাশুড়ি, অর্থাৎ কাঞ্চন মল্লিকের মায়ের মতো। শুধু তাই নয়, শ্রীময়ী জানালেন কৃষভি নিজেকেও তাঁর শাশুড়ি-ই বলেন। সদ্য দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এই অভিনেতা দম্পতি।
এখনো দুই বছর বয়স হয়নি কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টোরাজের আদুরে কন্যা কৃষভির। তবে ইতিমধ্যেই সে বেশ আধো আধো স্বরে কথা বলতে শিখেছে। বুধবার মা-বাবার সঙ্গে এই কিউটের ডিব্বা হাজির হয়েছিল আইটিসি রয়েল বেঙ্গলে। সেখানে একটি ইভেন্টে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা দম্পতি। আর সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন মেয়েকেও। সেখানে এসেই শ্রীময়ী জানালেন, কৃষভি নিজেকে তাঁর ‘শাশুড়ি’ বলে। শুধু তাই নয়, ব্যবহারও কাঞ্চনের মায়ের মতোই।

শ্রীময়ীকে বলতে শোনা যায়, ‘বিয়ের আগে আমার খুব বেশিবার সাক্ষাৎকরার সুযোগ হয়নি কাঞ্চনের মায়ের সঙ্গে। জানি না কেন, কীভাবে শিখল, ও নিজেকে আমার শাশুড়ি বলে। আর ওরকম ব্যবহারও করে আমার সঙ্গে।’
সঙ্গে শ্রীময়ী আরও বলেন. ‘কাঞ্চন ভালো বলতে পারবে। সারাক্ষণ ওকে বলছে ঠিক করে বসো, খেয়েছো, স্নান করেছিস। সময়বিশেষে কখনো তুমি বলে কখনো আবার তুই।’ সঙ্গে মেয়েকে ‘বাবা-ভক্ত’ হিসেবেও করেন বর্ণনা।
সদ্য দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন শ্রীময়ী চট্টোরাজ। মেয়ের পর তাঁদের কোলে এবার এসেছে এক পুত্র সন্তান। আর এবারে মেয়ের নামের সঙ্গে মিল রেখেই ছেলের নাম রেখেছেন কৃষিভ। আর ডাক নাম গদাই। এক সাক্ষাৎকারে শ্রীময়ী জানিয়েছেন, প্রথম প্রেগন্যান্সির সময়ই তাঁরা ভেবে রেখেছিলেন মেয়ে হলে নাম রাখবেন কৃষভি, আর ছেলে হলে কৃষিভ।
২০২৪ সালে বিয়ে করেছিলেন কাঞ্চন ও শ্রীময়ী। সেই বছরই তাঁদের কোলে আসে কন্যা সন্তান। কৃষভির ২০ মাস যখন বয়স, তখন দ্বিতীয় ডেলিভারি। বিয়ের মাত্র দু বছরে দুই সন্তান এসেছে কোলে। এখন যাকে বলে ভরা সংসার।
কাঞ্চন জানিয়েছেন, ভাইকে পেয়ে বড়ই খুশি কৃষভি। সে যেন একটা ডল পুতুল পেয়েছে। এখন থেকেই পালন করছে বড় দিদির দায়িত্ব। কোলেও নেওয়ার চেষ্টা করছে। শুধু একটাই মন খারাপ, ভাই খেলছে না! এদিকে কাঞ্চন-শ্রীময়ীও যথাসাধ্য চেষ্টা করছেন, যাতে কোনোভাবে ভাইয়ের জন্মের পর কোনোরকম মন খারাপ বাসা না বাধে কৃষভির মধ্যে। বিভিন্নভাবে মেয়েকে সময় দিচ্ছেন। ছেলেকে মায়ের কাছে রেখে মেয়েকে নিয়ে বেরচ্ছেন বাইরে।
প্রসঙ্গত, কাঞ্চন মল্লিকের মা সুভা মল্লিক ২০২০ সালের ৪ জুলাই প্রয়াত হন। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে পরলোকগমন করেন তিনি। বাবাকেও হারিয়েছিলেন কাঞ্চন। বেশ কঠিন সংগ্রামের মধ্যে দিয়েই কেটেছে জীবনের বেশিরভাগ সময়টা। তবে তৃতীয় বউ শ্রীময়ী ও দুই সন্তানকে নিয়ে এখন বেঁধেছেন সুখের ঘর।
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


