Sreemoyee Chattoraj: অন্তর্বাস-স্যানিটারি প্যাড ব্যাগ থেকে বার করে নাকা চেকিং পুলিশের! ক্ষোভ উগরালেন শ্রীময়ী
Sreemoyee Chattoraj: নাকা চেকিং-এ নাজেহাল শ্রীময়ী। কাঞ্চন-পত্নীর ব্যক্তিগত ব্যাগে তল্লাশি, নেই মহিলা পুলিশ! স্যানিটারি প্যাড-অন্তর্বাস বার করতেই মেজাজ হারালেন শ্রীময়ী। ঘটনা খাস কলকাতার।
খাস কলকাতায় পুলিশের হাতে হেনস্থার শিকার উত্তরপাড়ার বিদায়ী বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিকের তৃতীয় স্ত্রী? শনিবার গভীর রাতে ফেসবুক ভিডিয়োয় ক্ষোভ উগরে দিলেন শ্রীময়ী চট্টরাজ।

রাস্তার মাঝে নাকা চেকিংয়ের নামে কি শালীনতার সীমা লঙ্ঘন করছে পুলিশ? ঠিক এই প্রশ্নটাই তুলেছেন শ্রীময়ী। মাঝরাস্তায় পুলিশি তল্লাশির নামে তাঁর ব্যাগ থেকে স্যানিটারি প্যাড এবং অন্তর্বাস যেভাবে পুরুষ পুলিশকর্মী বার করে আনলেন, তাতে অপমানে এবং রাগে ফেটে পড়েছেন অভিনেত্রী। ফেসবুকে সেই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা দিয়ে প্রশাসনের সংবেদনশীলতা নিয়ে সরাসরি তোপ দাগলেন তিনি।
‘মহিলা পুলিশ কোথায়?’
শ্রীময়ীর করা সেই ভিডিও বার্তায় ক্ষোভের আগুন স্পষ্ট। অভিনেত্রী জানিয়েছেন শ্যুটিং সেরে ফিরছিলেন তিনি। সারাদিনের ক্লান্তি, তা সত্ত্বেও নাকা চেকিং-এ গাড়ি আটকানোয় আপত্তি ছিল না তাঁর। কিন্তু ধৈর্য্য়ের বাঁধ ভাঙে যখন পুলিশকর্মী তাঁর ব্যক্তিগত ব্যাগে হাত দেয়। তখন সেখানে কোনও মহিলা পুলিশকর্মী উপস্থিত ছিলেন না। শ্রীময়ীর প্রশ্ন, ‘একজন মহিলার ব্যাগ চেক করার সময় কি ন্যূনতম নিয়মটুকু পালন করা উচিত নয়? পুরুষ পুলিশকর্মীরা আমার ব্যক্তিগত ব্যাগ থেকে স্যানিটারি প্যাড আর অন্তর্বাস বার করে জনসমক্ষে দেখাচ্ছেন, এটা কোন ধরনের আইন?’ শ্রীময়ী সাফ জানিয়েছেন, সাধারণ মহিলাদের গোপনীয়তা যদি এভাবেই প্রশ্নের মুখে পড়ে, তবে সুরক্ষার কথা ভাববে কে?
আইন বনাম নারী সুরক্ষা
ভিডিওতে শ্রীময়ী স্পষ্ট করেছেন যে তিনি নাকা চেকিংয়ের বিরোধী নন। কিন্তু একজন মহিলার ব্যাগে তল্লাশি চালানোর জন্য কেন সেখানে মহিলা পুলিশ থাকবে না, সেটাই তাঁর মূল প্রতিবাদের জায়গা। তিনি এই ঘটনায় চূড়ান্ত অপমানিত বোধ করেছেন এবং মনে করেন, সেলিব্রিটি হওয়ার কারণে নয়, বরং একজন নারী হিসেবে তাঁর মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে।
শ্রীময়ী জানান, বিদায়ী বিধায়ক স্বামী কাঞ্চন মল্লিকের গাড়িতেই শ্য়ুটিংয়ে গিয়েছিলেন তিনি। পুলিশ আধিকারিকদের তিনি জানান, ‘আমার শরীরটা ভালো নেই’। সেটাকেও নাকি নাটক আখ্যা দিয়ে তাঁর ব্যাগে রাখা মেকআপ পাউচ বার করে নগদ টাকার সন্ধান করছিল পুলিশ, শুধু তাই নয় শ্রীময়ীর অভিযোগ সিআরপিএফ কর্মীরা শালীনতা বজায় রেখেছিল। তিনি অবাক কলকাতা পুলিশের আধিকারিককে দেখে। যদিও সেই কর্মীর নাম তিনি বলতে পারেননি। শ্রীময়ীর প্রশ্ন, ‘আপনাদের বাড়িতে কি মা-বোন নেই?’ শ্রীময়ী জানান, ভিডিয়ো করতে তিনি পটু নন। তাই সেইসময়কার ভিডিয়ো মুঠোফোনে বন্দি করা হয়নি তাঁর।
প্রতিবাদের ঝড়
শ্রীময়ীর এই সাহসী ভিডিও ইতিমধেই ভাইরাল। শ্রীময়ী আঙুল তুললেন পুলিশের ‘অসংবেদনশীল’ আচরণের দিকে। তাই নিয়ে ধেয়ে এসেছে কটাক্ষও। একজন লেখেন, ‘দাদা কি এইবারে সিট পায়নি??? তাই তুমি এইসব সিস্টেম এ রাগ করছো?’ আরেকজন লেখেন, ‘ভিডিয়ো করোনি কেন?’ অনেকে অবশ্য় শ্রীময়ীর সঙ্গে সমব্য়াথী হয়ে নিজেদের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাও শেয়ার করেছেন।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


