Sreemoyee Baby Bump: ব্রালেট আর জিন্সে শ্রীময়ী! বউয়ের উন্মুক্ত বেবিবাম্পে চুুমু কৃষিভের বাবা কাঞ্চনের
মেয়ের ২২ মাসের মাথায় দ্বিতীয়বার মা হয়েছেন শ্রীময়ী চট্টোরাজ। এবার ভাগ করে নিলেন বেবিবাম্পের ছবি। তাতে আবার চুমু খাচ্ছেন কাঞ্চন।
সদ্য দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন শ্রীময়ী চট্টোরাজ। মেয়ে কৃষভি-র পর কোলে এসেছে ছেলে কৃষিভ। এবার বেবিবাম্পের ছবি ভাগ করে নিলেন অভিনেত্রী। আবার তাতে চুমুও খেতে দেখা গেল কাঞ্চন মল্লিককে।

শ্রীময়ীর শেয়ার করা ছবিতে দেখা গেল ব্রালেট আর জিন্স পরে আছেন শ্রীময়ী। আর বউয়ের উন্মুক্ত বেবিবাম্পে ঠোঁট ঠেকিয়েছেন কাঞ্চন। চুল বেণী করে বাঁধা। সাদা-কালো ছবিটি প্রেগন্যান্সির মিষ্টি মুহূর্তের সাক্ষ্মী। আর ক্যাপশনে লেখা, ‘সেরাটা তখনো আসা বাকি ছিল’।
অনেকদিন ধরেই খবর ছিল শ্রীময়ী দ্বিতীয়বার অন্তঃসত্ত্বা। ২০২৬-এর বিধানসভা ভোট দিতে যাওয়ার সময় ওড়না দিয়ে তাঁর পেট আড়াল করে রাখা থেকে শুরু হয়েছিল চর্চা। যদিও তখন ব্যাপারটা উড়িয়ে দিয়েছিলেন দুজনই। এমনকী, প্রথম প্রেগন্যান্সির সময়তেও এই গোপনীয়তা বজায় রেখেছিলেন তাঁরা।
কাঞ্চন মল্লিক তৃতীয়বার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন শ্রীময়ী চট্টোরাজের সঙ্গে। ২০২৫ সালে বিয়ে করেন। ওই একই বছরে নভেম্বর মাসে তাঁদের কোলে আসে মেয়ে কৃষভি। আর কৃষভির দেড় বছর বয়সে সংসারে এল কৃষিভ। সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুরাগীরা ভালোবাসায় ভরিয়েছে দম্পতিকে।
এক পোস্টে শ্রীময়ী জানিয়েছেন যে, মেয়ে ছোট, ফের প্রেগন্যান্ট জানতে পেরে বেশ চিন্তায় পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। তবে তখন বন্ধুর মতো, বড় দিদির মতো পাশে ছিলেন ঋতুপর্ণা. শুধু তাই নয়, মনে সাহসও জুগিয়েছেন। কাঞ্চন-শ্রীময়ীও ভগবানের থেকে আসা এই উপহার নিয়েছেন খোলা হাতে।
একাধিকবার বয়স নিয়ে কটাক্ষে পড়তে হয়েছে কাঞ্চন মল্লিককে। ৫৩ বছর বয়সে বিয়ের পিঁড়িতে বসায় কম ট্রোলে পড়েননি। বিশেষ করে শ্রীময়ীর সঙ্গে প্রায় ২৬ বছরের বয়সের ফারাক। তবে দুজনেই বরাবার এই ধরনের সমালোচনাকে উড়িয়েছেন ফুৎকারে। এমনকী, তৃতীয় সন্তানের জন্মের পরও বরের বয়স নিয়ে হওয়া ট্রোলকে পালটা কটাক্ষ করেছিলেন। এক সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘বয়স বেশি তো কী হয়েছে? কাঞ্চনের ক্ষমতা আছে, তাই বাবা হয়েছে। প্রাকৃতিক বিষয় নিয়ে যারা সমালোচনা করে, তাদের কোনও পারিবারিক শিক্ষা নেই।’
কাঞ্চন শ্রীময়ীর এই পোস্টেও দেখা গেল অনেকেই হাসির রিয়্যাকশন দিয়েছে। এমনকী ‘দাদু’ কটাক্ষও এসেছে কাঞ্চনের উদ্দেশে। তবে নেটপাড়ার কিছু মানুষ আবার ট্রোলে জবাব দিয়েছেন। একজন লেখেন, ‘আচ্ছা যারা হাসছেন তারা হেসে কী প্রমাণ করতে চাইছেন যে আপনারা অনেক বড় বোদ্ধা? কারুর ভালো কিছু আপনাদের সহ্য হয় না? এইজন্যই বাঙালি জাতটাই আজকে শেষ, সবকিছু থেকে পিছিয়ে।’
ABOUT THE AUTHORTulika Samadderহিন্দুস্তান টাইমস বাংলার সিনিয়র কনটেন্ট প্রডিউসার হিসেবে কাজ করছেন তুলিকা সমাদ্দার। সাংবাদিকতা জগতের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে। কেরিয়ার শুরু করেন ২০১৫ সালে, শুরু থেকেই বিনোদন জগত ও লাইফস্টাইল সেকশনে কাজ করে আসছেন। তারকা থেকে সিনেমা, টলিপাড়ার খুঁটিনাটি খবর রাখা, এমনকী অজানা হাঁড়ির খবরও গসিপ-প্রেমী পাঠকদের কাছে তুলে ধরাই কাজ। এছাড়াও বলিউডের তারকাদের হালহাকিকতও তুলে ধরেন পাঠকদের সামনে। সঙ্গে সিনেমার রিভিউ, তারকাদের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, সমস্তটাই নখদর্পণে। সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে তুলিকা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিরাটি মৃণালিনী দত্ত মহাবিদ্যাপীঠ থেকে। এরপর মাস কমিউনিকেশন (Mass Communication) নিয়ে মাস্টার্স করেছেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। ১০ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে তুলিকার কাজের জগতে হাতেখড়ি হয় সংবাদপত্র দিয়ে। ডিজিটাল সাংবাদিকতায় কাজ শুরু হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার হাত ধরেই। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ওতোপ্রোতোভাবে জড়িত। সাহিত্যের প্রতি তুলিকার ঝোঁক ছোটবেলা থেকেই, সেই থেকেই সিনেমার প্রতি ভালোবাসা তৈরি। এছাড়াও ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন, আরও বিশেষভাবে বললে তুলিকা পাহাড়-প্রেমী। আর তাই পাঠককে দিতে পারেন নানা জানা-অজানা জায়গায় ভ্রমণের সুলুক সন্ধান, তাও পকেট বাঁচিয়ে কম খরচে। সঙ্গে নিজে গাছপ্রেমী, দিনের বড় একটা অংশ কাটে ছাদবাগানে, আর নিজের প্রাপ্ত জ্ঞান থেকেই তুলিকার গার্ডেনিংয়ের কপি লেখা শুরু।Read More
E-Paper


