Nandini-Rajveer: সৃজলাকে রক্তাক্ত করেও আফসোস নেই! বাথরুমে ঢুকে রাজবীরের সঙ্গে রগরগে চুমুতে মজে নন্দিনী
‘ম্যাঁও’ ডেকে কাছে টানা, তারপর চকাস চুমু! অভিমান ভুলে 'বিগ বস'-এর বাথরুমে জমিয়ে প্রেম রাজবীর-নন্দিনীর!
বিগ বস বাংলা'-র ঘরের তাপমাত্রা এক ধাক্কায় তুঙ্গে! ক্যাপ্টেন্সি টাস্কে সৃজলা গুহকে সজোরে ধাক্কা দিয়ে ফেলে আহত করার পর চারিদিকে যখন চরম সমালোচনা ও ট্রোলিংয়ের ঝড়, ঠিক তখনই সব বিতর্ক বাথরুমে বন্দি করে রাজবীর দে-র সঙ্গে মাখোমাখো রোম্যান্সে মেতে উঠলেন বিতর্কিত প্রতিযোগী নন্দিনী দত্ত!

সৃজলাকে নিয়ে বচসা ও সম্পর্কের দূরত্ব মেটাতে রাতে উবে গেল সব বিবাদ— বাথরুমের একান্তে চলল জড়িয়ে ধরে চুম্বনের হট সেশন!
সৃজলা আহত, ঘরে ধুন্ধুমার— আর বাথরুমে ভালোবাসার জোয়ার!
ক্যাপ্টেন্সি খেলার সময় সৃজলা আঘাত পাওয়ার পর পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়েছিল যে সতীর্থ সোহিনী-সোনামণিরাও নন্দিনীর উপর ক্ষোভ উগরে দেন। এমনকি রাজবীরও একসময় বিরক্তি প্রকাশ করে সম্পর্কে ইতি টানার বার্তা দিয়েছিলেন। কিন্তু ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই নাটকের মোড় ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরল!
বাথরুমের একান্তে নন্দিনীকে কাছে পেয়ে আর নিজেকে সামলাতে পারেননি রাজবীর। রাজবীরের পায়ের কাছে বসা নন্দিনীকে আচমকা নিজের দিকে টেনে নেন তিনি। এরপরই একের পর এক গাঢ় ও স্পষ্ট চুম্বন!
‘ম্যাঁও’ ডাক আর ফেস ম্যাসাজের প্রস্তাব!
প্রেমের আমেজে কেবল চুমুেই থামেননি রাজবীর। বিড়ালের মতো আদুরে গলায় ‘ম্যাঁও’ ডেকে নন্দিনীর সঙ্গে মিষ্টি খুনসুটিতে মেতে ওঠেন তিনি। নন্দিনীকে ফেস ম্যাসাজ করে দেওয়ার প্রেমময় প্রস্তাবও দেন রাজবীর। যদিও 'দুই শালিক' খ্যাত নন্দিনী লাজুক হেসে সেই প্রস্তাব নাকচ করে দেন।
সৃজলাকে আঘাত করা থেকে শুরু করে দর্শকদের ক্ষোভ— সবকিছুকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে রাজবীর-নন্দিনীর এই মাখোমাখো রোম্যান্স এখন নেটপাড়ায় ট্রেন্ডিং হট টপিক! গেম প্ল্যান নাকি সত্যি কারের ভালোবাসা, তা নিয়ে শোরগোল চরমে। তবে দুজনের এই মাখামাখি দেখে চোখ কপালে দর্শকদের। অনেকের প্রশ্ন, ‘আচ্ছা এদের বাবা-মা, বন্ধুরা কি দেখে না শো?’ কেউ আবার এই রোম্যান্সকে ‘নষ্টামি’ আখ্যা দিয়েছেন। তবে সে-সব নিয়ে মাথা ঘামাতে না-রাজ রাজ-নন্দিনী (জুটির নাম)। আপতত পরস্পরে মজে রাজবীর-নন্দিনী।
ABOUT THE AUTHORPriyanka Mukherjeeপ্রিয়াঙ্কা মুখোপাধ্যায় হিন্দুস্তান টাইমস বাংলার একজন অভিজ্ঞ কন্টেন্ট প্রোডিউসার। বিগত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি সাংবাদিকতার জগতের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত। ২০১৪ সালে তাঁর পেশাদার জীবন শুরু এবং প্রথম দিন থেকেই তাঁর বিচরণক্ষেত্র হলো বিনোদন জগৎ। টলিউড থেকে বলিউড— বিনোদন সাংবাদিকতায় তাঁর লেখনী ও অভিজ্ঞতা পাঠকদের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত। পেশাদার অভিজ্ঞতা: ১২ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে প্রিয়াঙ্কা প্রথম ৫ বছর টেলিভিশন বা অডিও-ভিস্যুয়াল মাধ্যমে কাজ করেছেন। ২০১৯ সালে হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা-র যাত্রার শুরু থেকেই তিনি এই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। এখানেই তাঁর ডিজিটাল সাংবাদিকতার (Digital Journalism) হাতেখড়ি। বর্তমানে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে বিনোদন সংক্রান্ত খবর, ফিচার এবং ইন-ডেপথ স্টোরি তৈরিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। শিক্ষাগত যোগ্যতা: সাংবাদিকতা ও গণজ্ঞাপন (Journalism & Mass Communication) নিয়ে প্রিয়াঙ্কা তাঁর স্নাতক স্তরের পড়াশোনা সম্পন্ন করেছেন বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে। এরপর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তিগত পছন্দ ও নেশা: পেশাগতভাবে বিনোদন সাংবাদিক হলেও প্রিয়াঙ্কার হৃদয়ের এক বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ক্রীড়া জগত। সব ধরণের খেলা দেখতে তিনি ভীষণ ভালোবাসেন। কাজের বাইরে তাঁর অবসর কাটে বইয়ের পাতায় ডুবে থেকে। এছাড়া অজানাকে জানতে দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ানো তাঁর অন্যতম নেশা।Read More
E-Paper


